ঢাকা ০৭:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদা  আখতার খানের ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকী সোমবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:৫৮:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
  • / 23

লেখক,কবি, সাংবাদিক ফরিদা আখতার খানের ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকী  সোমবার । ২০০৮ সালের  ২০ জুলাই মরণব্যাধি ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেন তিনি।

মানিকগঞ্জের চারিগ্রামে এক সম্ভ্রান্ত ও সাংস্কৃতিক  পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তাঁর বাবা  বিশিষ্ট  মওলানা গোলাম রাজ্জাক খান। চাচা কবি, শিশু সাহিত্যিক খান মোহাম্মদ মইনুদ্দিন।  ফরিদা আখতার খানের ভাই  সিদ্দিকুর রহমান খান অলি (সিদ্দিক মাস্টার) ছিলেন  বিশিষ্ট  মুক্তিযোদ্ধা। অকুতোভয়  মুক্তিযোদ্ধা  সিদ্দিকুর রহমান খান  ঢাকার অদূরে  নবাবগঞ্জ বহুমুখী  উচ্চ বিদ্যালয়ের ইংরেজির শিক্ষক ছিলেন তিনি। ১৯৭২ সালের ১২ নভেম্বর তিনি তাঁর কর্মস্থলে  আততায়ীর  গুলিতে নিহত হন। যিনি ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম  ব্যক্তি। এর মাত্র  দুই মাস আগে তাঁর বাবাও মৃত্যুবরন করেন। বাবা আর ভাইয়ের আকস্মিক মৃত্যুতে সংসারে মা আর ছোট দুই ভাই বোনকে ছায়ার মতো আগলে রাখায় বিয়ের পিঁড়িতে  বসেননি তিনি।

বাংলাসাহিত্যে স্নাতকোত্তর  ফরিদা আখতার খানের সাংবাদিকতায় হাতেখড়ি  হয়েছিল সাপ্তাহিক বেগম পত্রিকার  মাধ্যমে। কাজ করেছেন দৈনিক নব অভিযান, রুপালী, লাল  সবুজ, মুক্তকন্ঠের ফিচার বিভাগে। প্রদায়ক ছিলেন  সাপ্তাহিক বিচিত্রা, পূর্বাণী, পাক্ষিক যোগাযোগ বার্তাসহ বিভিন্ন পত্রিকায়।   বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র, অনুপ্রাস, বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক  কেন্দ্র, সাব এডিটরস কাউন্সিল, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের মেম্বার ছিলেন তিনি। এছাড়াও তিনি কাজ করেছেন  বার্তা সংস্থা ইউএনবির সিনিয়র সাব এডিটর হিসেবে, বাংলাদেশ টেলিভিশনে সংবাদ বিভাগেও। তার সর্বশেষ  কর্মস্থল ছিল দৈনিক ডেসটিনি।

কাব্য, সাহিত্য সংস্কৃতি, লেখালেখি, সাংবাদিকতায় ব্যস্ত থেকেও পরিবারে রেখেছেন সক্রিয়  ভূমিকা। ফরিদা আখতার খানের আত্মার প্রতি মাগফেরাত কামনা করে সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন তার ছোট  বোন দিলরুবা খান এবং ভাই শাহেদুর রহমান খান ইমরোজ।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ফরিদা  আখতার খানের ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকী সোমবার

সর্বশেষ আপডেট ০৪:৫৮:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

লেখক,কবি, সাংবাদিক ফরিদা আখতার খানের ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকী  সোমবার । ২০০৮ সালের  ২০ জুলাই মরণব্যাধি ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেন তিনি।

মানিকগঞ্জের চারিগ্রামে এক সম্ভ্রান্ত ও সাংস্কৃতিক  পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তাঁর বাবা  বিশিষ্ট  মওলানা গোলাম রাজ্জাক খান। চাচা কবি, শিশু সাহিত্যিক খান মোহাম্মদ মইনুদ্দিন।  ফরিদা আখতার খানের ভাই  সিদ্দিকুর রহমান খান অলি (সিদ্দিক মাস্টার) ছিলেন  বিশিষ্ট  মুক্তিযোদ্ধা। অকুতোভয়  মুক্তিযোদ্ধা  সিদ্দিকুর রহমান খান  ঢাকার অদূরে  নবাবগঞ্জ বহুমুখী  উচ্চ বিদ্যালয়ের ইংরেজির শিক্ষক ছিলেন তিনি। ১৯৭২ সালের ১২ নভেম্বর তিনি তাঁর কর্মস্থলে  আততায়ীর  গুলিতে নিহত হন। যিনি ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম  ব্যক্তি। এর মাত্র  দুই মাস আগে তাঁর বাবাও মৃত্যুবরন করেন। বাবা আর ভাইয়ের আকস্মিক মৃত্যুতে সংসারে মা আর ছোট দুই ভাই বোনকে ছায়ার মতো আগলে রাখায় বিয়ের পিঁড়িতে  বসেননি তিনি।

বাংলাসাহিত্যে স্নাতকোত্তর  ফরিদা আখতার খানের সাংবাদিকতায় হাতেখড়ি  হয়েছিল সাপ্তাহিক বেগম পত্রিকার  মাধ্যমে। কাজ করেছেন দৈনিক নব অভিযান, রুপালী, লাল  সবুজ, মুক্তকন্ঠের ফিচার বিভাগে। প্রদায়ক ছিলেন  সাপ্তাহিক বিচিত্রা, পূর্বাণী, পাক্ষিক যোগাযোগ বার্তাসহ বিভিন্ন পত্রিকায়।   বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র, অনুপ্রাস, বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক  কেন্দ্র, সাব এডিটরস কাউন্সিল, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের মেম্বার ছিলেন তিনি। এছাড়াও তিনি কাজ করেছেন  বার্তা সংস্থা ইউএনবির সিনিয়র সাব এডিটর হিসেবে, বাংলাদেশ টেলিভিশনে সংবাদ বিভাগেও। তার সর্বশেষ  কর্মস্থল ছিল দৈনিক ডেসটিনি।

কাব্য, সাহিত্য সংস্কৃতি, লেখালেখি, সাংবাদিকতায় ব্যস্ত থেকেও পরিবারে রেখেছেন সক্রিয়  ভূমিকা। ফরিদা আখতার খানের আত্মার প্রতি মাগফেরাত কামনা করে সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন তার ছোট  বোন দিলরুবা খান এবং ভাই শাহেদুর রহমান খান ইমরোজ।