ঢাকা ০৮:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দ্বিকক্ষ পার্লামেন্ট  নিয়ে অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের ঐকমত্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:১৫:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জুন ২০২৫
  • / 197

অধ্যাপক আলী রিয়াজ

জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠায় গঠিত কমিশনের সহসভাপতি আলী রীয়াজ জানিয়েছেন, প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান পদ্ধতি পরিবর্তনে বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল একমত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ জুন) রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, সংবিধানের ৯৫(১) এবং ৪৮(৩) অনুচ্ছেদের সংশোধন নিয়ে দলগুলোর মধ্যে আলোচনা হয়েছে এবং অধিকাংশ দলই বিদ্যমান ব্যবস্থা সংস্কারের পক্ষে মত দিয়েছে। মাত্র দুটি দল ভিন্নমত পোষণ করেছে, তবে পরবর্তী বৈঠকে তাদেরও ঐকমত্যে আনতে আলোচনা চলবে বলে জানান তিনি।

আলী রীয়াজ আরও বলেন, দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ প্রতিষ্ঠার বিষয়েও বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল ইতিবাচক মত দিয়েছে। যদিও কিছু দল নীতিগত আপত্তি জানিয়েছে, তারপরও অধিকাংশ দল ১০০ আসনের উচ্চকক্ষ থাকা উচিত বলে মত দিয়েছে।

তিনি মন্তব্য করেন, প্রতিদিন আলোচনা এগিয়ে যাচ্ছে এবং সার্বিকভাবে ইতিবাচক অগ্রগতি হচ্ছে বলে মনে করছেন তারা।

এই সংলাপের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনৈতিক সংস্কার ও গণতান্ত্রিক কাঠামো শক্তিশালী করার আশাবাদ দেখা দিয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

দ্বিকক্ষ পার্লামেন্ট  নিয়ে অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের ঐকমত্য

সর্বশেষ আপডেট ০৮:১৫:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জুন ২০২৫

জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠায় গঠিত কমিশনের সহসভাপতি আলী রীয়াজ জানিয়েছেন, প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান পদ্ধতি পরিবর্তনে বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল একমত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ জুন) রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, সংবিধানের ৯৫(১) এবং ৪৮(৩) অনুচ্ছেদের সংশোধন নিয়ে দলগুলোর মধ্যে আলোচনা হয়েছে এবং অধিকাংশ দলই বিদ্যমান ব্যবস্থা সংস্কারের পক্ষে মত দিয়েছে। মাত্র দুটি দল ভিন্নমত পোষণ করেছে, তবে পরবর্তী বৈঠকে তাদেরও ঐকমত্যে আনতে আলোচনা চলবে বলে জানান তিনি।

আলী রীয়াজ আরও বলেন, দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ প্রতিষ্ঠার বিষয়েও বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল ইতিবাচক মত দিয়েছে। যদিও কিছু দল নীতিগত আপত্তি জানিয়েছে, তারপরও অধিকাংশ দল ১০০ আসনের উচ্চকক্ষ থাকা উচিত বলে মত দিয়েছে।

তিনি মন্তব্য করেন, প্রতিদিন আলোচনা এগিয়ে যাচ্ছে এবং সার্বিকভাবে ইতিবাচক অগ্রগতি হচ্ছে বলে মনে করছেন তারা।

এই সংলাপের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনৈতিক সংস্কার ও গণতান্ত্রিক কাঠামো শক্তিশালী করার আশাবাদ দেখা দিয়েছে।