সাবান-শ্যাম্পুর দাম বাড়ছে, কমছে ওজন
- সর্বশেষ আপডেট ০১:৫৯:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 9
নিত্যপণ্যের বাড়তি দামের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সাবান, শ্যাম্পু ও ডিটারজেন্ট পাউডারের দাম। উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ার কথা বলে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন কোম্পানি গত দুই মাসে এসব পণ্যের দাম ১০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়েছে। একই সঙ্গে কিছু পণ্যের ওজনও কমানো হয়েছে।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের গোসলের সাবানের দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। পাশাপাশি ১০০ গ্রামের সাবান কমিয়ে ৯০ গ্রাম করা হয়েছে। অর্থাৎ দাম বাড়ার পাশাপাশি পরিমাণও কমেছে।
শ্যাম্পুর ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা গেছে। কোম্পানি ভেদে বোতলপ্রতি দাম ৫০ থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। আগে ৩৩০ মিলিলিটারের একটি শ্যাম্পুর দাম ৩৮০ টাকা থাকলেও এখন তা ৪৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আবার কিছু কোম্পানি ২০০ মিলিলিটারের বোতলে ১৯০ মিলিলিটার শ্যাম্পু দিচ্ছে।
থালাবাসন ও কাপড় ধোয়ার সাবান এবং ডিটারজেন্ট পাউডারের দামও বেড়েছে। কোনো কোনো পণ্যের দাম ৩০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। তাদের দাবি, কোম্পানির কাছ থেকেই বাড়তি দামে পণ্য কিনতে হচ্ছে। ফলে খুচরা বাজারেও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
একজন বিক্রেতা বলেন, আগে ৬৫ টাকা দামের একটি সাবানের গায়ে মূল্য ছিল ৫৫ টাকা। এখন সেটি ৬৫ টাকা করা হয়েছে। আগে পণ্যটির ওজন ছিল ১০০ গ্রাম, এখন দেওয়া হচ্ছে ৯০ গ্রাম। কাপড় কাচার সাবানের দামও ৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৩৫ টাকা হয়েছে।
পণ্যের দাম ও পরিমাণে এমন পরিবর্তনে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা। তাদের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় পণ্য হওয়ায় দাম বাড়লেও বাধ্য হয়েই কিনতে হচ্ছে। ক্রেতাদের ভাষ্য, কোম্পানিগুলো নিজেদের ইচ্ছামতো দাম বাড়াচ্ছে, কিন্তু তাদের নিয়ন্ত্রণে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা দেখা যাচ্ছে না।
ক্রেতা-বিক্রেতারা বলছেন, শুধু খুচরা বাজারে নজরদারি না করে কোম্পানিগুলো কেন এবং কী কারণে পণ্যের দাম বাড়াচ্ছে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। একই সঙ্গে দাম বাড়ানোর ক্ষেত্রে সরকারি নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারি আরও জোরদারের দাবি জানিয়েছেন তারা।
নিত্যপণ্যের পাশাপাশি সাবান, শ্যাম্পু, ডিটারজেন্টসহ দৈনন্দিন ব্যবহারের অন্যান্য পণ্যের দাম নির্ধারণ ও পরিবর্তনের বিষয়েও কার্যকর নজরদারি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন ভোক্তারা।
































