ঢাকা ০৩:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৭ জেলায় বন্যায় ১০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, মৃত্যু ৪৪

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:০৮:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
  • / 83

প্রতীকি ছবি

টানা অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসে দেশের সাত জেলায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্যে শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রাণহানি বেড়ে ৪৪ জনে পৌঁছেছে। আহত হয়েছেন আরও ৩৯ জন।

বন্যাকবলিত হয়েছে খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের ৫৮টি উপজেলা। পানিবন্দি রয়েছেন ২ লাখ ৬৭ হাজার ৯১৮ পরিবারের সদস্য। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১০ লাখ ২২ হাজার।

দুর্গতদের জন্য ১ হাজার ১৩১টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। সেখানে আশ্রয় নিয়েছেন ৪৪ হাজার ৪৫৭ জন। চট্টগ্রাম অঞ্চলে গত এক সপ্তাহে ১ হাজার ১৬৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে একদিনেই হয়েছে ৪১২ মিলিমিটার বৃষ্টি। পরে বন্যা ছড়িয়ে পড়ে মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জেও।

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় পাহাড়ি ঢলে ভেসে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তারা হলো আশিক (৭) ও মিরাজ (৩)। কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও ঢলে এলাকা প্লাবিত হওয়ার মধ্যেই এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, সাঙ্গু, মাতামুহুরী, কুশিয়ারা, মনু ও সোমেশ্বরী নদীর সাতটি পর্যবেক্ষণকেন্দ্রে পানি এখনো বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে। একই সঙ্গে ফেনী, সিলেট ও তিস্তা অববাহিকায় নতুন করে সাময়িক বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।

ত্রাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দুর্গত এলাকায় ২ হাজার ৬৫০ মেট্রিক টন চাল ও ১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার এখনো সরকারি সহায়তা পায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

৭ জেলায় বন্যায় ১০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, মৃত্যু ৪৪

সর্বশেষ আপডেট ০৪:০৮:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

টানা অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসে দেশের সাত জেলায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্যে শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রাণহানি বেড়ে ৪৪ জনে পৌঁছেছে। আহত হয়েছেন আরও ৩৯ জন।

বন্যাকবলিত হয়েছে খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের ৫৮টি উপজেলা। পানিবন্দি রয়েছেন ২ লাখ ৬৭ হাজার ৯১৮ পরিবারের সদস্য। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১০ লাখ ২২ হাজার।

দুর্গতদের জন্য ১ হাজার ১৩১টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। সেখানে আশ্রয় নিয়েছেন ৪৪ হাজার ৪৫৭ জন। চট্টগ্রাম অঞ্চলে গত এক সপ্তাহে ১ হাজার ১৬৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে একদিনেই হয়েছে ৪১২ মিলিমিটার বৃষ্টি। পরে বন্যা ছড়িয়ে পড়ে মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জেও।

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় পাহাড়ি ঢলে ভেসে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তারা হলো আশিক (৭) ও মিরাজ (৩)। কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও ঢলে এলাকা প্লাবিত হওয়ার মধ্যেই এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, সাঙ্গু, মাতামুহুরী, কুশিয়ারা, মনু ও সোমেশ্বরী নদীর সাতটি পর্যবেক্ষণকেন্দ্রে পানি এখনো বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে। একই সঙ্গে ফেনী, সিলেট ও তিস্তা অববাহিকায় নতুন করে সাময়িক বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।

ত্রাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দুর্গত এলাকায় ২ হাজার ৬৫০ মেট্রিক টন চাল ও ১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার এখনো সরকারি সহায়তা পায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।