ঢাকা ০৯:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পার্বত্য মন্ত্রণালয়ে আদিবাসী পূর্ণ মন্ত্রী নিয়োগের দাবি

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:৩৯:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
  • / 11

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীর পদত্যাগে পার্বত্য আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মনে যে হতাশা সৃষ্টি হয়েছে তার নিরসনে অবিলম্বে এই মন্ত্রণালয়ে পার্বত্য অঞ্চলের আস্থাভাজন কোন আদিবাসীকে পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেবার জন্য নাগরিক সমাজের আহবান”

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীর পদত্যাগে পার্বত্য আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মনে যে হতাশা সৃষ্টি হয়েছে তার নিরসনে অবিলম্বে এই মন্ত্রণালয়ে পার্বত্য অঞ্চলের আস্থাভাজন ঐ অঞ্চলের একজন আদিবাসীকে ঐ মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেবার জন্য আহবান জানিয়েছেন ৩২ বিশিষ্ট নাগরিক।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) এক বিবৃতিতে এই আহবান জানিয়েছেন ৩২ বিশিষ্ট নাগরিক।

“প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন নির্বাচিত সরকার গঠন এবং তাদের শপথ গ্রহণের দিনই পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব একজন পূর্ণ মন্ত্রীর উপর দেয়ায় পার্বত্য জনগোষ্ঠীর মনে এই সরকারের প্রতি আস্থা আরো দৃঢ় হয়েছিল। যাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল তিনি ঐ অঞ্চল থেকে বিএনপি-র প্রার্থী হিসেবে সর্বোচ্চ ভোটে জয়ী হয়েছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি তিনি ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। এতে জনমনে বিশেষ করে পার্বত্য অঞ্চলের আদিবাসী গোষ্ঠীসহ সাধারণ মানুষের মনে এমন সন্দেহ দানা বাধে যে তাকে তার দায়িত্ব পালনে কোন বিশেষ মহল অযৌক্তিকভাবে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ বাধা সৃষ্টি করেছেন!

এর ফলে এই সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে পাহাড়ি মানুষদের মনে এই মর্মে যে উচ্চ আশাবাদ গড়ে উঠেছিল যে, তাদের প্রতি ঐতিহাসিকভাবে যে অবহেলা এবং বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয়েছে এবার এই সরকারের উদ্যোগ এবং প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে তার অবসান হবে। সেই আশাবাদ এখন অনেকটাই প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।

আমরা বাংলাদেশের সচেতন নাগরিক সমাজ মনে করি, দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মতো পার্বত্য জেলাগুলির পাহাড়ি আদিবাসীদের প্রতি বহুযুগ ধরে ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতায় নানা ধরনের বৈরী ও বৈষম্যমূলক আচরণ করে তাদের স্বতন্ত্র জীবন ধারা ও সংস্কৃতি চর্চার অধিকারকে হুমকির মুখে ঠেলে দেয়া হয়েছে। তার প্রতিকার হিসেবে বিএনপি, আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির শাসন আমলে তাদের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদের সাথে দীর্ঘ আলাপ আলোচনার পর ১৯৯৭ সালে পার্বত্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এটা কোন একক দলের কৃতিত্ব নয়। বর্তমান প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি প্রধান রাজনৈতিক দল হিসাবে তার নির্বাচনী ইশতেহারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকারের সঙ্গে পাহাড় এবং সমতলের আদিবাসীদের দাবিগুলি বিবেচনায় নিয়ে রেইনবো বা রংধনু রাষ্ট্র নির্মানের পরিকল্পনা ঘোষণা করে। আমরা মনে করি প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমানসহ বিএনপি-র নেতৃত্বের এটি একটি অতীব তাৎপর্যপূর্ণ এবং বিজ্ঞোচিত পদক্ষেপের অঙ্গিকার।

পক্ষান্তরে এখন যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে পার্বত্য মন্ত্রণালয়কে ঘিরে তা জনমনে বিশেষভাবে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর চেতনায় এক ধরণের হতাশা এবং ক্ষোভের সঞ্চার হচ্ছে। এটা মোটেই কাম্য নয়। যে সরকার যাত্রার শুরুতেই রেইনবো নেশন গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় ঘোষণা করেছে তাদের ভাবমূর্তির জন্যও এই বিষয়টি সুখকর নয়।

