ঢাকা ০৬:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
চিফ প্রসিকিউটর

রাজনৈতিক জোকার ছিলেন ওবায়দুল কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:৪৯:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬
  • / 6

রাজনৈতিক জোকার ছিলেন ওবায়দুল কাদের

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে করা মামলায় আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম ওবায়দুল কাদেরকে ‘রাজনৈতিক জোকার’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তার কর্মকাণ্ড আওয়ামী লীগের পতন ত্বরান্বিত করেছে।

বুধবার (১২ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ মামলাটির ষষ্ঠ দিনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে রাষ্ট্রপক্ষ। সাত আসামির সর্বোচ্চ সাজা চাওয়ার মধ্য দিয়ে নিজের যুক্তিতর্ক শেষ করেন চিফ প্রসিকিউটর।

যুক্তিতর্কে আমিনুল ইসলাম বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় মামলার প্রত্যেক আসামির ব্যক্তিগত দায় রয়েছে। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে ‘সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসিবিলিটি’র অভিযোগও প্রযোজ্য।

ওবায়দুল কাদেরের বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, বিভিন্ন বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি ‘রাজনৈতিক জোকার’ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন। তার উসকানিমূলক বক্তব্যের কারণে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ দলটির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, জনগণের ম্যান্ডেটের কথা বলে কোনো রাজনীতিবিদ যেন এ ধরনের কর্মকাণ্ড চালানোর সুযোগ না পান। ভবিষ্যতে এ ধরনের রাজনৈতিক সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির প্রয়োজন রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, মামলার সাত আসামির বিরুদ্ধে আনা চারটি অভিযোগই রাষ্ট্রপক্ষ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের সময় বহু মানুষকে হত্যা ও আহত করার ঘটনায় আসামিরা দায়ী। তাই কোনো ধরনের অনুকম্পা না দেখিয়ে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়ার আবেদন জানান তিনি।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ।

মামলার সব আসামিই বর্তমানে পলাতক বলে জানা গেছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

চিফ প্রসিকিউটর

রাজনৈতিক জোকার ছিলেন ওবায়দুল কাদের

সর্বশেষ আপডেট ০৪:৪৯:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে করা মামলায় আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম ওবায়দুল কাদেরকে ‘রাজনৈতিক জোকার’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তার কর্মকাণ্ড আওয়ামী লীগের পতন ত্বরান্বিত করেছে।

বুধবার (১২ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ মামলাটির ষষ্ঠ দিনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে রাষ্ট্রপক্ষ। সাত আসামির সর্বোচ্চ সাজা চাওয়ার মধ্য দিয়ে নিজের যুক্তিতর্ক শেষ করেন চিফ প্রসিকিউটর।

যুক্তিতর্কে আমিনুল ইসলাম বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় মামলার প্রত্যেক আসামির ব্যক্তিগত দায় রয়েছে। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে ‘সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসিবিলিটি’র অভিযোগও প্রযোজ্য।

ওবায়দুল কাদেরের বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, বিভিন্ন বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি ‘রাজনৈতিক জোকার’ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন। তার উসকানিমূলক বক্তব্যের কারণে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ দলটির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, জনগণের ম্যান্ডেটের কথা বলে কোনো রাজনীতিবিদ যেন এ ধরনের কর্মকাণ্ড চালানোর সুযোগ না পান। ভবিষ্যতে এ ধরনের রাজনৈতিক সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির প্রয়োজন রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, মামলার সাত আসামির বিরুদ্ধে আনা চারটি অভিযোগই রাষ্ট্রপক্ষ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের সময় বহু মানুষকে হত্যা ও আহত করার ঘটনায় আসামিরা দায়ী। তাই কোনো ধরনের অনুকম্পা না দেখিয়ে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়ার আবেদন জানান তিনি।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ।

মামলার সব আসামিই বর্তমানে পলাতক বলে জানা গেছে।