বাংলাদেশের পর ভারত সীমান্তেও ভূমিকম্পের আঘাত
- সর্বশেষ আপডেট ১০:৩২:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
- / 50
কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে মিয়ানমার-ভারত এবং মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় দুটি পৃথক মাঝারি ও মৃদু মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এর মধ্যে সর্বশেষ গতকাল রবিবার (২৮ জুন) দিবাগত রাত ১টা ৪০ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডে মিয়ানমার-ভারত সীমান্ত অঞ্চলে ৩.২ মাত্রার একটি মৃদু ভূকম্পন অনুভূত হয়।
ইউরোপিয়ান-মেডিটেরেনিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টারের (ইএমএসসি) তথ্য অনুযায়ী, ভারত সীমান্তের এই ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ২৬.৮৬৭ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯৫.২৬৮ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে, যার গভীরতা ছিল ভূগর্ভের ১০ কিলোমিটার অভ্যন্তরে। ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ভারতের আসামের ডিব্রুগড় শহর থেকে প্রায় ৭৭ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে এবং সোনারি শহর থেকে প্রায় ৩১ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণপূর্বে অবস্থিত ছিল। তবে গভীর রাতে হওয়া এই কম্পনে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
এর আগে একই রাতে বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৫৩ মিনিটে মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্ত অঞ্চলে ৪.৪ মাত্রার আরেকটি অপেক্ষাকৃত শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। ইএমএসসি জানায়, এই ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ২১.৫৬৯ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ ও ৯২.৫৩৯ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে এবং এর গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ৪৯ কিলোমিটার গভীরে।
এই কম্পনটির কেন্দ্রস্থল বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম শহর থেকে প্রায় ১১৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে এবং পর্যটন নগরী কক্সবাজার থেকে প্রায় ৫৭ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তরপূর্বে মায়ানমার সীমান্তের ভেতরে অবস্থিত ছিল। বাংলাদেশের সীমান্ত ও উপকূলীয় এলাকায় ঝাঁকুনি অনুভূত হলেও এই ভূমিকম্পের ঘটনাতেও এখন পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর মেলেনি। পরপর দু’টি সীমান্ত এলাকায় এই ভূকম্পন নিয়ে সিসমোলজিস্টরা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ চালাচ্ছেন।





































