রাষ্ট্রপতি নির্বাচন
ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে সিইসির বৈঠক শুরু
- সর্বশেষ আপডেট ১১:৩১:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
- / 83
নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়া নিয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের বৈঠক শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকাল ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকারের কার্যালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়। এতে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ও তাহমিদা আহমদ, নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব উপস্থিত রয়েছেন।
নির্বাচন কমিশন সচিবালয় সূত্র জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি, সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হচ্ছে।
গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করার পর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়। সংবিধান অনুযায়ী, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ। এ সময় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্ব পালন করছেন।
সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। সে হিসেবে আগামী ২২ অক্টোবরের মধ্যেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, জাতীয় সংসদের পরবর্তী অধিবেশনেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করার বিষয়ে সরকার আশাবাদী।
ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা শেষে নির্বাচন কমিশন উপযুক্ত সময় নির্ধারণ করে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করবে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী এই তপশিল প্রকাশ করা হবে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটার হিসেবে অংশ নেবেন জাতীয় সংসদের সদস্যরা। বর্তমানে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে ৩৪৯ জন সদস্য রয়েছেন; একটি আসনের গেজেট এখনো প্রকাশ হয়নি।
তপশিলে মনোনয়নপত্র জমা, যাচাই-বাছাই, প্রার্থিতা প্রত্যাহার এবং ভোটগ্রহণের সময়সূচি উল্লেখ থাকবে। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে।
আইন অনুযায়ী, একজন রাষ্ট্রপতি প্রার্থীর মনোনয়নপত্রে একজন সংসদ সদস্যকে প্রস্তাবক এবং আরেকজনকে সমর্থক হতে হবে। এছাড়া প্রার্থীর সম্মতিসূচক স্বাক্ষরও বাধ্যতামূলক। একাধিক প্রার্থী হলে সংসদ সদস্যরা গোপন ব্যালটে ভোট দেবেন। ভোট গণনা শেষে সর্বাধিক ভোট পাওয়া প্রার্থীকে নির্বাচিত ঘোষণা করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। সমান ভোট পড়লে লটারির মাধ্যমে ফল নির্ধারণ করা হবে।
































