ঢাকা ০৪:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈশ্বরদীতে অস্ত্রধারী যুবক জামায়াতের কর্মী

নিজস্ব প্রতিবেদক, পাবনা
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:২২:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫
  • / 119

ঈশ্বরদীতে অস্ত্রধারী যুবক জামায়াতের কর্মী

পাবনার ঈশ্বরদীতে বিএনপি ও জামায়াতের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয় দলের প্রায় অর্ধশত নেতাকর্মী আহত হয়েছেন, যার মধ্যে পাবনা-৪ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক আবু তালেব মণ্ডলও রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের জগির মোড় ও চর আলহাজ মোড় এলাকায় এই সংঘর্ষ ঘটে। ঘটনার পর কিছু ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে এক যুবককে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে প্রতিপক্ষের দিকে গুলি করতে দেখা যায়।

উভয় দলে তথ্য সংগ্রহের পর ওই যুবকের পরিচয় মিলেছে। তিনি হলেন তুষার মণ্ডল, ঈশ্বরদী পৌরশহরের ভেলুপাড়া এলাকার তাহের মণ্ডলের ছেলে এবং পাবনা জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক আবু তালেব মণ্ডলের ভাতিজা মামুন মণ্ডলের সহচর। তিনি জামায়াতের সক্রিয় কর্মীরূপে পরিচিত।

ঈশ্বরদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম শরীফ জানান, তুষার মণ্ডল প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর গুলি করেছে। সাহাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুর রহমান বলেন, হামলার পেছনে পুরোনো বিরোধের সূত্র রয়েছে এবং জামায়াতের পক্ষ থেকে পূর্বনির্ধারিত গণসংযোগ ছিল না।

পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও পাবনা-৪ আসনের মনোনীত প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, জামায়াতের নেতাকর্মীরা গাড়িতে করে অস্ত্র নিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায় এবং পরে গ্রামবাসীর ধাওয়ার মুখে পালিয়ে যায়।

তবে পাবনা জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক আবু তালেব মণ্ডল জানিয়েছেন, অস্ত্র হাতে ভাইরাল হওয়া যুবক তাদের দলের কোনো সদস্য নন।

ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার জানান, সংঘর্ষে প্রায় অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং তদন্ত শেষে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ঈশ্বরদীতে অস্ত্রধারী যুবক জামায়াতের কর্মী

সর্বশেষ আপডেট ০২:২২:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫

পাবনার ঈশ্বরদীতে বিএনপি ও জামায়াতের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয় দলের প্রায় অর্ধশত নেতাকর্মী আহত হয়েছেন, যার মধ্যে পাবনা-৪ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক আবু তালেব মণ্ডলও রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের জগির মোড় ও চর আলহাজ মোড় এলাকায় এই সংঘর্ষ ঘটে। ঘটনার পর কিছু ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে এক যুবককে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে প্রতিপক্ষের দিকে গুলি করতে দেখা যায়।

উভয় দলে তথ্য সংগ্রহের পর ওই যুবকের পরিচয় মিলেছে। তিনি হলেন তুষার মণ্ডল, ঈশ্বরদী পৌরশহরের ভেলুপাড়া এলাকার তাহের মণ্ডলের ছেলে এবং পাবনা জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক আবু তালেব মণ্ডলের ভাতিজা মামুন মণ্ডলের সহচর। তিনি জামায়াতের সক্রিয় কর্মীরূপে পরিচিত।

ঈশ্বরদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম শরীফ জানান, তুষার মণ্ডল প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর গুলি করেছে। সাহাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুর রহমান বলেন, হামলার পেছনে পুরোনো বিরোধের সূত্র রয়েছে এবং জামায়াতের পক্ষ থেকে পূর্বনির্ধারিত গণসংযোগ ছিল না।

পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও পাবনা-৪ আসনের মনোনীত প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, জামায়াতের নেতাকর্মীরা গাড়িতে করে অস্ত্র নিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায় এবং পরে গ্রামবাসীর ধাওয়ার মুখে পালিয়ে যায়।

তবে পাবনা জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক আবু তালেব মণ্ডল জানিয়েছেন, অস্ত্র হাতে ভাইরাল হওয়া যুবক তাদের দলের কোনো সদস্য নন।

ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার জানান, সংঘর্ষে প্রায় অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং তদন্ত শেষে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।