ঢাকা ০৮:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাকিস্তানি শাসকদের নির্যাতন ক্ষমার অযোগ্য: মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:০৮:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
  • / 14

১৯৭১-পূর্ব পাকিস্তানি শাসকদের বৈষম্য ও নির্যাতনকে কখনোই ক্ষমা করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে অন্য কোনো ঘটনার তুলনা চলে না।

রাজধানীর পিআইবি অডিটোরিয়ামে ‘বর্তমান প্রেক্ষাপটে জিয়াউর রহমানের স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কূটনীতি’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও সংবাদপত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল।

তিনি বলেন, পাকিস্তানি শাসনামলে বাঙালিদের ওপর দীর্ঘদিন বৈষম্য, শোষণ ও নিপীড়ন চালানো হয়েছে, যা জাতি কখনো ভুলতে পারবে না। ১৯৭১ সালের সংকটময় সময়ে জীবন বাজি রেখে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং মুক্তিযুদ্ধে জনগণকে সংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

মির্জা ফখরুলের ভাষ্য, স্বাধীনতার পর জনগণ প্রত্যাশিত গণতন্ত্র পায়নি। পরে রাষ্ট্রক্ষমতায় এসে জিয়াউর রহমান রাজনৈতিক শক্তিগুলোকে সঙ্গে নিয়ে দেশ পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেন এবং জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন।

তিনি দাবি করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে আত্মমর্যাদাশীল ও স্বতন্ত্র পরিচয়ের ভিত্তি দিয়েছেন। বিএনপি সেই আদর্শ অনুসরণ করেই দেশ পরিচালনা করতে চায়। তিনি আরও বলেন, জিয়া বাংলাদেশকে কোনো দেশের ওপর নির্ভরশীল রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চাননি; বরং দেশের নিজস্ব সক্ষমতা ও জনগণের শক্তির ওপর আস্থা রেখেছিলেন।

সাম্প্রতিক নির্বাচন প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ভোটের আগে বিভিন্ন মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামী বিপুল ভোটে জয়ী হবে—এমন প্রচারণা চালানো হয়েছিল। এমনকি তাকে নিয়েও পরাজয়ের গুঞ্জন ছড়ানো হয়। তবে শেষ পর্যন্ত জনগণ বিএনপির পক্ষেই রায় দিয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

পিআইবি আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। সঞ্চালনা করেন পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ। অনুষ্ঠানে অর্থনীতিবিদ ড. মুশতাক খান, এএনএম মুনিরুজ্জামান, সাংবাদিক আবু রূশদ ও ড. সফিকুর রহমানসহ অন্যরা বক্তব্য দেন। বক্তারা জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন, স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি ও রাষ্ট্রগঠনে তার ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

পাকিস্তানি শাসকদের নির্যাতন ক্ষমার অযোগ্য: মির্জা ফখরুল

সর্বশেষ আপডেট ০৪:০৮:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

১৯৭১-পূর্ব পাকিস্তানি শাসকদের বৈষম্য ও নির্যাতনকে কখনোই ক্ষমা করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে অন্য কোনো ঘটনার তুলনা চলে না।

রাজধানীর পিআইবি অডিটোরিয়ামে ‘বর্তমান প্রেক্ষাপটে জিয়াউর রহমানের স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কূটনীতি’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও সংবাদপত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল।

তিনি বলেন, পাকিস্তানি শাসনামলে বাঙালিদের ওপর দীর্ঘদিন বৈষম্য, শোষণ ও নিপীড়ন চালানো হয়েছে, যা জাতি কখনো ভুলতে পারবে না। ১৯৭১ সালের সংকটময় সময়ে জীবন বাজি রেখে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং মুক্তিযুদ্ধে জনগণকে সংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

মির্জা ফখরুলের ভাষ্য, স্বাধীনতার পর জনগণ প্রত্যাশিত গণতন্ত্র পায়নি। পরে রাষ্ট্রক্ষমতায় এসে জিয়াউর রহমান রাজনৈতিক শক্তিগুলোকে সঙ্গে নিয়ে দেশ পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেন এবং জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন।

তিনি দাবি করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে আত্মমর্যাদাশীল ও স্বতন্ত্র পরিচয়ের ভিত্তি দিয়েছেন। বিএনপি সেই আদর্শ অনুসরণ করেই দেশ পরিচালনা করতে চায়। তিনি আরও বলেন, জিয়া বাংলাদেশকে কোনো দেশের ওপর নির্ভরশীল রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চাননি; বরং দেশের নিজস্ব সক্ষমতা ও জনগণের শক্তির ওপর আস্থা রেখেছিলেন।

সাম্প্রতিক নির্বাচন প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ভোটের আগে বিভিন্ন মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামী বিপুল ভোটে জয়ী হবে—এমন প্রচারণা চালানো হয়েছিল। এমনকি তাকে নিয়েও পরাজয়ের গুঞ্জন ছড়ানো হয়। তবে শেষ পর্যন্ত জনগণ বিএনপির পক্ষেই রায় দিয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

পিআইবি আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। সঞ্চালনা করেন পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ। অনুষ্ঠানে অর্থনীতিবিদ ড. মুশতাক খান, এএনএম মুনিরুজ্জামান, সাংবাদিক আবু রূশদ ও ড. সফিকুর রহমানসহ অন্যরা বক্তব্য দেন। বক্তারা জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন, স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি ও রাষ্ট্রগঠনে তার ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন।