ঢাকা ০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাসদ কার্যালয়ে মব, আসকের নিন্দা

সিনিয়র প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:০২:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 61

আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)

রাজধানীর গুলিস্তানে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) কার্যালয়ে পূর্বনির্ধারিত কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সভা চলাকালে হামলা, মব সৃষ্টি, রাজনৈতিক কর্মীদের লাঞ্ছিত করা এবং পরে ২৮৯ জনকে আটকের ঘটনায় উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ২৮৯ জনকে আটক করে বলে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করে সংগঠনটি জানায়, পুলিশের দাবি ছিল; কার্যালয়ে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সদস্যরা জড়ো হয়েছেন, এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়।

অন্যদিকে জাসদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কার্যালয়ে পূর্বনির্ধারিত কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সভা চলছিল এবং সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের অবহিত করেই সভার আয়োজন করা হয়েছিল। দলটির অভিযোগ, সভা চলাকালে যুবদলের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী কার্যালয়ে প্রবেশ করে মব সৃষ্টি করেন এবং জাসদের নেতাকর্মীদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন।

আসক বলেছে, কোনো রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে পূর্বনির্ধারিত সভা চলাকালে মব তৈরি করে সভা ভণ্ডুল করা এবং পুলিশের উপস্থিতিতে রাজনৈতিক কর্মীদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনা গ্রহণযোগ্য নয়। গণমাধ্যমে প্রচারিত সরাসরি সম্প্রচারের দৃশ্যে যুবদলের নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তিদের মব সৃষ্টি ও উস্কানিমূলক বক্তব্য দিতে দেখা যাওয়ার বিষয়টিও উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেছে সংগঠনটি।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৭ অনুচ্ছেদে শান্তিপূর্ণভাবে সমবেত হওয়ার এবং ৩৮ অনুচ্ছেদে সংগঠন করার অধিকার স্বীকৃত। একইভাবে আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সনদের (আইসিসিপিআর) ২১ ও ২২ অনুচ্ছেদে শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও সংগঠনের স্বাধীনতার অধিকার রয়েছে।

আসক আরও বলেছে, আইন দ্বারা নিষিদ্ধ না থাকলে যেকোনো রাজনৈতিক দলের শান্তিপূর্ণ সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অধিকারকে সম্মান করা উচিত। একটি রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে পূর্বনির্ধারিত সভায় হামলা ও মব সৃষ্টি শুধু সংশ্লিষ্ট দলের অধিকার ক্ষুণ্ন করে না, বরং দেশের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক পরিসরের জন্যও উদ্বেগের বিষয়।

ঘটনার দ্রুত, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছে আসক। সংগঠনটি বলেছে, গণমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিও ফুটেজসহ সংশ্লিষ্ট সব তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে হামলা, উস্কানি, সহিংসতা বা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে আইনের আওতায় আনতে হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জাসদ কার্যালয়ে মব, আসকের নিন্দা

সর্বশেষ আপডেট ০৪:০২:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর গুলিস্তানে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) কার্যালয়ে পূর্বনির্ধারিত কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সভা চলাকালে হামলা, মব সৃষ্টি, রাজনৈতিক কর্মীদের লাঞ্ছিত করা এবং পরে ২৮৯ জনকে আটকের ঘটনায় উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ২৮৯ জনকে আটক করে বলে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করে সংগঠনটি জানায়, পুলিশের দাবি ছিল; কার্যালয়ে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সদস্যরা জড়ো হয়েছেন, এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়।

অন্যদিকে জাসদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কার্যালয়ে পূর্বনির্ধারিত কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সভা চলছিল এবং সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের অবহিত করেই সভার আয়োজন করা হয়েছিল। দলটির অভিযোগ, সভা চলাকালে যুবদলের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী কার্যালয়ে প্রবেশ করে মব সৃষ্টি করেন এবং জাসদের নেতাকর্মীদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন।

আসক বলেছে, কোনো রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে পূর্বনির্ধারিত সভা চলাকালে মব তৈরি করে সভা ভণ্ডুল করা এবং পুলিশের উপস্থিতিতে রাজনৈতিক কর্মীদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনা গ্রহণযোগ্য নয়। গণমাধ্যমে প্রচারিত সরাসরি সম্প্রচারের দৃশ্যে যুবদলের নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তিদের মব সৃষ্টি ও উস্কানিমূলক বক্তব্য দিতে দেখা যাওয়ার বিষয়টিও উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেছে সংগঠনটি।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৭ অনুচ্ছেদে শান্তিপূর্ণভাবে সমবেত হওয়ার এবং ৩৮ অনুচ্ছেদে সংগঠন করার অধিকার স্বীকৃত। একইভাবে আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সনদের (আইসিসিপিআর) ২১ ও ২২ অনুচ্ছেদে শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও সংগঠনের স্বাধীনতার অধিকার রয়েছে।

আসক আরও বলেছে, আইন দ্বারা নিষিদ্ধ না থাকলে যেকোনো রাজনৈতিক দলের শান্তিপূর্ণ সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অধিকারকে সম্মান করা উচিত। একটি রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে পূর্বনির্ধারিত সভায় হামলা ও মব সৃষ্টি শুধু সংশ্লিষ্ট দলের অধিকার ক্ষুণ্ন করে না, বরং দেশের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক পরিসরের জন্যও উদ্বেগের বিষয়।

ঘটনার দ্রুত, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছে আসক। সংগঠনটি বলেছে, গণমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিও ফুটেজসহ সংশ্লিষ্ট সব তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে হামলা, উস্কানি, সহিংসতা বা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে আইনের আওতায় আনতে হবে।