প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফর ৮-১০ দিনের
- সর্বশেষ আপডেট ১১:০৪:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
- / 8
আগামী সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ-৮১) উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্ভাব্য সূচি অনুযায়ী, ২১ সেপ্টেম্বর তিনি নিউইয়র্কে পৌঁছাবেন। জাতিসংঘে ভাষণ দেওয়ার পাশাপাশি একাধিক কূটনৈতিক ও সরকারি কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তার। সফর শেষে ক্যালিফোর্নিয়ার সানফ্রান্সিসকোতে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে দেশে ফিরবেন তিনি। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী হলে সফরটি ৮ থেকে ১০ দিনের হবে।
সরকারের নির্ভরযোগ্য সূত্র এবং যুক্তরাষ্ট্রে বিএনপির নেতারা জানিয়েছেন, নিউইয়র্ক সফরকালে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকেও অংশ নিতে পারেন। একই সঙ্গে প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্যোগে তাকে নাগরিক সংবর্ধনা দেওয়ার প্রস্তুতিও চলছে।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক সফরে যাবেন। তবে চূড়ান্ত সফরসূচি এখনও নির্ধারণ হয়নি এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি চলছে।
দলীয় সূত্র জানায়, ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর ২৫ সেপ্টেম্বর তাকে নাগরিক সংবর্ধনা দেওয়া হবে। ২৬ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর ক্যালিফোর্নিয়ার সানফ্রান্সিসকোতে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার পর ২৮ সেপ্টেম্বর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি হবে তার দ্বিতীয় বিদেশ সফর। এর আগে গত জুনে তিনি মালয়েশিয়া ও চীন সফর করেন। ওই সফরে জনশক্তি, বাণিজ্য, করিডোর উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে একাধিক সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
এদিকে দীর্ঘদিন পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুক্তরাষ্ট্র সফরকে ঘিরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলো সফরকে ঘিরে বিভিন্ন কর্মসূচির প্রস্তুতি নিচ্ছে। নিউইয়র্কে তাকে স্বাগত জানাতে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে নেতাকর্মীরা সমবেত হবেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এবারের জাতিসংঘ অধিবেশন বাংলাদেশের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, একই সময়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। ফলে জাতিসংঘের মূল অধিবেশনে বাংলাদেশের সরকারপ্রধানের ভাষণ এবং একই দেশের প্রতিনিধির সভাপতিত্ব, দুটি ঘটনাই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের কূটনৈতিক অবস্থানকে নতুন মাত্রা দিতে পারে বলে মনে করছেন তারা।




































