ঢাকা ০৯:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কলম্বিয়ায় নিহত বেড়ে ১৭৯, নিখোঁজ ৩ হাজারের বেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:১১:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • / 11

কলম্বিয়ায় নিহত বেড়ে ১৭৯, নিখোঁজ ৩ হাজারের বেশি

শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর কলম্বিয়ার বিভিন্ন শহরে উদ্ধার অভিযান চলছে। চারটি শহর, অঞ্চলের মেয়র ও গভর্নরদের পক্ষ থেকে সবশেষ ১৭৯ জন নিহতের তথ্য জানানো হয়েছে। এখনও খোঁজ মেলেনি ৩ হাজারের বেশি মানুষের।

শহর ও অঞ্চলগুলো হলো- ক্যালি, পেরেইরা, চোকো ও মানিজালেস। স্থানীয় সময় সোমবার আঘাত হানা ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পে এসব এলাকায় বেশি ক্ষতি হয়েছে। পেরেইরার মেয়র মরিসিও সালাজার বলেন, হাজার হাজার পরিবারের জন্য একটি বড় বিপর্যয়। তবে আমরা ভেঙে পড়িনি। আমরা ঈশ্বরের আশীর্বাদ নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাব।

এদিকে সাধারণ নাগরিকদের উদ্যোগে একটি ওয়েবসাইটে নিখোঁজ ব্যক্তিদের তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে। মঙ্গলবার সেখানে ৩ হাজার ৪০০ জনের সন্ধান চাওয়া হয়েছে। জানা গেছে, ভূমিকম্পের কারণে প্রায় ১ হাজার ৬০০টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধসে গেছে।

মঙ্গলবার সকালে ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত এলাকাগুলোতে পোড়া গন্ধ ভেসে আসছিল। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলের পাশের অঞ্চল চোকোতে উদ্ধারকারীদের বেশ তৎপরতা দেখা যায়। এটি কলম্বিয়ার অন্যতম দরিদ্র ও অবহেলিত অঞ্চলের একটি। সেখানকার অধিকাংশ এলাকায় যাতায়াত করতে হয় নৌকা, জঙ্গল পেরিয়ে অথবা উড়োজাহাজে করে।

ক্ষয়ক্ষতি পর্যালোচনা করতে সোমবার রাতে চোকো অঞ্চলের রাজধানী কিবদায় গিয়েছিলেন কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট দে লা এস্প্রিয়েল্লা। তিনি বলেন, চোকো আর কখনোই অবহেলিতদের ভূমি হয়ে থাকবে না।

সূত্র: অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কলম্বিয়ায় নিহত বেড়ে ১৭৯, নিখোঁজ ৩ হাজারের বেশি

সর্বশেষ আপডেট ০৮:১১:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর কলম্বিয়ার বিভিন্ন শহরে উদ্ধার অভিযান চলছে। চারটি শহর, অঞ্চলের মেয়র ও গভর্নরদের পক্ষ থেকে সবশেষ ১৭৯ জন নিহতের তথ্য জানানো হয়েছে। এখনও খোঁজ মেলেনি ৩ হাজারের বেশি মানুষের।

শহর ও অঞ্চলগুলো হলো- ক্যালি, পেরেইরা, চোকো ও মানিজালেস। স্থানীয় সময় সোমবার আঘাত হানা ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পে এসব এলাকায় বেশি ক্ষতি হয়েছে। পেরেইরার মেয়র মরিসিও সালাজার বলেন, হাজার হাজার পরিবারের জন্য একটি বড় বিপর্যয়। তবে আমরা ভেঙে পড়িনি। আমরা ঈশ্বরের আশীর্বাদ নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাব।

এদিকে সাধারণ নাগরিকদের উদ্যোগে একটি ওয়েবসাইটে নিখোঁজ ব্যক্তিদের তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে। মঙ্গলবার সেখানে ৩ হাজার ৪০০ জনের সন্ধান চাওয়া হয়েছে। জানা গেছে, ভূমিকম্পের কারণে প্রায় ১ হাজার ৬০০টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধসে গেছে।

মঙ্গলবার সকালে ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত এলাকাগুলোতে পোড়া গন্ধ ভেসে আসছিল। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলের পাশের অঞ্চল চোকোতে উদ্ধারকারীদের বেশ তৎপরতা দেখা যায়। এটি কলম্বিয়ার অন্যতম দরিদ্র ও অবহেলিত অঞ্চলের একটি। সেখানকার অধিকাংশ এলাকায় যাতায়াত করতে হয় নৌকা, জঙ্গল পেরিয়ে অথবা উড়োজাহাজে করে।

ক্ষয়ক্ষতি পর্যালোচনা করতে সোমবার রাতে চোকো অঞ্চলের রাজধানী কিবদায় গিয়েছিলেন কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট দে লা এস্প্রিয়েল্লা। তিনি বলেন, চোকো আর কখনোই অবহেলিতদের ভূমি হয়ে থাকবে না।

সূত্র: অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস