ঢাকা ০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পর্দা উঠলো শিল্পকলা একাডেমির নজরুল জন্মজয়ন্তী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:১৬:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
  • / 119

নারী জাগরণে- “জাগো নারী জাগো বহ্নিশিখা”, কবির অনুভুতি প্রকাশে-“বুলবুলি তুই ফুলশাখাতে দিস নে আজি দোল” শোষকের বিরুদ্ধে হুঙ্কার “বল বীর -বিদ্রোহী” কবি কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী সব সৃষ্টকর্মের পরিবেশনায় শুরু হলো বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে ৩ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা।

শুক্রবার (২১ মে) বিকেলে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় পর্যায়ে ২২ – ২৪ মে জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে উদ্বোধনী আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এমপি। তিনি বলেন, “শৈশব কৈশরে নজরুলের কবিতা দ্বারা তাদের মনোজগতের গাঁথুনি তৈরি হয়নি এমন মানুষ পাওয়া যাবে না। যারা নজরুলের কবিতা পড়েন তাদের মধ্যে দেশপ্রেম, মানবপ্রেম, প্রকৃতির প্রতি প্রেম সর্বোপরি জীবনকে উৎসর্গ করার মনোজগৎ তৈরি হয়।”
কবির জন্মজয়ন্তীকে জাতীয় সম্প্রীতি দিবস হিসেবে ঘোষণা করার পক্ষে মত তুলে ধরে তথ্যমন্ত্রী বলেন, “বিভাজন নয়, বাংলাদেশের সকল ধর্মের মানুষ একসঙ্গে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছে এটাই কবি নজরুলের সম্প্রীতি। কবি নিজে এতোটা সম্প্রীতি ধারণ করে তাঁর সৃষ্টিকর্ম উপহার দিয়েছেন তাহলে জাতি হিসেবে আমরা কেন তা বজায় রাখতে পারবো না?”

এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত রাষ্ট্রদূত মুশফিক ফজল আনসারী, মূখ্য আলোচক হিসেবে বিশিষ্ট সাংবাদিক, কবি ও লেখক হাসান হাফিজ এবং আলোচক হিসেবে নজরুল সাধক ও গবেষক ড. ইঞ্জিনিয়ার খালেকুজ্জামান বক্তব্য প্রদান করেন।
তারা বলেন ” কবির অবদান আমরা কোনভাবেই ভুলতে পারিনা। যতদিন শোষক শোষিত থাকবে, প্রগতিশীলতা থাকবে, ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম থাকবে,সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম থাকবে ততদিন নজরুল আমাদের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
নজরুলের সমস্ত সৃষ্টিকর্ম বিশ্বের কাছে পৌঁছে দেওয়া উচিত। নজরুলের কয়েক হাজার গান ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে যেগুলো সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন। ”

সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক এবং কবি শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ (রেজাউদ্দিন স্টালিন)।
তিনি বলেন, “সারা বাংলাদেশে নজরুল এমনভাবে গেঁথে আছেন, আমাদের অবকাঠামো, ভবন, প্রতিষ্ঠান, সংগঠন, প্রতিটা জেলায় স্কুল, কলেজ আছে কবির নামে।যতদিন এই দেশ থাকবে বাংলাদেশের মানুষ নজরুলের চেতনা ধারণ করবে, নজরুলের চেতনা দিয়ে নতুন এক বাংলাদেশ গড়ে তুলবো, অন্তর্ভুক্তিমূলক এই সমাজ গঠনের জন্য নজরুলের চেতনায় সবচেয়ে বড় আদর্শ এবং অভয়”

সাংস্কৃতিক পর্বে, অনুষ্ঠানের শুরুতেই ৫০ জন নৃত্যশিল্পীর অংশগ্রহণে সমবেত নৃত্য ‘সৃষ্টি সুখের উল্লাসে’ পরিবেশিত হয়, নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন আরোহী ইসলাম। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের শিক্ষার্থীবৃন্দ সমবেত কণ্ঠে নজরুলসংগীত ‘একি অপরূপ রূপে মা তোমার’ পরিবেশন করেন। একক সংগীত পরিবেশন করেন বিশিষ্ট নজরুল সংগীতশিল্পী ইয়াসমিন মুশতারি এবং ইউসুফ আহমেদ খান। কবিরুল ইসলাম রতন এর পরিচালনায় সমবেত নৃত্য ‘কামাল পাশা’ পরিবেশন করে নৃত্যালোক সাংস্কৃতিক সংগঠন। জাতীয় কবি রচিত কবিতা আবৃত্তি পরিবেশন করেন শাকিলা মতিন মৃদুলা ও কামরুন্নাহার। এরপর নজরুলসংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী মোনালীন আজাদ, সুস্মিতা দেবনাথ সূচি, ঈষান মজুমদার ও মুন্নি কাদের।

