ঢাকা ০৬:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মমতার গাড়িতে ইট-কাদা-জুতা নিক্ষেপ

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৪৩:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬
  • / 19

মমতার গাড়িতে ইট-কাদা-জুতা নিক্ষেপ

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হালিশহরে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িতে ইট-পাথর নিক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে। রোববার বিক্ষোভের মধ্যে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা তার গাড়ি লক্ষ্য করে ইট ও পাথর ছুড়েছে বলে অভিযোগ করেন মমতা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দলীয় এক কর্মীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে হালিশহরে যাচ্ছিলেন মমতা। ওই কর্মী পুলিশের হেফাজতে মারা গেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

হালিশহরে পৌঁছানোর পর বিক্ষোভকারীরা মমতার গাড়ি ঘিরে ধরেন। এ সময় গাড়িতে কাদা ছোড়ার পাশাপাশি জুতা ও পানির বোতল নিক্ষেপ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের ‘চোর ভাগাও’ স্লোগান দিতেও দেখা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে।

ঘটনার পর সাংবাদিকদের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, গাড়ির জানালা বন্ধ না থাকলে ইট-পাথরের আঘাতে তার মাথা ফেটে যেতে পারত, এমনকি প্রাণও যেতে পারত।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, পুলিশের উপস্থিতিতেই বাইরে থেকে আসা কিছু সমাজবিরোধী তার গাড়িতে পাথর ছুড়েছে। এ সময় পুলিশ তাকে যথাযথ নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

মমতার সঙ্গে থাকা তৃণমূল কংগ্রেসের লোকসভা সদস্য কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্যসভার সদস্য দোলা সেনও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, পুলিশের মাধ্যমে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী পুরো ঘটনাটি পরিচালনা করছেন।

তবে মমতার গাড়িতে হামলার ঘটনায় বিজেপির কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেছে দলটি। পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে বিজেপি জড়িত নয়। একই সঙ্গে হামলায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পুলিশের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

মমতার গাড়িতে ইট-কাদা-জুতা নিক্ষেপ

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৪৩:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হালিশহরে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িতে ইট-পাথর নিক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে। রোববার বিক্ষোভের মধ্যে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা তার গাড়ি লক্ষ্য করে ইট ও পাথর ছুড়েছে বলে অভিযোগ করেন মমতা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দলীয় এক কর্মীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে হালিশহরে যাচ্ছিলেন মমতা। ওই কর্মী পুলিশের হেফাজতে মারা গেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

হালিশহরে পৌঁছানোর পর বিক্ষোভকারীরা মমতার গাড়ি ঘিরে ধরেন। এ সময় গাড়িতে কাদা ছোড়ার পাশাপাশি জুতা ও পানির বোতল নিক্ষেপ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের ‘চোর ভাগাও’ স্লোগান দিতেও দেখা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে।

ঘটনার পর সাংবাদিকদের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, গাড়ির জানালা বন্ধ না থাকলে ইট-পাথরের আঘাতে তার মাথা ফেটে যেতে পারত, এমনকি প্রাণও যেতে পারত।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, পুলিশের উপস্থিতিতেই বাইরে থেকে আসা কিছু সমাজবিরোধী তার গাড়িতে পাথর ছুড়েছে। এ সময় পুলিশ তাকে যথাযথ নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

মমতার সঙ্গে থাকা তৃণমূল কংগ্রেসের লোকসভা সদস্য কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্যসভার সদস্য দোলা সেনও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, পুলিশের মাধ্যমে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী পুরো ঘটনাটি পরিচালনা করছেন।

তবে মমতার গাড়িতে হামলার ঘটনায় বিজেপির কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেছে দলটি। পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে বিজেপি জড়িত নয়। একই সঙ্গে হামলায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পুলিশের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।