ঢাকা ০৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে সিরিজে ফিরল বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:২৯:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
  • / 101

মিরপুরে বোলিং ও ব্যাটিং—দুই বিভাগেই নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্স দেখিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল বাংলাদেশ। নাহিদ রানার গতিময় স্পেল, সঙ্গে তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্তর দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ৬ উইকেটের সহজ জয়ে ঘুরে দাঁড়ায় টাইগাররা।

মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে সোমবার টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে নিউজিল্যান্ড। নাহিদ রানার তোপে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ৪৮.৪ ওভারে তারা গুটিয়ে যায় ১৯৮ রানে। ওপেনার নিক কেলি একাই লড়াই করেন, করেন ৮৩ রান। অন্য ব্যাটসম্যানরা বড় স্কোর গড়তে ব্যর্থ হন।

বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণে সবচেয়ে কার্যকর ছিলেন নাহিদ রানা। ১০ ওভারে মাত্র ৩২ রান দিয়ে নেন ৫ উইকেট। শরিফুল ইসলাম সমান নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ২ উইকেট শিকার করেন। এছাড়া তাসকিন আহমেদ, সৌম্য সরকার ও রিশাদ হোসেন একটি করে উইকেট পান।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। ২১ রানের মধ্যেই ফিরে যান সাইফ হাসান ও সৌম্য সরকার। তবে এরপর তানজিদ হাসান তামিম ও শান্ত ধীরে ধীরে ইনিংস গুছিয়ে নেন। তাদের ১২০ রানের জুটি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।

তানজিদ ৫৮ বলে ৭৬ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল ১০টি চার ও ৪টি ছক্কা। শান্ত ৭১ বলে ৫০ রান করে ইনজুরির কারণে মাঠ ছাড়েন।

পরে লিটন দাস দ্রুত ফিরলেও তাওহীদ হৃদয় ও মেহেদী হাসান মিরাজ দলকে আর বিপদে পড়তে দেননি। হৃদয় অপরাজিত ৩০ রানে ম্যাচ শেষ করেন, আর বাংলাদেশ জয় নিশ্চিত করে ৮৭ বল হাতে রেখে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে সিরিজে ফিরল বাংলাদেশ

সর্বশেষ আপডেট ০৭:২৯:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

মিরপুরে বোলিং ও ব্যাটিং—দুই বিভাগেই নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্স দেখিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল বাংলাদেশ। নাহিদ রানার গতিময় স্পেল, সঙ্গে তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্তর দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ৬ উইকেটের সহজ জয়ে ঘুরে দাঁড়ায় টাইগাররা।

মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে সোমবার টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে নিউজিল্যান্ড। নাহিদ রানার তোপে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ৪৮.৪ ওভারে তারা গুটিয়ে যায় ১৯৮ রানে। ওপেনার নিক কেলি একাই লড়াই করেন, করেন ৮৩ রান। অন্য ব্যাটসম্যানরা বড় স্কোর গড়তে ব্যর্থ হন।

বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণে সবচেয়ে কার্যকর ছিলেন নাহিদ রানা। ১০ ওভারে মাত্র ৩২ রান দিয়ে নেন ৫ উইকেট। শরিফুল ইসলাম সমান নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ২ উইকেট শিকার করেন। এছাড়া তাসকিন আহমেদ, সৌম্য সরকার ও রিশাদ হোসেন একটি করে উইকেট পান।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। ২১ রানের মধ্যেই ফিরে যান সাইফ হাসান ও সৌম্য সরকার। তবে এরপর তানজিদ হাসান তামিম ও শান্ত ধীরে ধীরে ইনিংস গুছিয়ে নেন। তাদের ১২০ রানের জুটি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।

তানজিদ ৫৮ বলে ৭৬ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল ১০টি চার ও ৪টি ছক্কা। শান্ত ৭১ বলে ৫০ রান করে ইনজুরির কারণে মাঠ ছাড়েন।

পরে লিটন দাস দ্রুত ফিরলেও তাওহীদ হৃদয় ও মেহেদী হাসান মিরাজ দলকে আর বিপদে পড়তে দেননি। হৃদয় অপরাজিত ৩০ রানে ম্যাচ শেষ করেন, আর বাংলাদেশ জয় নিশ্চিত করে ৮৭ বল হাতে রেখে।