ঢাকা ০৩:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নড়িয়ায় নারীকে ধর্ষণ, শিশুকে অপহরণের হুমকির অভিযোগ

রোমান আকন্দ, শরীয়তপুর
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:২১:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 8

নড়িয়ায় নারীকে ধর্ষণ, শিশুকে অপহরণের হুমকির অভিযোগ

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় বাড়ি ছাড়ার হুমকি, হামলা, মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ তুলে নিজের ও ছয় বছর বয়সী মেয়ের নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন রুজিনা বেগম (৩৫) নামে এক নারী। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে তিনি পুলিশ সুপারের কাছে এ আবেদন করেন।

লিখিত অভিযোগে রুজিনা বেগম বলেন, কয়েক মাস ধরে নড়িয়া উপজেলার ভোজেশ্বর ইউনিয়নের মশুরা গ্রামের নান্নু মিজি (৫০) ও ফতেজঙ্গপুর ইউনিয়নের সাতপাড় গ্রামের সবুজ খালাসী (৫০) কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন সময় তাদের বাড়িতে গিয়ে বাড়ি ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছেন। একই সঙ্গে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের অপহরণ, হত্যা ও গুমের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

অভিযোগে তিনি আরও বলেন, গত ২৬ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নান্নু মিজি ও সবুজ খালাসীসহ ৭-৮ জন তাদের বাড়িতে গিয়ে তার দুই ভাই সাগর ও মামুনকে মারধর করেন। এ সময় তিনি প্রতিবাদ করলে তাকেও মারধর ও শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগ করেন রুজিনা।

রুজিনার অভিযোগ, হামলার একপর্যায়ে তাকে বাড়ি ছেড়ে দেওয়ার জন্য হুমকি দেওয়া হয়। বাড়ি না ছাড়লে তাকে ধর্ষণ এবং তার ছয় বছর বয়সী মেয়ে রোজাকে তুলে নিয়ে ‘খারাপ কাজে’ ব্যবহার করার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এ ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে মেয়ের স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার জন্য মেয়েকে দূরের এক আত্মীয়ের বাড়িতে রাখা হয়েছে বলেও আবেদনে উল্লেখ করেন রুজিনা।

রুজিনা বেগম দাবি করেন, এ ঘটনায় তার ভাই সাগর তালুকদার বাদী হয়ে নড়িয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তবে অভিযোগ দেওয়ার পরও তারা কাঙ্ক্ষিত প্রতিকার পাননি বলে দাবি করেন তিনি।

বর্তমানে তিনি, তার মেয়ে ও পরিবারের অন্য সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন উল্লেখ করে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত, প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা এবং তাদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য পুলিশ সুপারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন রুজিনা।

অভিযোগের বিষয়ে নান্নু মিজি বলেন, “আমার নামে অভিযোগ দিলে আমি কী করব। নিউজটা বন্ধ করেন। আপনার সঙ্গে কাল দেখা করব।”

নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, “ওনারা (ভুক্তভোগীরা) আসুক। আসলে আমি দেখে বলতে পারব।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নড়িয়ায় নারীকে ধর্ষণ, শিশুকে অপহরণের হুমকির অভিযোগ

সর্বশেষ আপডেট ০২:২১:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় বাড়ি ছাড়ার হুমকি, হামলা, মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ তুলে নিজের ও ছয় বছর বয়সী মেয়ের নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন রুজিনা বেগম (৩৫) নামে এক নারী। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে তিনি পুলিশ সুপারের কাছে এ আবেদন করেন।

লিখিত অভিযোগে রুজিনা বেগম বলেন, কয়েক মাস ধরে নড়িয়া উপজেলার ভোজেশ্বর ইউনিয়নের মশুরা গ্রামের নান্নু মিজি (৫০) ও ফতেজঙ্গপুর ইউনিয়নের সাতপাড় গ্রামের সবুজ খালাসী (৫০) কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন সময় তাদের বাড়িতে গিয়ে বাড়ি ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছেন। একই সঙ্গে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের অপহরণ, হত্যা ও গুমের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

অভিযোগে তিনি আরও বলেন, গত ২৬ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নান্নু মিজি ও সবুজ খালাসীসহ ৭-৮ জন তাদের বাড়িতে গিয়ে তার দুই ভাই সাগর ও মামুনকে মারধর করেন। এ সময় তিনি প্রতিবাদ করলে তাকেও মারধর ও শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগ করেন রুজিনা।

রুজিনার অভিযোগ, হামলার একপর্যায়ে তাকে বাড়ি ছেড়ে দেওয়ার জন্য হুমকি দেওয়া হয়। বাড়ি না ছাড়লে তাকে ধর্ষণ এবং তার ছয় বছর বয়সী মেয়ে রোজাকে তুলে নিয়ে ‘খারাপ কাজে’ ব্যবহার করার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এ ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে মেয়ের স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার জন্য মেয়েকে দূরের এক আত্মীয়ের বাড়িতে রাখা হয়েছে বলেও আবেদনে উল্লেখ করেন রুজিনা।

রুজিনা বেগম দাবি করেন, এ ঘটনায় তার ভাই সাগর তালুকদার বাদী হয়ে নড়িয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তবে অভিযোগ দেওয়ার পরও তারা কাঙ্ক্ষিত প্রতিকার পাননি বলে দাবি করেন তিনি।

বর্তমানে তিনি, তার মেয়ে ও পরিবারের অন্য সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন উল্লেখ করে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত, প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা এবং তাদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য পুলিশ সুপারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন রুজিনা।

অভিযোগের বিষয়ে নান্নু মিজি বলেন, “আমার নামে অভিযোগ দিলে আমি কী করব। নিউজটা বন্ধ করেন। আপনার সঙ্গে কাল দেখা করব।”

নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, “ওনারা (ভুক্তভোগীরা) আসুক। আসলে আমি দেখে বলতে পারব।”