৩০ হাজার মামলাজটে থমকে আছে শিক্ষক নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী
- সর্বশেষ আপডেট ০৩:০৪:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
- / 38
প্রায় ৩০ হাজার মামলাজটের কারণে সারা দেশে শত শত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে চট্টগ্রাম কলেজ মিলনায়তনে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা এবং শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, ২০১৭ সালের একটি আইনি জটিলতায় দেশের ৩২ হাজার ৫০০ জনকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ ও পদোন্নতির পুরো প্রক্রিয়া থমকে আছে। তবে আগামী ২ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে এই মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য রয়েছে। তিনি দৃঢ়ভাবে প্রত্যাশা করেন যে ওই দিন কাঙ্ক্ষিত রায় পাওয়ার মধ্য দিয়ে এই বিশাল শূন্য পদগুলো পূরণের আইনি জট খুলে যাবে। এর পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেন যে এমপিওভুক্তির বিশাল ব্যাকলগ পূরণে বর্তমানে দেশে আরও ৭৭ হাজার নতুন শিক্ষক প্রয়োজন।
সভায় শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষাব্যবস্থার জায়গায় জায়গায় একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের গুপ্ত অনুসারীরা রয়েছে, যারা বর্তমান শিক্ষার উন্নয়নে কোনোভাবেই সহযোগী হতে চাইছে না। জুলাই আন্দোলনে সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দেন যে প্রশাসনে কোনো ধরনের দুর্বলতা মেনে নেওয়া হবে না।
শিক্ষা খাতের বাজেট প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন যে বিগত সরকারের আমলে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও আইসিটি মন্ত্রণালয়ের বাজেটকে শিক্ষা খাতে ঢুকিয়ে একটি ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ দেওয়া হয়েছিল। তবে এবার বর্তমান সরকার শিক্ষায় ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকার বিশাল ও বাস্তবসম্মত বাজেট দিয়েছে এবং এই অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে বলে তিনি জানান।
ডিজিটাল কারচুপি প্রতিরোধ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ২০০৬ সালে আমরা দেশে প্রচলিত নকলের কবর দিয়েছি, তবে এখন সেই নকল ডিজিটাল রূপ নিয়েছে। তাই দেশের প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে অবশ্যই সিসি ক্যামেরা থাকতে হবে এবং এর মাধ্যমে ডিজিটাল ভিজিল্যান্স বা কড়া নজরদারি নিশ্চিত করা হবে।





































