ঢাকা ০৮:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
নিম্ন আয়ের গ্রাহকদের স্বস্তি

আগের দামেই বিদ্যুৎ রাখার তোড়জোড়

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:১৩:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
  • / 23

বিদ্যুৎ

বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মাত্র একদিনের মাথায় নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য একটি বড় স্বস্তির খবর আসছে। প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের মানুষকে বাড়তি বিলের আর্থিক চাপ থেকে রেহাই দিতে আবাসিকের প্রথম শ্রেণির গ্রাহকদের জন্য বর্ধিত দাম প্রত্যাহার করা হচ্ছে। ফলে তাঁরা আগের দামেই বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করার সুযোগ পেতে যাচ্ছেন। আজ বৃহস্পতিবারের (৪ জুন) মধ্যেই বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এই সংক্রান্ত একটি চূড়ান্ত ও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে পারে বলে জানা গেছে।

আবাসিক খাতের ‘লাইফলাইন’ এবং প্রথম ধাপের গ্রাহকদের জন্য বাড়ানো বাড়তি দাম প্রত্যাহারের জন্য আজ বিইআরসির কাছে আনুষ্ঠানিক আবেদন করেছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। সব বিতরণ কোম্পানির পক্ষ হয়ে পিডিবি এই আবেদনটি জমা দেয়। এই বিষয়ে বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ প্রথম আলোকে জানান, পিডিবির আবেদনটি কমিশন আমলে নিয়েছে এবং বর্তমানে আলাদা করে সব বিতরণ কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে। খুব দ্রুতই এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলে কমিশন সূত্র নিশ্চিত করেছে।

যদি বিইআরসি আবেদনটি অনুমোদন করে দাম সংশোধন করে, তবে গ্রাহকদের বিলের চিত্রটি নিম্নরূপ হবে:

  • লাইফলাইন শ্রেণি (০-৫০ ইউনিট): এই শ্রেণির গ্রাহকদের প্রতি ইউনিটে ৬৯ পয়সা বাড়ানো হয়েছিল। দাম সংশোধন করা হলে তাঁরা আগের নির্ধারিত দাম প্রতি ইউনিট ৪ টাকা ৬৩ পয়সা হারে বিল দিতে পারবেন, ফলে তাঁদের মাসে ৩৪ টাকা ৫০ পয়সা বাড়তি বিল দেওয়া লাগবে না।
  • প্রথম ধাপ (০-৭৫ ইউনিট): এই শ্রেণির গ্রাহকদের জন্য প্রতি ইউনিটে ৯২ পয়সা বাড়ানো হয়েছিল। দাম সংশোধন হলে তাঁরাও আগের দাম প্রতি ইউনিট ৫ টাকা ২৬ পয়সা হারে বিল পরিশোধ করবেন, ফলে তাঁদের মাসের বাড়তি ৬৯ টাকা সাশ্রয় হবে।

গতকাল বুধবার পাইকারি পর্যায়ে ১৯.৮৫ শতাংশ, সঞ্চালন চার্জ ২৩.৯৬ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ১৬.৬৮ শতাংশ বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছিল, যা জুন মাস থেকেই কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। এতে গ্রামের প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের মানুষ চরম বিপাকে পড়েন, কারণ দেশের মোট বিদ্যুৎ গ্রাহকের প্রায় ৬৫ শতাংশই এই দুই শ্রেণির (০ থেকে ৭৫ ইউনিট) ব্যবহারকারী।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নিম্ন আয়ের গ্রাহকদের স্বস্তি

আগের দামেই বিদ্যুৎ রাখার তোড়জোড়

সর্বশেষ আপডেট ০২:১৩:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মাত্র একদিনের মাথায় নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য একটি বড় স্বস্তির খবর আসছে। প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের মানুষকে বাড়তি বিলের আর্থিক চাপ থেকে রেহাই দিতে আবাসিকের প্রথম শ্রেণির গ্রাহকদের জন্য বর্ধিত দাম প্রত্যাহার করা হচ্ছে। ফলে তাঁরা আগের দামেই বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করার সুযোগ পেতে যাচ্ছেন। আজ বৃহস্পতিবারের (৪ জুন) মধ্যেই বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এই সংক্রান্ত একটি চূড়ান্ত ও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে পারে বলে জানা গেছে।

আবাসিক খাতের ‘লাইফলাইন’ এবং প্রথম ধাপের গ্রাহকদের জন্য বাড়ানো বাড়তি দাম প্রত্যাহারের জন্য আজ বিইআরসির কাছে আনুষ্ঠানিক আবেদন করেছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। সব বিতরণ কোম্পানির পক্ষ হয়ে পিডিবি এই আবেদনটি জমা দেয়। এই বিষয়ে বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ প্রথম আলোকে জানান, পিডিবির আবেদনটি কমিশন আমলে নিয়েছে এবং বর্তমানে আলাদা করে সব বিতরণ কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে। খুব দ্রুতই এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলে কমিশন সূত্র নিশ্চিত করেছে।

যদি বিইআরসি আবেদনটি অনুমোদন করে দাম সংশোধন করে, তবে গ্রাহকদের বিলের চিত্রটি নিম্নরূপ হবে:

  • লাইফলাইন শ্রেণি (০-৫০ ইউনিট): এই শ্রেণির গ্রাহকদের প্রতি ইউনিটে ৬৯ পয়সা বাড়ানো হয়েছিল। দাম সংশোধন করা হলে তাঁরা আগের নির্ধারিত দাম প্রতি ইউনিট ৪ টাকা ৬৩ পয়সা হারে বিল দিতে পারবেন, ফলে তাঁদের মাসে ৩৪ টাকা ৫০ পয়সা বাড়তি বিল দেওয়া লাগবে না।
  • প্রথম ধাপ (০-৭৫ ইউনিট): এই শ্রেণির গ্রাহকদের জন্য প্রতি ইউনিটে ৯২ পয়সা বাড়ানো হয়েছিল। দাম সংশোধন হলে তাঁরাও আগের দাম প্রতি ইউনিট ৫ টাকা ২৬ পয়সা হারে বিল পরিশোধ করবেন, ফলে তাঁদের মাসের বাড়তি ৬৯ টাকা সাশ্রয় হবে।

গতকাল বুধবার পাইকারি পর্যায়ে ১৯.৮৫ শতাংশ, সঞ্চালন চার্জ ২৩.৯৬ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ১৬.৬৮ শতাংশ বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছিল, যা জুন মাস থেকেই কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। এতে গ্রামের প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের মানুষ চরম বিপাকে পড়েন, কারণ দেশের মোট বিদ্যুৎ গ্রাহকের প্রায় ৬৫ শতাংশই এই দুই শ্রেণির (০ থেকে ৭৫ ইউনিট) ব্যবহারকারী।