দেশের সব বন্দর ২৪ ঘণ্টা চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
- সর্বশেষ আপডেট ০৬:৪৪:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬
- / 14
দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আরও গতিশীল করা, ব্যবসা সহজীকরণ এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ জোরদারের লক্ষ্যে দেশের সব সমুদ্র, স্থল ও বিমানবন্দর ২৪ ঘণ্টা চালু রাখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (১ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এ নির্দেশনা দেন তিনি। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে বিষয়টি জানান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন।
তিনি বলেন, বৈঠকে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম বন্দর ও ঢাকা বিমানবন্দরে আমদানি-রপ্তানিসংক্রান্ত কার্যক্রম ২৪ ঘণ্টা চালুর প্রস্তাব দেওয়া হয়। এ প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে দেশের সব বন্দরে সার্বক্ষণিক সেবা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।
মাহদী আমিন জানান, সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থা সমন্বয়ের মাধ্যমে এমন ব্যবস্থা করবে, যাতে দেশের প্রতিটি বন্দর ২৪ ঘণ্টা কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে। এর ফলে পণ্য পরিবহন ও খালাসের গতি বাড়বে এবং আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আরও দ্রুত ও কার্যকর হবে।
তিনি বলেন, বৈঠকে বেসরকারি খাতের বিভিন্ন সমস্যা, বিনিয়োগের প্রতিবন্ধকতা এবং ব্যবসা সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা), রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (বেপজা) ও অন্যান্য অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ বাড়ানোর উপায় এবং বিদ্যমান জটিলতা দূর করার বিষয়েও মতবিনিময় হয়েছে।
সরকার বেসরকারি খাতের বিকাশে নীতিগত সহায়তা অব্যাহত রাখবে উল্লেখ করে মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে চান, যেখানে বিনিয়োগবান্ধব নীতিমালা ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত হবে। এর মাধ্যমে দেশের তরুণ ও নারীদের জন্য আরও বেশি কর্মসংস্থান এবং আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই নীতিকে সামনে রেখেই সরকার অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে কাজ করছে। বৈঠকে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা সরকারের বিভিন্ন নীতিগত উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
মাহদী আমিনের ভাষ্য, সরকারের লক্ষ্য হলো ব্যবসা পরিচালনা আরও সহজ করা, বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা এবং এর মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সম্প্রসারণে নতুন গতি সৃষ্টি করা।

































