ঢাকা ০৭:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আইএমএফের কাছে নতুন ঋণ কর্মসূচির প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:১১:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬
  • / 124

বাংলাদেশ নতুন একটি ঋণ কর্মসূচির আওতায় আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছে সহায়তা চেয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়েছে। চলমান সংস্কার কার্যক্রম ও অর্থনৈতিক চাপ বিবেচনায় নিয়ে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। একই সঙ্গে বর্তমান কর্মসূচিগুলোর বাস্তবায়ন পরিস্থিতিও পুনর্মূল্যায়নের প্রয়োজনীয়তা সামনে এসেছে।

মূল প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালে অনুমোদিত আইএমএফ-সমর্থিত কর্মসূচির পর থেকে দেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটেছে, যা লক্ষ্য অর্জনকে আরও জটিল করে তুলেছে। বিশেষ করে ব্যাংক খাতের দুর্বলতা, রাজস্ব ঘাটতি এবং ধারাবাহিক সংস্কার কার্যক্রমের সীমাবদ্ধতা এখন বেশি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এ অবস্থায় বৈদেশিক ভারসাম্য রক্ষায় নতুন নীতিগত কাঠামোর প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেছে আইএমএফ।

আইএমএফ জানিয়েছে, বাংলাদেশে চলমান ইসিএফ, ইএফএফ এবং আরএসএফ কর্মসূচির পাশাপাশি নতুন একটি সম্ভাব্য সমঝোতা নিয়ে আলোচনা হতে পারে, যেখানে বর্তমান চ্যালেঞ্জ ও সরকারের নতুন অগ্রাধিকারগুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে। সংস্থাটির কর্মকর্তারা শিগগিরই ঢাকায় এসে সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবেন।

এর আগে ২০২২ সালে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ অনুমোদন দেয় আইএমএফ, যা পরে ৫৫০ কোটি ডলারে উন্নীত হয়। এখন পর্যন্ত এর একটি বড় অংশ ছাড় করা হয়েছে, বাকি কিস্তি এখনও পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে বাংলাদেশ।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, নতুন কর্মসূচির সম্ভাব্য আকার ৪০০ থেকে ৪৫০ কোটি ডলার হতে পারে এবং এটি তিন বছরের জন্য হতে পারে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আইএমএফের কাছে নতুন ঋণ কর্মসূচির প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ

সর্বশেষ আপডেট ০৮:১১:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

বাংলাদেশ নতুন একটি ঋণ কর্মসূচির আওতায় আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছে সহায়তা চেয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়েছে। চলমান সংস্কার কার্যক্রম ও অর্থনৈতিক চাপ বিবেচনায় নিয়ে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। একই সঙ্গে বর্তমান কর্মসূচিগুলোর বাস্তবায়ন পরিস্থিতিও পুনর্মূল্যায়নের প্রয়োজনীয়তা সামনে এসেছে।

মূল প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালে অনুমোদিত আইএমএফ-সমর্থিত কর্মসূচির পর থেকে দেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটেছে, যা লক্ষ্য অর্জনকে আরও জটিল করে তুলেছে। বিশেষ করে ব্যাংক খাতের দুর্বলতা, রাজস্ব ঘাটতি এবং ধারাবাহিক সংস্কার কার্যক্রমের সীমাবদ্ধতা এখন বেশি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এ অবস্থায় বৈদেশিক ভারসাম্য রক্ষায় নতুন নীতিগত কাঠামোর প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেছে আইএমএফ।

আইএমএফ জানিয়েছে, বাংলাদেশে চলমান ইসিএফ, ইএফএফ এবং আরএসএফ কর্মসূচির পাশাপাশি নতুন একটি সম্ভাব্য সমঝোতা নিয়ে আলোচনা হতে পারে, যেখানে বর্তমান চ্যালেঞ্জ ও সরকারের নতুন অগ্রাধিকারগুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে। সংস্থাটির কর্মকর্তারা শিগগিরই ঢাকায় এসে সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবেন।

এর আগে ২০২২ সালে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ অনুমোদন দেয় আইএমএফ, যা পরে ৫৫০ কোটি ডলারে উন্নীত হয়। এখন পর্যন্ত এর একটি বড় অংশ ছাড় করা হয়েছে, বাকি কিস্তি এখনও পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে বাংলাদেশ।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, নতুন কর্মসূচির সম্ভাব্য আকার ৪০০ থেকে ৪৫০ কোটি ডলার হতে পারে এবং এটি তিন বছরের জন্য হতে পারে।