ঢাকা ০৮:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১৬ ডিসেম্বরেই উদ্বোদন শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:২৬:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
  • / 16

বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত

আগামী ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহুল প্রতীক্ষিত থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন করা হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সমসাময়িক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আয়োজিত এক বিশেষ ব্রিফিংয়ে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একই সাথে তিনি জানান, বিমানবন্দরের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব জাপানের হাতে সঁপে দিতে বর্তমানে দ্বিপাক্ষিক চুক্তির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আগামী ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে এই চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও সরকারের পক্ষ থেকে তা আরও আগেই শেষ করার জোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

দেশের ক্রমবর্ধমান বিমান পরিবহন চাহিদা মেটাতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর (ফ্লিট) দ্রুত সম্প্রসারণ করা জরুরি বলে উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি মন্তব্য করেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে কেবল ১৪টি নয়, বরং বাংলাদেশের জন্য ৪৭টি উড়োজাহাজ প্রয়োজন। এই লক্ষ্য পূরণে ১৪টি নতুন বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যার আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২.১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

প্রতিমন্ত্রী আশ্বস্ত করেন যে, বিমানের নিজস্ব আয় থেকেই কিস্তির মাধ্যমে এই বিশাল অর্থের মূল্য পরিশোধ করা সম্ভব হবে। তবে নতুন বোয়িং উড়োজাহাজগুলোর প্রথম সরবরাহ পেতে ২০৩১ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এর পাশাপাশি বিমানে বিদ্যমান অনিয়ম, দুর্নীতি ও ব্যবস্থাপনার ত্রুটি দূর করতে পুরো প্রতিষ্ঠানটিকে নতুন করে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া হজযাত্রীদের লাগেজ কেটে ফেলার অভিযোগটি সম্পূর্ণ অসত্য বলে দাবি করেছেন বিমান প্রতিমন্ত্রী। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্টের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, তদন্তে লাগেজ মিসহ্যান্ডলিং বা ইচ্ছাকৃতভাবে কেটে ফেলার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এমনকি কোনো হজযাত্রী এখন পর্যন্ত এই বিষয়ে লিখিত বা মৌখিক কোনো অভিযোগও করেননি।

তবে তদন্তে মোট ২১টি লাগেজে কিছু ক্ষয়ক্ষতি পাওয়ার কথা স্বীকার করেন তিনি। ভিডিও ফুটেজ পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এই ক্ষতিগুলো বাংলাদেশের বিমানবন্দরে হয়নি; বরং লাগেজগুলো যে দেশ বা স্থান থেকে এসেছে, ঠিক সেখান থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় বোর্ডিং করা হয়েছিল।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

১৬ ডিসেম্বরেই উদ্বোদন শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল

সর্বশেষ আপডেট ০২:২৬:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

আগামী ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহুল প্রতীক্ষিত থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন করা হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সমসাময়িক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আয়োজিত এক বিশেষ ব্রিফিংয়ে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একই সাথে তিনি জানান, বিমানবন্দরের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব জাপানের হাতে সঁপে দিতে বর্তমানে দ্বিপাক্ষিক চুক্তির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আগামী ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে এই চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও সরকারের পক্ষ থেকে তা আরও আগেই শেষ করার জোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

দেশের ক্রমবর্ধমান বিমান পরিবহন চাহিদা মেটাতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর (ফ্লিট) দ্রুত সম্প্রসারণ করা জরুরি বলে উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি মন্তব্য করেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে কেবল ১৪টি নয়, বরং বাংলাদেশের জন্য ৪৭টি উড়োজাহাজ প্রয়োজন। এই লক্ষ্য পূরণে ১৪টি নতুন বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যার আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২.১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

প্রতিমন্ত্রী আশ্বস্ত করেন যে, বিমানের নিজস্ব আয় থেকেই কিস্তির মাধ্যমে এই বিশাল অর্থের মূল্য পরিশোধ করা সম্ভব হবে। তবে নতুন বোয়িং উড়োজাহাজগুলোর প্রথম সরবরাহ পেতে ২০৩১ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এর পাশাপাশি বিমানে বিদ্যমান অনিয়ম, দুর্নীতি ও ব্যবস্থাপনার ত্রুটি দূর করতে পুরো প্রতিষ্ঠানটিকে নতুন করে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া হজযাত্রীদের লাগেজ কেটে ফেলার অভিযোগটি সম্পূর্ণ অসত্য বলে দাবি করেছেন বিমান প্রতিমন্ত্রী। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্টের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, তদন্তে লাগেজ মিসহ্যান্ডলিং বা ইচ্ছাকৃতভাবে কেটে ফেলার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এমনকি কোনো হজযাত্রী এখন পর্যন্ত এই বিষয়ে লিখিত বা মৌখিক কোনো অভিযোগও করেননি।

তবে তদন্তে মোট ২১টি লাগেজে কিছু ক্ষয়ক্ষতি পাওয়ার কথা স্বীকার করেন তিনি। ভিডিও ফুটেজ পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এই ক্ষতিগুলো বাংলাদেশের বিমানবন্দরে হয়নি; বরং লাগেজগুলো যে দেশ বা স্থান থেকে এসেছে, ঠিক সেখান থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় বোর্ডিং করা হয়েছিল।