ঢাকা ০৮:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কলিমউল্লাহসহ পাঁচজনের মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল পিছিয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:৩৮:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
  • / 124

কলিমউল্লাহসহ পাঁচজনের মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল পিছিয়েছে

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা দুর্নীতির মামলায় সাবেক উপাচার্য (ভিসি) নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

সোমবার (২৭ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহাজাহান কবিরের আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন নির্ধারিত ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় আদালত নতুন করে ২৩ সেপ্টেম্বর তারিখ নির্ধারণ করেন।

মামলার প্রধান আসামি নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহকে গত বছরের ৭ আগস্ট রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। একই বছরের ২৭ আগস্ট এ মামলায় তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেন আদালত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ২০২৫ সালের ১৮ জুন কলিমউল্লাহসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করে দুদক।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন—বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও প্রকল্প পরিচালক এ কে এম নূর-উন-নবী, সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী ও দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সদস্যসচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং ঠিকাদার মো. আ. সালাম বাচ্চু ও এম এম হাবিবুর রহমান।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পরের যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) উপেক্ষা করে নকশা পরিবর্তন করেন। এছাড়া সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়াই ৩০ কোটি টাকার বেশি মূল্যের চুক্তি সম্পাদন করা হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ঠিকাদারের নিরাপত্তা জামানতের অর্থ এফডিআর হিসেবে সংরক্ষণের বিধান থাকলেও তা ব্যবহার করে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গ্যারান্টার হিসেবে ভূমিকা পালন করে সরকারের প্রায় চার কোটি টাকা আত্মসাতের সুযোগ সৃষ্টি করে। এছাড়া চুক্তিতে অগ্রিম বিল দেওয়ার বিধান না থাকা সত্ত্বেও অগ্রিম অর্থ প্রদান, তা সমন্বয়ের আগেই ব্যাংক গ্যারান্টি অবমুক্ত করা এবং সরকারি ক্রয়বিধি (পিপিআর-২০০৮) লঙ্ঘন করে দ্বিতীয় পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

এ ছাড়া অস্বাভাবিক দরপ্রস্তাব থাকা সত্ত্বেও বিধি অনুযায়ী যথাযথ মূল্যায়ন না করাসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগও মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কলিমউল্লাহসহ পাঁচজনের মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল পিছিয়েছে

সর্বশেষ আপডেট ০২:৩৮:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা দুর্নীতির মামলায় সাবেক উপাচার্য (ভিসি) নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

সোমবার (২৭ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহাজাহান কবিরের আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন নির্ধারিত ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় আদালত নতুন করে ২৩ সেপ্টেম্বর তারিখ নির্ধারণ করেন।

মামলার প্রধান আসামি নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহকে গত বছরের ৭ আগস্ট রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। একই বছরের ২৭ আগস্ট এ মামলায় তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেন আদালত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ২০২৫ সালের ১৮ জুন কলিমউল্লাহসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করে দুদক।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন—বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও প্রকল্প পরিচালক এ কে এম নূর-উন-নবী, সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী ও দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সদস্যসচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং ঠিকাদার মো. আ. সালাম বাচ্চু ও এম এম হাবিবুর রহমান।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পরের যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) উপেক্ষা করে নকশা পরিবর্তন করেন। এছাড়া সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়াই ৩০ কোটি টাকার বেশি মূল্যের চুক্তি সম্পাদন করা হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ঠিকাদারের নিরাপত্তা জামানতের অর্থ এফডিআর হিসেবে সংরক্ষণের বিধান থাকলেও তা ব্যবহার করে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গ্যারান্টার হিসেবে ভূমিকা পালন করে সরকারের প্রায় চার কোটি টাকা আত্মসাতের সুযোগ সৃষ্টি করে। এছাড়া চুক্তিতে অগ্রিম বিল দেওয়ার বিধান না থাকা সত্ত্বেও অগ্রিম অর্থ প্রদান, তা সমন্বয়ের আগেই ব্যাংক গ্যারান্টি অবমুক্ত করা এবং সরকারি ক্রয়বিধি (পিপিআর-২০০৮) লঙ্ঘন করে দ্বিতীয় পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

এ ছাড়া অস্বাভাবিক দরপ্রস্তাব থাকা সত্ত্বেও বিধি অনুযায়ী যথাযথ মূল্যায়ন না করাসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগও মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।