ঢাকা ০৮:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রামিসা হত্যা: সোহেল-স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড চেয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:১৯:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
  • / 14

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও নৃশংস হত্যার মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চেয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ।

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার শুনানিতে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আদালতের কাছে সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুদণ্ড দাবি করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর আজিজুল রহমান দুলু বলেন, সাক্ষ্য, জব্দ আলামত ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। ন্যায়বিচারের স্বার্থে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া উচিত বলে তিনি আদালতকে জানান।

শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ সোহেল রানার ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিও আদালতে উপস্থাপন করে। সেখানে সোহেল ধর্ষণ ও হত্যার দায় স্বীকার করে ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দেয় বলে আদালতকে জানানো হয়।

বর্তমানে মামলায় আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন চলছে। শুনানির সময় অসুস্থ হয়ে পড়লে সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়, পরে তাকে আদালতের কাঠগড়ায় তোলা হয়।

এর আগে ২ জুন রামিসার বাবা-মা, বোন, স্বজন, প্রতিবেশী, প্রত্যক্ষদর্শী ও তদন্ত কর্মকর্তাসহ ১৬ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন।

উল্লেখ্য, গত ১৯ মে পল্লবীর একটি বাসা থেকে আট বছর বয়সী রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পর ওই বাসার ভাড়াটিয়া সোহেল রানা ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে সোহেল আদালতে ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে ধর্ষণ ও হত্যার দায় স্বীকার করে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

রামিসা হত্যা: সোহেল-স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড চেয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ

সর্বশেষ আপডেট ০৫:১৯:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও নৃশংস হত্যার মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চেয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ।

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার শুনানিতে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আদালতের কাছে সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুদণ্ড দাবি করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর আজিজুল রহমান দুলু বলেন, সাক্ষ্য, জব্দ আলামত ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। ন্যায়বিচারের স্বার্থে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া উচিত বলে তিনি আদালতকে জানান।

শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ সোহেল রানার ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিও আদালতে উপস্থাপন করে। সেখানে সোহেল ধর্ষণ ও হত্যার দায় স্বীকার করে ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দেয় বলে আদালতকে জানানো হয়।

বর্তমানে মামলায় আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন চলছে। শুনানির সময় অসুস্থ হয়ে পড়লে সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়, পরে তাকে আদালতের কাঠগড়ায় তোলা হয়।

এর আগে ২ জুন রামিসার বাবা-মা, বোন, স্বজন, প্রতিবেশী, প্রত্যক্ষদর্শী ও তদন্ত কর্মকর্তাসহ ১৬ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন।

উল্লেখ্য, গত ১৯ মে পল্লবীর একটি বাসা থেকে আট বছর বয়সী রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পর ওই বাসার ভাড়াটিয়া সোহেল রানা ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে সোহেল আদালতে ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে ধর্ষণ ও হত্যার দায় স্বীকার করে।