ঢাকা ০৬:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নবম দিনের যুদ্ধে পাল্টাপাল্টি হামলা

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৩৯:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
  • / 21

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি হামলা নবম দিনে গড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তারা আবারও ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে।

অন্যদিকে, ইরানের দাবি—সিরিয়া, জর্ডান ও কুয়েতে মার্কিন সামরিক স্থাপনা এবং বিমান লক্ষ্য করে সফল হামলা চালানো হয়েছে। তবে এসব দাবির কিছু বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট দেশগুলো ভিন্ন তথ্য দিয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে নতুন দফায় ‘কঠোর হামলা’ চালানো হয়েছে। একই সময়ে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, টানা নবম রাতের অভিযানে ইরানের সামরিক কমান্ড সেন্টার, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণ কেন্দ্র, উপকূলীয় নজরদারি ব্যবস্থা এবং যোগাযোগ অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।

অন্যদিকে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, সিরিয়ার আল-তানফে মার্কিন বিশেষ বাহিনীর ঘাঁটি, জর্ডানের আকাবা বিমানবন্দরে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক বিমান এবং কুয়েতের আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটির বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। জর্ডান জানিয়েছে, তারা কয়েকটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে এবং কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

সংঘাতের প্রভাব জ্বালানি বাজারেও পড়েছে। হরমুজ প্রণালির কাছে একটি জাহাজে আগুন লাগার ঘটনার পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯০ ডলারের ওপরে উঠে যায়।

এদিকে, ইরানের পরমাণু শক্তি সংস্থা জানিয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে নির্মাণাধীন একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের স্থাপনায় মার্কিন হামলা হয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) জানিয়েছে, প্রকল্পটি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং সেখানে কোনো পারমাণবিক উপাদান ছিল না।

সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় বাহরাইন, জর্ডান ও কুয়েতে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে। ইসরায়েলও জানিয়েছে, পরিস্থিতি প্রয়োজন হলে তারা আবারও পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরু করতে প্রস্তুত।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নবম দিনের যুদ্ধে পাল্টাপাল্টি হামলা

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৩৯:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি হামলা নবম দিনে গড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তারা আবারও ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে।

অন্যদিকে, ইরানের দাবি—সিরিয়া, জর্ডান ও কুয়েতে মার্কিন সামরিক স্থাপনা এবং বিমান লক্ষ্য করে সফল হামলা চালানো হয়েছে। তবে এসব দাবির কিছু বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট দেশগুলো ভিন্ন তথ্য দিয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে নতুন দফায় ‘কঠোর হামলা’ চালানো হয়েছে। একই সময়ে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, টানা নবম রাতের অভিযানে ইরানের সামরিক কমান্ড সেন্টার, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণ কেন্দ্র, উপকূলীয় নজরদারি ব্যবস্থা এবং যোগাযোগ অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।

অন্যদিকে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, সিরিয়ার আল-তানফে মার্কিন বিশেষ বাহিনীর ঘাঁটি, জর্ডানের আকাবা বিমানবন্দরে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক বিমান এবং কুয়েতের আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটির বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। জর্ডান জানিয়েছে, তারা কয়েকটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে এবং কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

সংঘাতের প্রভাব জ্বালানি বাজারেও পড়েছে। হরমুজ প্রণালির কাছে একটি জাহাজে আগুন লাগার ঘটনার পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯০ ডলারের ওপরে উঠে যায়।

এদিকে, ইরানের পরমাণু শক্তি সংস্থা জানিয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে নির্মাণাধীন একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের স্থাপনায় মার্কিন হামলা হয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) জানিয়েছে, প্রকল্পটি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং সেখানে কোনো পারমাণবিক উপাদান ছিল না।

সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় বাহরাইন, জর্ডান ও কুয়েতে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে। ইসরায়েলও জানিয়েছে, পরিস্থিতি প্রয়োজন হলে তারা আবারও পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরু করতে প্রস্তুত।