ঢাকা ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে বাংলাদেশ: অর্থমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:১৬:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
  • / 76

অর্থমন্ত্রী: আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী

আগামী ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ শুরু হয়েছে। আজ জাতীয় সংসদে এই ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তবে তিনি বিগত সরকারের আর্থিক অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন। অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে সরকার নতুন পরিকল্পনা হাতে নিচ্ছে বলেও তিনি জানান।

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে আজ সংসদে বড় তথ্য দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি জানান, ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশ এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে। আজ শুক্রবার সকালে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে তিনি একটি বিবৃতি প্রদান করেন। মূলত ৩০০ বিধিতে দেওয়া এই বিবৃতিতে তিনি দেশের আগামী দিনের সমৃদ্ধির চিত্র তুলে ধরেন। সরকার এই লক্ষ্য অর্জনে পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে যাচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

বিবৃতি প্রদানকালে অর্থমন্ত্রী বিগত আওয়ামী সরকারের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, বিগত আমলে ব্যাপক দুর্নীতি ও টাকা পাচার হয়েছে। এর ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে। আসলে অর্থনীতির এই ভঙ্গুর অবস্থার জন্য তিনি তৎকালীন সরকারের অব্যবস্থাপনাকেই দায়ী করেন। তদুপরি বাজেট ঘাটতি বৃদ্ধি এবং মেগাপ্রকল্পের অযোগ্যতা নিয়েও তিনি সংসদে প্রশ্ন তোলেন।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, আগের সরকারের নেওয়া মেগাপ্রকল্পগুলোর সঠিক যাচাই করা হয়নি। যার ফলে বিশাল বিনিয়োগের প্রত্যাশিত সুফল সাধারণ জনগণ ভোগ করতে পারেনি। অন্যদিকে মাথাপিছু আয়ের যে তথ্য দেওয়া হয়েছিল, তা নিয়েও জনমনে যথেষ্ট বিতর্ক রয়েছে। মূলত দুর্নীতির কারণেই দেশে অর্থনৈতিক বৈষম্য চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বর্তমান সরকার দেশের আর্থিক খাতকে ঢেলে সাজানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। বিশেষ করে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনা এবং বাজেট ব্যবস্থাপনা উন্নত করা এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ। পাশাপাশি অর্থনীতিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে নতুন সরকারের উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ কমিটি কাজ করছে। অর্থমন্ত্রী বিশ্বাস করেন যে, বৈষম্য দূর করতে পারলে লক্ষ্য অর্জন সহজ হবে। তাছাড়া বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ তৈরির কাজও চলছে দ্রুতগতিতে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে বাংলাদেশ: অর্থমন্ত্রী

সর্বশেষ আপডেট ১২:১৬:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

আগামী ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ শুরু হয়েছে। আজ জাতীয় সংসদে এই ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তবে তিনি বিগত সরকারের আর্থিক অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন। অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে সরকার নতুন পরিকল্পনা হাতে নিচ্ছে বলেও তিনি জানান।

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে আজ সংসদে বড় তথ্য দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি জানান, ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশ এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে। আজ শুক্রবার সকালে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে তিনি একটি বিবৃতি প্রদান করেন। মূলত ৩০০ বিধিতে দেওয়া এই বিবৃতিতে তিনি দেশের আগামী দিনের সমৃদ্ধির চিত্র তুলে ধরেন। সরকার এই লক্ষ্য অর্জনে পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে যাচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

বিবৃতি প্রদানকালে অর্থমন্ত্রী বিগত আওয়ামী সরকারের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, বিগত আমলে ব্যাপক দুর্নীতি ও টাকা পাচার হয়েছে। এর ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে। আসলে অর্থনীতির এই ভঙ্গুর অবস্থার জন্য তিনি তৎকালীন সরকারের অব্যবস্থাপনাকেই দায়ী করেন। তদুপরি বাজেট ঘাটতি বৃদ্ধি এবং মেগাপ্রকল্পের অযোগ্যতা নিয়েও তিনি সংসদে প্রশ্ন তোলেন।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, আগের সরকারের নেওয়া মেগাপ্রকল্পগুলোর সঠিক যাচাই করা হয়নি। যার ফলে বিশাল বিনিয়োগের প্রত্যাশিত সুফল সাধারণ জনগণ ভোগ করতে পারেনি। অন্যদিকে মাথাপিছু আয়ের যে তথ্য দেওয়া হয়েছিল, তা নিয়েও জনমনে যথেষ্ট বিতর্ক রয়েছে। মূলত দুর্নীতির কারণেই দেশে অর্থনৈতিক বৈষম্য চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বর্তমান সরকার দেশের আর্থিক খাতকে ঢেলে সাজানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। বিশেষ করে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনা এবং বাজেট ব্যবস্থাপনা উন্নত করা এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ। পাশাপাশি অর্থনীতিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে নতুন সরকারের উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ কমিটি কাজ করছে। অর্থমন্ত্রী বিশ্বাস করেন যে, বৈষম্য দূর করতে পারলে লক্ষ্য অর্জন সহজ হবে। তাছাড়া বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ তৈরির কাজও চলছে দ্রুতগতিতে।