ঢাকা ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডাকসু ক্যাফেটেরিয়ায় রান্নায় পচা মাংস

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৪১:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • / 131

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবন ক্যাফেটেরিয়ায় শিক্ষার্থীদের জন্য পচা মাংস রান্নার প্রস্তুতির অভিযোগ উঠেছে। আকস্মিক অভিযানে বিষয়টি সামনে আনেন ডাকসুর নেতারা।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে ডাকসু ভবনের নিচতলায় অবস্থিত ক্যাফেটেরিয়ায় হঠাৎ অভিযান চালানো হয়। নেতৃত্বে ছিলেন ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা এবং কার্যনির্বাহী সদস্য বেলাল হোসাইন অপু।

রান্নাঘরে ঢুকেই তারা দেখতে পান, রাতের খাবারের জন্য নিম্নমানের, দুর্গন্ধযুক্ত মাংস প্রস্তুত করা হচ্ছে—যা নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে উপস্থিতদের মধ্যে।

জুমার ভাষ্য অনুযায়ী, বিষয়টি জানালে ক্যাফেটেরিয়া কর্তৃপক্ষ প্রথমে গুরুত্বই দিতে চাননি। বরং ম্যানেজারের প্রতিক্রিয়া ছিল কিছুটা এড়িয়ে যাওয়ার মতো—তিনি দাবি করেন, তার নির্দেশেই নাকি মাংস রান্না হচ্ছিল। এই অবস্থান অভিযানে থাকা শিক্ষার্থীদের আরও বিস্মিত করে।

ডাকসু নেতাদের অভিযোগ, খাদ্যের মান নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই অসন্তোষ থাকলেও কার্যকর পরিবর্তন দেখা যায়নি। এমনকি অনিয়ম ধরতে গেলে কখনো কখনো প্রতিবন্ধকতার মুখেও পড়তে হয়। তবু তারা মনে করেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপদ খাবার নিশ্চিত করা থেকে সরে আসার সুযোগ নেই।

ঘটনার পরপরই বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নজরে আনা হয়েছে। এখন প্রশ্ন উঠছে—এ ধরনের অভিযোগের পর প্রশাসন কতটা দ্রুত এবং কঠোর পদক্ষেপ নেয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ডাকসু ক্যাফেটেরিয়ায় রান্নায় পচা মাংস

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৪১:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবন ক্যাফেটেরিয়ায় শিক্ষার্থীদের জন্য পচা মাংস রান্নার প্রস্তুতির অভিযোগ উঠেছে। আকস্মিক অভিযানে বিষয়টি সামনে আনেন ডাকসুর নেতারা।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে ডাকসু ভবনের নিচতলায় অবস্থিত ক্যাফেটেরিয়ায় হঠাৎ অভিযান চালানো হয়। নেতৃত্বে ছিলেন ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা এবং কার্যনির্বাহী সদস্য বেলাল হোসাইন অপু।

রান্নাঘরে ঢুকেই তারা দেখতে পান, রাতের খাবারের জন্য নিম্নমানের, দুর্গন্ধযুক্ত মাংস প্রস্তুত করা হচ্ছে—যা নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে উপস্থিতদের মধ্যে।

জুমার ভাষ্য অনুযায়ী, বিষয়টি জানালে ক্যাফেটেরিয়া কর্তৃপক্ষ প্রথমে গুরুত্বই দিতে চাননি। বরং ম্যানেজারের প্রতিক্রিয়া ছিল কিছুটা এড়িয়ে যাওয়ার মতো—তিনি দাবি করেন, তার নির্দেশেই নাকি মাংস রান্না হচ্ছিল। এই অবস্থান অভিযানে থাকা শিক্ষার্থীদের আরও বিস্মিত করে।

ডাকসু নেতাদের অভিযোগ, খাদ্যের মান নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই অসন্তোষ থাকলেও কার্যকর পরিবর্তন দেখা যায়নি। এমনকি অনিয়ম ধরতে গেলে কখনো কখনো প্রতিবন্ধকতার মুখেও পড়তে হয়। তবু তারা মনে করেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপদ খাবার নিশ্চিত করা থেকে সরে আসার সুযোগ নেই।

ঘটনার পরপরই বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নজরে আনা হয়েছে। এখন প্রশ্ন উঠছে—এ ধরনের অভিযোগের পর প্রশাসন কতটা দ্রুত এবং কঠোর পদক্ষেপ নেয়।