ঢাকা ১২:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামায়াত-আওয়ামী লীগের পুরোনো প্রেম জেগেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঝিনাইদহ
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:৫০:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 63

রাশেদ খাঁন

জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগের মধ্যে ‘পুরোনো প্রেম’ আবার জেগে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তিনি অভিযোগ করেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিএনপির নেতাকর্মীরাই সবচেয়ে বেশি নির্যাতন, গুম ও হত্যার শিকার হয়েছেন। তাই বিএনপি আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে ফিরিয়ে আনতে চাইবে; এমনটা হওয়ার কথা নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঝিনাইদহের নতুন হাটখোলা মসজিদে জুমার নামাজ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন রাশেদ খাঁন।

সকালে ঝিনাইদহ সফরে গিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের দেওয়া বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় রাশেদ খাঁন বলেন, জামায়াতের লংমার্চ কর্মসূচিতে সরকার কোনো বাধা দিচ্ছে না।

নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, কোনো ধরনের ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ হয়ে থাকলে তা জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পক্ষেই হয়েছে। জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম জনগণের প্রকৃত ভোটে জয়ী হয়ে সংসদে গেছেন; এমনটা সাধারণ মানুষ মনে করে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জামায়াতের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ প্রসঙ্গে রাশেদ খাঁন বলেন, বিএনপি দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়েছে। অন্যদিকে জামায়াতের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের লোকজনকে ‘প্রটেকশন’ দিয়ে চাঁদাবাজির সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান রাশেদ খাঁন। তার দাবি, কোনো ধরনের অন্যায়-অনিয়মকে প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে না। সম্প্রতি ঝিনাইদহের একটি সড়কের কাজে অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

রাশেদ খাঁনের অভিযোগ, দেশকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে দিল্লি থেকে শেখ হাসিনা যে ভাষায় কথা বলছেন, জামায়াতে ইসলামীর আমিরও একই ভাষায় কথা বলছেন। এমনকি ছাত্রলীগ ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাদের বক্তব্যেও এখন কোনো পার্থক্য নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, দুটি দলের কথিত অপতৎপরতা মোকাবিলা করেই সরকারকে দেশ পরিচালনা করতে হচ্ছে। এ অবস্থায় জামায়াতে ইসলামীকে দেশ অস্থিতিশীল করার কর্মকাণ্ড বন্ধ করে সরকারকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।

এ সময় জেলা বিএনপির সভাপতি মো. আব্দুল মজিদসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জামায়াত-আওয়ামী লীগের পুরোনো প্রেম জেগেছে

সর্বশেষ আপডেট ০৭:৫০:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগের মধ্যে ‘পুরোনো প্রেম’ আবার জেগে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তিনি অভিযোগ করেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিএনপির নেতাকর্মীরাই সবচেয়ে বেশি নির্যাতন, গুম ও হত্যার শিকার হয়েছেন। তাই বিএনপি আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে ফিরিয়ে আনতে চাইবে; এমনটা হওয়ার কথা নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঝিনাইদহের নতুন হাটখোলা মসজিদে জুমার নামাজ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন রাশেদ খাঁন।

সকালে ঝিনাইদহ সফরে গিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের দেওয়া বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় রাশেদ খাঁন বলেন, জামায়াতের লংমার্চ কর্মসূচিতে সরকার কোনো বাধা দিচ্ছে না।

নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, কোনো ধরনের ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ হয়ে থাকলে তা জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পক্ষেই হয়েছে। জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম জনগণের প্রকৃত ভোটে জয়ী হয়ে সংসদে গেছেন; এমনটা সাধারণ মানুষ মনে করে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জামায়াতের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ প্রসঙ্গে রাশেদ খাঁন বলেন, বিএনপি দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়েছে। অন্যদিকে জামায়াতের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের লোকজনকে ‘প্রটেকশন’ দিয়ে চাঁদাবাজির সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান রাশেদ খাঁন। তার দাবি, কোনো ধরনের অন্যায়-অনিয়মকে প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে না। সম্প্রতি ঝিনাইদহের একটি সড়কের কাজে অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

রাশেদ খাঁনের অভিযোগ, দেশকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে দিল্লি থেকে শেখ হাসিনা যে ভাষায় কথা বলছেন, জামায়াতে ইসলামীর আমিরও একই ভাষায় কথা বলছেন। এমনকি ছাত্রলীগ ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাদের বক্তব্যেও এখন কোনো পার্থক্য নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, দুটি দলের কথিত অপতৎপরতা মোকাবিলা করেই সরকারকে দেশ পরিচালনা করতে হচ্ছে। এ অবস্থায় জামায়াতে ইসলামীকে দেশ অস্থিতিশীল করার কর্মকাণ্ড বন্ধ করে সরকারকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।

এ সময় জেলা বিএনপির সভাপতি মো. আব্দুল মজিদসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।