মুক্তিযুদ্ধে শেখ হাসিনা ও পরিবারের অবদান নেই: রিজভী
- সর্বশেষ আপডেট ০৬:৪৬:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬
- / 22
আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলটির প্রধান শেখ হাসিনা এবং তার পরিবারের মুক্তিযুদ্ধে কোনো অবদান নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। মুক্তিযুদ্ধের সময় শেখ হাসিনার পরিবার পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর আশ্রয়-প্রশ্রয়ে ঢাকায় অবস্থান করেছিল বলেও দাবি করেন তিনি।
বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন রিজভী।
তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান ছিলেন স্বাধীনতার ঘোষক ও একজন বরেণ্য মুক্তিযোদ্ধা। অন্যদিকে মুক্তিযুদ্ধের সময় বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও তার সন্তানরা বন্দি ছিলেন। রিজভীর দাবি, মুক্তিযুদ্ধের এই পরিবারকে ধ্বংস করতে শেখ হাসিনা বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেছেন।
রিজভী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে শেখ হাসিনার পরিবারের কোনো অবদান নেই। না তার পিতার, না তার নিজের। তারা পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর আশ্রয়-প্রশ্রয়ে ঢাকায় অবস্থান করেছে।’ এ কারণে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ায় শেখ হাসিনার মধ্যে প্রতিহিংসা তৈরি হয়েছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, খালেদা জিয়ার দেশপ্রেম ও জনপ্রিয়তা শেখ হাসিনা কখনোই মেনে নিতে পারেননি। তার জ্যেষ্ঠ ছেলে ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকেও শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
রিজভী বলেন, জনগণের ধাওয়া খেয়ে শেখ হাসিনাকে দেশ ছাড়তে হয়েছে। অন্যদিকে তারেক রহমান বর্তমানে দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং জনগণের কাছে জনপ্রিয় নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন।
এ সময় মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে খাটো করারও অভিযোগ করেন রিজভী। তার দাবি, বর্তমানে কিছু রাজনৈতিক দল একাত্তরের ইতিহাস মুছে ফেলার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার সঙ্গে জিয়াউর রহমানের নাম অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত হলেও তাকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার একটি গভীর ষড়যন্ত্র চলছে।
রিজভী প্রশ্ন করেন, ‘কাকে খুশি করতে আপনারা এসব করছেন? নিশ্চয়ই পলাতক ফ্যাসিস্টকে খুশি করার জন্যই কি আপনারা এসব কাজ করছেন?’
তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি একটি চিত্র প্রদর্শনীতে ১৯৪৭ সাল থেকে জুলাই আন্দোলন পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনা তুলে ধরা হলেও সেখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ দেখানো হয়েছে, কিন্তু জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা তুলে ধরা হয়নি।
এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে ‘একাত্তরকে হালকা করে দেখানোর চেষ্টা’ হিসেবে উল্লেখ করে রিজভী বলেন, ইতিহাসের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে জনগণের সঙ্গে যারা শত্রুতা করেছে, তাদের এ ধরনের কর্মকাণ্ড মানুষ ভালোভাবে নেবে না।




































