ঢাকা ১১:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খামেনির শেষ বিদায় ঘিরে তেহরানে তিন দিনের সরকারি ছুটি

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৪২:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
  • / 13

খামেনির মৃত্যুতে ইরানে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় ছুটি ঘোষণা

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন ও জানাজাকে কেন্দ্র করে রাজধানী তেহরানে তিন দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, খামেনির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া একদিনের নয়, বরং কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আগামী ৪ ও ৫ জুলাই তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রাঙ্গণে মরদেহের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং বিশেষ দোয়ার আয়োজন থাকবে। এরপর ৬ জুলাই রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হবে আনুষ্ঠানিক জানাজা ও শেষ বিদায়ের মূল অনুষ্ঠান। এই সময়সূচির সঙ্গে মিলিয়ে তেহরান প্রদেশে টানা তিন দিনের সরকারি ছুটি কার্যকর করা হয়েছে।

পরবর্তী ধাপে ৭ জুলাই পবিত্র শহর কুমে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজনের কথা রয়েছে। সবশেষে ৯ জুলাই উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ধর্মীয় নগরী মাশহাদে তাকে চূড়ান্তভাবে দাফন করা হবে।

ইসলামি বিপ্লবের পর দীর্ঘ প্রায় ৩৬ বছর ধরে ইরানের সর্বোচ্চ নেতৃত্বে ছিলেন খামেনি। রাষ্ট্রীয় প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ বিমান হামলার প্রথম দিন তিনি নিহত হন। নিরাপত্তাজনিত পরিস্থিতির কারণে তার রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া একাধিকবার স্থগিত করা হয়।

খামেনির শেষ বিদায়কে কেবল আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে নয়, বরং ইরানের বর্তমান রাজনৈতিক পরিবর্তন ও ক্ষমতার রূপান্তরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। দেশজুড়ে বিপুল জনসমাগমের সম্ভাবনায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

খামেনির শেষ বিদায় ঘিরে তেহরানে তিন দিনের সরকারি ছুটি

সর্বশেষ আপডেট ১০:৪২:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন ও জানাজাকে কেন্দ্র করে রাজধানী তেহরানে তিন দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, খামেনির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া একদিনের নয়, বরং কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আগামী ৪ ও ৫ জুলাই তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রাঙ্গণে মরদেহের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং বিশেষ দোয়ার আয়োজন থাকবে। এরপর ৬ জুলাই রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হবে আনুষ্ঠানিক জানাজা ও শেষ বিদায়ের মূল অনুষ্ঠান। এই সময়সূচির সঙ্গে মিলিয়ে তেহরান প্রদেশে টানা তিন দিনের সরকারি ছুটি কার্যকর করা হয়েছে।

পরবর্তী ধাপে ৭ জুলাই পবিত্র শহর কুমে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজনের কথা রয়েছে। সবশেষে ৯ জুলাই উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ধর্মীয় নগরী মাশহাদে তাকে চূড়ান্তভাবে দাফন করা হবে।

ইসলামি বিপ্লবের পর দীর্ঘ প্রায় ৩৬ বছর ধরে ইরানের সর্বোচ্চ নেতৃত্বে ছিলেন খামেনি। রাষ্ট্রীয় প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ বিমান হামলার প্রথম দিন তিনি নিহত হন। নিরাপত্তাজনিত পরিস্থিতির কারণে তার রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া একাধিকবার স্থগিত করা হয়।

খামেনির শেষ বিদায়কে কেবল আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে নয়, বরং ইরানের বর্তমান রাজনৈতিক পরিবর্তন ও ক্ষমতার রূপান্তরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। দেশজুড়ে বিপুল জনসমাগমের সম্ভাবনায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।