ঢাকা ১২:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

করমুক্ত আয়সীমা বাড়ল, ব্যাংক হিসাব খুলতে টিআইএন লাগবে না

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৫৫:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • / 7

জাতীয় সংসদে ২০২৬ সালের অর্থবিল পাস হয়েছে, যেখানে করনীতি ও আর্থিক বিধিনিষেধে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

একই সঙ্গে ব্যাংক হিসাব খোলার ক্ষেত্রে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবও প্রত্যাহার করা হয়েছে, ফলে আগের নিয়মেই নতুন অ্যাকাউন্ট খোলা যাবে।

সোমবার (২৯ জুন) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন। পরে কয়েকটি সংশোধনী গ্রহণের পর কণ্ঠভোটে তা পাস হয়। সংশোধনীগুলোর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুপারিশও অন্তর্ভুক্ত ছিল বলে জানানো হয়।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী অর্থবছর থেকে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকার পরিবর্তে ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করমুক্ত থাকবে। জমি ও ফ্ল্যাট নিবন্ধন, নামজারি এবং দলিল প্রক্রিয়ায় টিআইএন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবও বাতিল করা হয়েছে।

অর্থবিলের আরও কয়েকটি পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা, ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং কিছু শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক হ্রাস।

স্বর্ণ ও অলংকার খাতে নতুন ভ্যাট কাঠামো চালু হচ্ছে, পাশাপাশি নির্দিষ্ট ক্রয়ে উৎসে কর কাটার বিধান যুক্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে মাছ সরবরাহ ও টেলিযোগাযোগ খাতের কিছু ভ্যাট অব্যাহতি প্রত্যাহার করা হয়েছে।

কোম্পানিগুলোর লভ্যাংশ বিতরণ ও নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন জমা নিয়েও নতুন শর্ত যুক্ত হয়েছে, যা কর-পরবর্তী মুনাফা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই আনা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

করমুক্ত আয়সীমা বাড়ল, ব্যাংক হিসাব খুলতে টিআইএন লাগবে না

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৫৫:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

জাতীয় সংসদে ২০২৬ সালের অর্থবিল পাস হয়েছে, যেখানে করনীতি ও আর্থিক বিধিনিষেধে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

একই সঙ্গে ব্যাংক হিসাব খোলার ক্ষেত্রে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবও প্রত্যাহার করা হয়েছে, ফলে আগের নিয়মেই নতুন অ্যাকাউন্ট খোলা যাবে।

সোমবার (২৯ জুন) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন। পরে কয়েকটি সংশোধনী গ্রহণের পর কণ্ঠভোটে তা পাস হয়। সংশোধনীগুলোর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুপারিশও অন্তর্ভুক্ত ছিল বলে জানানো হয়।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী অর্থবছর থেকে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকার পরিবর্তে ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করমুক্ত থাকবে। জমি ও ফ্ল্যাট নিবন্ধন, নামজারি এবং দলিল প্রক্রিয়ায় টিআইএন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবও বাতিল করা হয়েছে।

অর্থবিলের আরও কয়েকটি পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা, ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং কিছু শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক হ্রাস।

স্বর্ণ ও অলংকার খাতে নতুন ভ্যাট কাঠামো চালু হচ্ছে, পাশাপাশি নির্দিষ্ট ক্রয়ে উৎসে কর কাটার বিধান যুক্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে মাছ সরবরাহ ও টেলিযোগাযোগ খাতের কিছু ভ্যাট অব্যাহতি প্রত্যাহার করা হয়েছে।

কোম্পানিগুলোর লভ্যাংশ বিতরণ ও নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন জমা নিয়েও নতুন শর্ত যুক্ত হয়েছে, যা কর-পরবর্তী মুনাফা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই আনা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।