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত কবিতা আবৃত্তি করেন টিটো মুন্সী। এরপর আব্দুর রশিদ স্বপন এর পরিচালনায় নজরুল সংগীতের সাথে সমবেত নৃত্য পরিবেশিত হয়। একক সংগীত পরিবেশন করেন বিশিষ্ট নজরুল সংগীতশিল্পী ফাতেমা তুজ জোহরা, উল্কা হোসেন ও বিজন চন্দ্র মিস্ত্রি। সমবেত সংগীত ‘আসিবেন হাবিবে খোদা’ পরিবেশন করেন অচিন পাখি, পরিচালনায় ছিলেন গাজী আব্দুল হাকিম। আবারো সমবেত সংগীত পরিবেশন করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা। সবশেষে বিদ্রোহী কবি রচিত ‘জাগো নারী’র সাথে সমবেত নৃত্য পরিবেশিত হয়। নৃত্য পরিবেশনায় ছিলেন ভঙ্গিমা ডান্স থিয়েটার এবং পরিচালনায় ছিলেন সৈয়দা সায়লা আহমেদ লিমা।

২য় দিন ২৩ মে , বিকাল সাড়ে ৫ টায় জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ. কে. এম. আবদুল্লাহ খান। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল। মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন নজরুল ইনস্টিটিউট-এর সাবেক নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জাকীর হোসেন। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করবেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সচিব মোহাম্মদ জাকির হোসেন। এতে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করবেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগের পরিচালক মেহজাবীন রহমান। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দ্রোহের কবি, প্রাণের কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত সংগীত, গানের সাথে নৃত্য ও আবৃত্তি পরিবেশিত হবে।

এছাড়া দেশের সকল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জাতীয় কবির স্মরণে আলোচনা ও তাঁর সৃষ্টিকর্ম নিয়ে নানান অনুষ্ঠানমালা পরিবেশিত হয়েছে। সকল আয়োজন উন্মুক্ত রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

পর্দা উঠলো শিল্পকলা একাডেমির নজরুল জন্মজয়ন্তী

সর্বশেষ আপডেট ১০:১৬:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

নারী জাগরণে- “জাগো নারী জাগো বহ্নিশিখা”, কবির অনুভুতি প্রকাশে-“বুলবুলি তুই ফুলশাখাতে দিস নে আজি দোল” শোষকের বিরুদ্ধে হুঙ্কার “বল বীর -বিদ্রোহী” কবি কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী সব সৃষ্টকর্মের পরিবেশনায় শুরু হলো বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে ৩ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা।

শুক্রবার (২১ মে) বিকেলে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় পর্যায়ে ২২ – ২৪ মে জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে উদ্বোধনী আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এমপি। তিনি বলেন, “শৈশব কৈশরে নজরুলের কবিতা দ্বারা তাদের মনোজগতের গাঁথুনি তৈরি হয়নি এমন মানুষ পাওয়া যাবে না। যারা নজরুলের কবিতা পড়েন তাদের মধ্যে দেশপ্রেম, মানবপ্রেম, প্রকৃতির প্রতি প্রেম সর্বোপরি জীবনকে উৎসর্গ করার মনোজগৎ তৈরি হয়।”
কবির জন্মজয়ন্তীকে জাতীয় সম্প্রীতি দিবস হিসেবে ঘোষণা করার পক্ষে মত তুলে ধরে তথ্যমন্ত্রী বলেন, “বিভাজন নয়, বাংলাদেশের সকল ধর্মের মানুষ একসঙ্গে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছে এটাই কবি নজরুলের সম্প্রীতি। কবি নিজে এতোটা সম্প্রীতি ধারণ করে তাঁর সৃষ্টিকর্ম উপহার দিয়েছেন তাহলে জাতি হিসেবে আমরা কেন তা বজায় রাখতে পারবো না?”

এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত রাষ্ট্রদূত মুশফিক ফজল আনসারী, মূখ্য আলোচক হিসেবে বিশিষ্ট সাংবাদিক, কবি ও লেখক হাসান হাফিজ এবং আলোচক হিসেবে নজরুল সাধক ও গবেষক ড. ইঞ্জিনিয়ার খালেকুজ্জামান বক্তব্য প্রদান করেন।
তারা বলেন ” কবির অবদান আমরা কোনভাবেই ভুলতে পারিনা। যতদিন শোষক শোষিত থাকবে, প্রগতিশীলতা থাকবে, ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম থাকবে,সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম থাকবে ততদিন নজরুল আমাদের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
নজরুলের সমস্ত সৃষ্টিকর্ম বিশ্বের কাছে পৌঁছে দেওয়া উচিত। নজরুলের কয়েক হাজার গান ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে যেগুলো সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন। ”

সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক এবং কবি শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ (রেজাউদ্দিন স্টালিন)।
তিনি বলেন, “সারা বাংলাদেশে নজরুল এমনভাবে গেঁথে আছেন, আমাদের অবকাঠামো, ভবন, প্রতিষ্ঠান, সংগঠন, প্রতিটা জেলায় স্কুল, কলেজ আছে কবির নামে।যতদিন এই দেশ থাকবে বাংলাদেশের মানুষ নজরুলের চেতনা ধারণ করবে, নজরুলের চেতনা দিয়ে নতুন এক বাংলাদেশ গড়ে তুলবো, অন্তর্ভুক্তিমূলক এই সমাজ গঠনের জন্য নজরুলের চেতনায় সবচেয়ে বড় আদর্শ এবং অভয়”

সাংস্কৃতিক পর্বে, অনুষ্ঠানের শুরুতেই ৫০ জন নৃত্যশিল্পীর অংশগ্রহণে সমবেত নৃত্য ‘সৃষ্টি সুখের উল্লাসে’ পরিবেশিত হয়, নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন আরোহী ইসলাম। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের শিক্ষার্থীবৃন্দ সমবেত কণ্ঠে নজরুলসংগীত ‘একি অপরূপ রূপে মা তোমার’ পরিবেশন করেন। একক সংগীত পরিবেশন করেন বিশিষ্ট নজরুল সংগীতশিল্পী ইয়াসমিন মুশতারি এবং ইউসুফ আহমেদ খান। কবিরুল ইসলাম রতন এর পরিচালনায় সমবেত নৃত্য ‘কামাল পাশা’ পরিবেশন করে নৃত্যালোক সাংস্কৃতিক সংগঠন। জাতীয় কবি রচিত কবিতা আবৃত্তি পরিবেশন করেন শাকিলা মতিন মৃদুলা ও কামরুন্নাহার। এরপর নজরুলসংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী মোনালীন আজাদ, সুস্মিতা দেবনাথ সূচি, ঈষান মজুমদার ও মুন্নি কাদের।

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত কবিতা আবৃত্তি করেন টিটো মুন্সী। এরপর আব্দুর রশিদ স্বপন এর পরিচালনায় নজরুল সংগীতের সাথে সমবেত নৃত্য পরিবেশিত হয়। একক সংগীত পরিবেশন করেন বিশিষ্ট নজরুল সংগীতশিল্পী ফাতেমা তুজ জোহরা, উল্কা হোসেন ও বিজন চন্দ্র মিস্ত্রি। সমবেত সংগীত ‘আসিবেন হাবিবে খোদা’ পরিবেশন করেন অচিন পাখি, পরিচালনায় ছিলেন গাজী আব্দুল হাকিম। আবারো সমবেত সংগীত পরিবেশন করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা। সবশেষে বিদ্রোহী কবি রচিত ‘জাগো নারী’র সাথে সমবেত নৃত্য পরিবেশিত হয়। নৃত্য পরিবেশনায় ছিলেন ভঙ্গিমা ডান্স থিয়েটার এবং পরিচালনায় ছিলেন সৈয়দা সায়লা আহমেদ লিমা।

২য় দিন ২৩ মে , বিকাল সাড়ে ৫ টায় জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ. কে. এম. আবদুল্লাহ খান। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল। মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন নজরুল ইনস্টিটিউট-এর সাবেক নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জাকীর হোসেন। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করবেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সচিব মোহাম্মদ জাকির হোসেন। এতে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করবেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগের পরিচালক মেহজাবীন রহমান। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দ্রোহের কবি, প্রাণের কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত সংগীত, গানের সাথে নৃত্য ও আবৃত্তি পরিবেশিত হবে।

এছাড়া দেশের সকল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জাতীয় কবির স্মরণে আলোচনা ও তাঁর সৃষ্টিকর্ম নিয়ে নানান অনুষ্ঠানমালা পরিবেশিত হয়েছে। সকল আয়োজন উন্মুক্ত রয়েছে।