ঢাকা ১০:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের বাজেয়াপ্ত অর্থ ব্যবহারের ঘোষণা ট্রাম্পের

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:৩৯:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • / 27

ইরানের হামলায় হওয়া ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ মার্কিন করদাতাদের অর্থে নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে থাকা তেহরানের বাজেয়াপ্ত তহবিল থেকেই আদায় করা হবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

তবে এ পরিকল্পনার আইনি ভিত্তি ও সম্ভাব্য কূটনৈতিক প্রভাব নিয়ে এখনো বিস্তারিত অবস্থান জানায়নি হোয়াইট হাউস।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) মিশিগান সফরে যাওয়ার পথে এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ইরানের হামলায় সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির দায় তেহরানকেই বহন করতে হবে এবং এজন্য বাজেয়াপ্ত ইরানি অর্থ ব্যবহারের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

জানা গেছে, মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজের মেরামত ব্যয়, পণ্যের ক্ষতি এবং আঞ্চলিক মিত্রদের ওপর প্রভাব মূল্যায়নের কাজ করছে। ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট গত জুন থেকেই এ প্রস্তাব নিয়ে কাজ করছেন।

এদিকে ট্রাম্পের এ উদ্যোগকে সমর্থকরা জবাবদিহি নিশ্চিতের পদক্ষেপ হিসেবে দেখলেও সমালোচকদের আশঙ্কা, এতে ইরানের সঙ্গে পরমাণু কর্মসূচি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে কূটনৈতিক আলোচনার পথ আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ইরানের বাজেয়াপ্ত অর্থ ব্যবহারের ঘোষণা ট্রাম্পের

সর্বশেষ আপডেট ০৩:৩৯:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

ইরানের হামলায় হওয়া ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ মার্কিন করদাতাদের অর্থে নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে থাকা তেহরানের বাজেয়াপ্ত তহবিল থেকেই আদায় করা হবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

তবে এ পরিকল্পনার আইনি ভিত্তি ও সম্ভাব্য কূটনৈতিক প্রভাব নিয়ে এখনো বিস্তারিত অবস্থান জানায়নি হোয়াইট হাউস।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) মিশিগান সফরে যাওয়ার পথে এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ইরানের হামলায় সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির দায় তেহরানকেই বহন করতে হবে এবং এজন্য বাজেয়াপ্ত ইরানি অর্থ ব্যবহারের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

জানা গেছে, মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজের মেরামত ব্যয়, পণ্যের ক্ষতি এবং আঞ্চলিক মিত্রদের ওপর প্রভাব মূল্যায়নের কাজ করছে। ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট গত জুন থেকেই এ প্রস্তাব নিয়ে কাজ করছেন।

এদিকে ট্রাম্পের এ উদ্যোগকে সমর্থকরা জবাবদিহি নিশ্চিতের পদক্ষেপ হিসেবে দেখলেও সমালোচকদের আশঙ্কা, এতে ইরানের সঙ্গে পরমাণু কর্মসূচি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে কূটনৈতিক আলোচনার পথ আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে।