ঢাকা ১০:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রায়পুরার উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এমপি বকুলের একগুচ্ছ দাবি

বশির আহম্মদ মোল্লা, নরসিংদী প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:২১:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
  • / 30

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে নৈশভোজে অংশ নিয়েছেন কেন্দ্রীয় বিএনপি’র বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ও নরসিংদী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল তার সহধর্মিনী ওমেন্স চেম্বার অব কমার্স এর চেয়ারম্যান, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক নেত্রী, রায়পুরা উপজেলা বিএনপির সদস্য জান্নাতুল হক শাপলা।

গতকাল রাতে গণভবনে নৈশভোজ ও সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রীর কাছে তিনি রায়পুরার সার্বিক উন্নয়ন, অবকাঠামোগত অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেন।

এসময় বকুল এমপি রায়পুরার টেকসই নানামুখী উন্নয়ন, বেড়িবাঁধ নির্মাণ, নদীভাঙন রোধে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করাসহ চরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপের কথা জানান।

প্রধানমন্ত্রীর কাছে তিনি মেঘনা নদীতে ব্রিজ্র নির্মাণ, চরাঞ্চলে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা, মেঘনা নদীতে ফেরি পারাপারের মাধ্যমে কুমিল্লার সাথে সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা করা, রায়পুরা শ্রীরামপুর রেল গেট থেকে রেললাইনের পাশ দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করে ভৈরবের সাথে সংযোগ করাসহ শিল্প কারখানা গড়ে তোলার জন্য গ্যাস সংযোগ স্থাপনেরও দাবি জানান।

নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন ও নদীতীরবর্তী এলাকার স্থায়ী সুরক্ষার বিষয়টিও তুলে ধরেন। দাবির মধ্যে তিনি রায়পুরার অভ্যন্তরীণ সড়ক যোগাযোগ উন্নয়ন, গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সেতু নির্মাণ এবং রাজধানী ঢাকার সঙ্গে আঞ্চলিক যোগাযোগ আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ করতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের আহ্বান জানান।

এছাড়া রায়পুরার চরাঞ্চলসহ পুরো উপজেলার যুবসমাজকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে প্রযুক্তিগত শিক্ষা, কারিগরি প্রশিক্ষণকেন্দ্র স্থাপন এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির ওপরও জোর দেন তিনি।

এসময় আশা আশা প্রকাশ করে বকুল বলেন,প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের মেয়াদকালেই রায়পুরার উন্নয়নে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ ও গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলো দ্রুত অনুমোদন পাবে।

এর মাধ্যমে মেঘনাবেষ্টিত রায়পুরাকে একটি আধুনিক, মডেল ও উন্নত উপজেলায় রূপান্তর করা সম্ভব হবে। এ সময় নরসিংদী-৫ আসনের এই সংসদ সদস্য প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্ব, আধুনিক চিন্তাভাবনা এবং দেশকে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভরশীল হিসেবে রূপান্তরের সুদূরপ্রসারী ভিশনের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সাধারণ মানুষের প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে দেশের উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর আধুনিক ও বাস্তবমুখী চিন্তাভাবনা দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে নতুন দিগন্তের সূচনা করবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংসদ সদস্য বকুলের এই সাক্ষাৎকে রায়পুরার উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ।

উল্লেখ্য, জাতীয় সংসদে বিভিন্ন বিষয়ে জনগণের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরে দেশবাসীর কাছে প্রসংশায় ভাসছেন বকুল|

এছাড়া রায়পুরার চরাঞ্চলের শতবছরের দুই গ্রুপের লেগে থাকা সংঘাত নিরসন করে তিনি ইতিমধ্যেই এলাকায় আলোচনায় এসেছেন। বাজেট বরাদ্ধে সমবন্টন, চাঁদাবাজী , মাদক নির্মূল ও সন্ত্রাসীদের বিরদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনাসহ এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় নানা পরিকল্পনা গ্রহন করে সমাদৃত হচ্ছেন এমপি বকুল।

ফলে কৃষিপ্রতিমন্ত্রী করতে দলীয় নেতাকর্মীসহ স্থানীয়রা প্রধানমন্ত্রীর কাছে জোর দাবি জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনার ঝড় তুলছেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

রায়পুরার উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এমপি বকুলের একগুচ্ছ দাবি

সর্বশেষ আপডেট ০৬:২১:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে নৈশভোজে অংশ নিয়েছেন কেন্দ্রীয় বিএনপি’র বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ও নরসিংদী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল তার সহধর্মিনী ওমেন্স চেম্বার অব কমার্স এর চেয়ারম্যান, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক নেত্রী, রায়পুরা উপজেলা বিএনপির সদস্য জান্নাতুল হক শাপলা।

গতকাল রাতে গণভবনে নৈশভোজ ও সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রীর কাছে তিনি রায়পুরার সার্বিক উন্নয়ন, অবকাঠামোগত অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেন।

এসময় বকুল এমপি রায়পুরার টেকসই নানামুখী উন্নয়ন, বেড়িবাঁধ নির্মাণ, নদীভাঙন রোধে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করাসহ চরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপের কথা জানান।

প্রধানমন্ত্রীর কাছে তিনি মেঘনা নদীতে ব্রিজ্র নির্মাণ, চরাঞ্চলে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা, মেঘনা নদীতে ফেরি পারাপারের মাধ্যমে কুমিল্লার সাথে সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা করা, রায়পুরা শ্রীরামপুর রেল গেট থেকে রেললাইনের পাশ দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করে ভৈরবের সাথে সংযোগ করাসহ শিল্প কারখানা গড়ে তোলার জন্য গ্যাস সংযোগ স্থাপনেরও দাবি জানান।

নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন ও নদীতীরবর্তী এলাকার স্থায়ী সুরক্ষার বিষয়টিও তুলে ধরেন। দাবির মধ্যে তিনি রায়পুরার অভ্যন্তরীণ সড়ক যোগাযোগ উন্নয়ন, গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সেতু নির্মাণ এবং রাজধানী ঢাকার সঙ্গে আঞ্চলিক যোগাযোগ আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ করতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের আহ্বান জানান।

এছাড়া রায়পুরার চরাঞ্চলসহ পুরো উপজেলার যুবসমাজকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে প্রযুক্তিগত শিক্ষা, কারিগরি প্রশিক্ষণকেন্দ্র স্থাপন এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির ওপরও জোর দেন তিনি।

এসময় আশা আশা প্রকাশ করে বকুল বলেন,প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের মেয়াদকালেই রায়পুরার উন্নয়নে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ ও গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলো দ্রুত অনুমোদন পাবে।

এর মাধ্যমে মেঘনাবেষ্টিত রায়পুরাকে একটি আধুনিক, মডেল ও উন্নত উপজেলায় রূপান্তর করা সম্ভব হবে। এ সময় নরসিংদী-৫ আসনের এই সংসদ সদস্য প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্ব, আধুনিক চিন্তাভাবনা এবং দেশকে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভরশীল হিসেবে রূপান্তরের সুদূরপ্রসারী ভিশনের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সাধারণ মানুষের প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে দেশের উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর আধুনিক ও বাস্তবমুখী চিন্তাভাবনা দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে নতুন দিগন্তের সূচনা করবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংসদ সদস্য বকুলের এই সাক্ষাৎকে রায়পুরার উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ।

উল্লেখ্য, জাতীয় সংসদে বিভিন্ন বিষয়ে জনগণের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরে দেশবাসীর কাছে প্রসংশায় ভাসছেন বকুল|

এছাড়া রায়পুরার চরাঞ্চলের শতবছরের দুই গ্রুপের লেগে থাকা সংঘাত নিরসন করে তিনি ইতিমধ্যেই এলাকায় আলোচনায় এসেছেন। বাজেট বরাদ্ধে সমবন্টন, চাঁদাবাজী , মাদক নির্মূল ও সন্ত্রাসীদের বিরদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনাসহ এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় নানা পরিকল্পনা গ্রহন করে সমাদৃত হচ্ছেন এমপি বকুল।

ফলে কৃষিপ্রতিমন্ত্রী করতে দলীয় নেতাকর্মীসহ স্থানীয়রা প্রধানমন্ত্রীর কাছে জোর দাবি জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনার ঝড় তুলছেন।