বৈরুত বোমা হামলার অনুমোদন ইসরায়েলের
- সর্বশেষ আপডেট ১০:১৬:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
- / 75
লেবানন থেকে কোনো রকেট নিক্ষেপ হলেই সরাসরি রাজধানী বৈরুত লক্ষ্য করে হামলা চালানোর অনুমোদন দিয়েছে ইসরায়েলি নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা। নতুন এই সিদ্ধান্তে যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ইসরায়েলি গণমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, নিরাপত্তা মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী লেবানন থেকে ছোড়া যেকোনো রকেট ইসরায়েলের ভূখণ্ডে প্রবেশ করলেই কোনো আলাদা রাজনৈতিক অনুমোদন ছাড়াই বৈরুতে তাৎক্ষণিক পাল্টা হামলা চালানো যাবে।
বৈঠকে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ মন্তব্য করেন, বৈরুতের দাহিয়েহ এলাকার পরিণতি হবে উত্তরাঞ্চলীয় ইসরায়েলি শহরগুলোর মতোই। অর্থাৎ, হামলার জবাব হবে আরও কঠোর ও বিস্তৃত।
এই নতুন নিয়ম কার্যকর হওয়ার পর সোমবার সকাল পর্যন্ত লেবানন থেকে ইসরায়েলের দিকে কোনো রকেট নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেনি বলে জানানো হয়েছে।
এর আগে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল ও বৈরুতের উপকণ্ঠে ইসরায়েলি হামলার জবাবে ইরানও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। পাল্টা এই হামলা-প্রতিহামলা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে, যদিও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দ্রুত যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানানো হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তখন উভয় পক্ষকে অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধ করে আলোচনায় ফেরার আহ্বান জানান এবং শান্তি আলোচনাকে “চূড়ান্ত পর্যায়ে” রয়েছে বলে উল্লেখ করেন।
লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এক বিরল মন্তব্যে ইসরায়েল ও তার জনগণকে সরাসরি আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সামরিক সমাধান কখনোই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে না।
অন্যদিকে ইসরায়েলি জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইটামার বেন-গভির বৈঠকে কঠোর অবস্থান নিয়ে বলেন, শত্রুপক্ষকে সবচেয়ে বেশি আঘাত করার উপায় হিসেবে তাদের নারী ও শিশুদের গ্রেপ্তারের কথাও বিবেচনায় আনা উচিত—যা আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।
ইসরায়েলের সংস্কৃতি ও ক্রীড়া মন্ত্রী মিকি জোহারের বক্তব্য অনুযায়ী, পরবর্তী হামলা হলে বৈরুতের দাহিয়েহ এলাকাকে সরাসরি লক্ষ্য করা হবে এবং কোনো প্রতিক্রিয়া এলে তা আরও কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে।
সীমান্তে উত্তেজনা কমার বদলে আরও বিস্তৃত সংঘাতের দিকে গড়াচ্ছে পরিস্থিতি, যেখানে প্রতিটি নতুন সিদ্ধান্তই নতুন ঝুঁকি তৈরি করছে।



































