ঢাকা ০৪:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘কিচেন কেবিনেটেই’ হতো বড় সিদ্ধান্ত: সাবেক উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:০৯:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
  • / 10

সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সাত সদস্যের একটি ‘কিচেন কেবিনেট’ থেকে নেওয়া হতো বলে দাবি করেছেন সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেন, প্রতি মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বৈঠক বসতো এবং সেখানে নেওয়া সিদ্ধান্তই পরে কার্যকর হতো। একই সঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব থাকায় তিনি তিনবার পদত্যাগের চিন্তাও করেছিলেন।

বেসরকারি টেলিভিশন যমুনা টিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তৌহিদ হোসেন জানান, উপদেষ্টা পরিষদের বাইরে একটি ছোট গোষ্ঠী নীতিনির্ধারণে প্রভাব রাখতো—এমন আলোচনা তখন বিভিন্ন মহলে ছিল। তার ভাষায়, “সিদ্ধান্ত নেয় কেউ কেউ”—এ ধরনের কথা তিনি নিজেও শুনেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের একটি চুক্তির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছুই জানতো না। চুক্তি প্রক্রিয়ায় নিরাপত্তা ও বাণিজ্য উপদেষ্টারা সক্রিয় ছিলেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তার মতে, বাধ্যবাধকতা না থাকলে এমন সিদ্ধান্ত নির্বাচিত সরকারের জন্য রেখে দেওয়াই বেশি উপযুক্ত হতো।

সাক্ষাৎকারে তিনি আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও ‘ডিপ স্টেট’ নিয়েও মন্তব্য করেন। তৌহিদ হোসেনের দাবি, বৈশ্বিক নানা ঘটনার পেছনে অদৃশ্য শক্তির প্রভাব থাকেই এবং বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তে তা কাজ করে।

আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ রাজনীতি নিয়েও কথা বলেন সাবেক এই কূটনীতিক। তার মতে, দলটি রাজনীতি থেকে হারিয়ে যাচ্ছে—এমন ধারণা ঠিক নয়। তিনি মনে করেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নেবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

‘কিচেন কেবিনেটেই’ হতো বড় সিদ্ধান্ত: সাবেক উপদেষ্টা

সর্বশেষ আপডেট ০৩:০৯:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সাত সদস্যের একটি ‘কিচেন কেবিনেট’ থেকে নেওয়া হতো বলে দাবি করেছেন সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেন, প্রতি মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বৈঠক বসতো এবং সেখানে নেওয়া সিদ্ধান্তই পরে কার্যকর হতো। একই সঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব থাকায় তিনি তিনবার পদত্যাগের চিন্তাও করেছিলেন।

বেসরকারি টেলিভিশন যমুনা টিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তৌহিদ হোসেন জানান, উপদেষ্টা পরিষদের বাইরে একটি ছোট গোষ্ঠী নীতিনির্ধারণে প্রভাব রাখতো—এমন আলোচনা তখন বিভিন্ন মহলে ছিল। তার ভাষায়, “সিদ্ধান্ত নেয় কেউ কেউ”—এ ধরনের কথা তিনি নিজেও শুনেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের একটি চুক্তির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছুই জানতো না। চুক্তি প্রক্রিয়ায় নিরাপত্তা ও বাণিজ্য উপদেষ্টারা সক্রিয় ছিলেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তার মতে, বাধ্যবাধকতা না থাকলে এমন সিদ্ধান্ত নির্বাচিত সরকারের জন্য রেখে দেওয়াই বেশি উপযুক্ত হতো।

সাক্ষাৎকারে তিনি আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও ‘ডিপ স্টেট’ নিয়েও মন্তব্য করেন। তৌহিদ হোসেনের দাবি, বৈশ্বিক নানা ঘটনার পেছনে অদৃশ্য শক্তির প্রভাব থাকেই এবং বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তে তা কাজ করে।

আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ রাজনীতি নিয়েও কথা বলেন সাবেক এই কূটনীতিক। তার মতে, দলটি রাজনীতি থেকে হারিয়ে যাচ্ছে—এমন ধারণা ঠিক নয়। তিনি মনে করেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নেবে।