তাই আমরা আশা করি প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমান এবং তার বিজ্ঞ মন্ত্রীসভা বিষয়টি দ্রুত পুনর্বিবেচনায় নেবেন এবং এর সুরাহা করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

আমাদের এক্ষেত্রে একটিই দাবি তা হচ্ছে অবিলম্বে পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়ে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মধ্য থেকে তাদের কোন আস্থাভাজন ব্যক্তিকে পার্বত্য চুক্তির বিধানের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে একজন পূর্ণ মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া হোক। তাকে পুরো মন্ত্রণালয়ের পরিচালনার ভারও দিতে হবে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, পার্বত্য চুক্তির ‘ঘ’ খন্ডের ১৯ ধারায় বলা হয়েছে, ‘উপজাতীয়দের মধ্যে থেকে একজন মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া হবে’। বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গঠিত বিএনপি সরকারও অতীতে তাই কোন পূর্ণ মন্ত্রী না দিলেও উপমন্ত্রী হিসেবে যাকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন, তিনি পাহাড়ি জনগোষ্ঠীরই সদস্য এবং পুরো মন্ত্রণালয়ের ভারও তার উপর অর্পিত ছিল। রেওয়াজ হিসেবে চিন্তা করলে, বিএনপি এই রেওয়াজ আগে থেকেই অনুসরণ করে আসছে। আমরা সরকারকে শুধু তা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি। ”

বিবৃতিতে স্বাক্ষরকার করেছেন :
১. অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল, মানবাধিকার কর্মী ও প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন
২. খুশী কবির, সমন্বয়কারী, নিজেরা করি
৩. আবু সাঈদ খান, লেখক ও সাংবাদিক
৪. ড. ইফতেখারুজ্জামান, নির্বাহী পরিচালক, টিআই-বি
৫. অ্যাডভোকেট জেড আই খান পান্না, সিনিয়র আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ও সভাপতি, আইন ও সালিস কেন্দ্র
৬. ব্যারিস্টার সারা হোসেন, সিনিয়র আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ও অনারারি নির্বাহী পরিচালক, ব্লাস্ট
৭. ড. শহিদুল আলম, আলোকচিত্রী
৮. শামসুল হুদা, নির্বাহী পরিচালক, এএলআরডি
৯. অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, সিনিয়র আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
১০. রেহেনুমা আহমেদ, লেখক
১১. ড.গীতি আরা নাসরিন, অধ্যাপক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১২. ড. জোবাইদা নাসরীন, অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১৩. ড. খায়রুল চৌধুরী, অধ্যাপক, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১৪. ড. মির্জা তাসলিমা সুলতানা, অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
১৫. পাভেল পার্থ, লেখক ও গবেষক
১৬. ড. ঈশিতা দস্তিদার, নৃবিজ্ঞানী ও গবেষক
১৭. ড. নাসরিন খন্দকার, নৃবিজ্ঞানী
১৮. রোজিনা বেগম, গবেষক ও অধিকার কর্মী
১৯. অ্যাডভোকেট সালমা আলী, নির্বাহী পরিচালক, বি এন ডব্লিউ এল এ
২০. কাজল দেবনাথ, সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ পুজা উদযাপন পরিষদ
২১. মনিন্দ্র কুমার নাথ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ
২২. সালেহ আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন
২৩. পারভেজ হাসেম, আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী
২৪. জাকির হোসেন, প্রধান নির্বাহী, নাগরিক উদ্যোগ
২৫. অ্যাডভোকেট সাইদুর রহমান, প্রধান নির্বাহী, মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন
২৬. রেজাউল করিম চৌধুরী, নির্বাহী পরিচালক, কোস্ট ট্রাস্ট
২৭. সাঈদ আহমেদ, মানবাধিকার কর্মী
২৮. শাহেদ কায়েস, কবি ও প্রাবন্ধিক
২৯. দীপায়ন খীসা, মানবাধিকার কর্মী
৩০. মুক্তাশ্রী চাকমা, অধিকার কর্মী
৩১. মেইনথিন প্রমীলা, আদিবাসী অধিকার কর্মী
৩২. ড. হানা শামস আহমেদ, অধিকার কর্মী

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

পার্বত্য মন্ত্রণালয়ে আদিবাসী পূর্ণ মন্ত্রী নিয়োগের দাবি

সর্বশেষ আপডেট ০৭:৩৯:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীর পদত্যাগে পার্বত্য আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মনে যে হতাশা সৃষ্টি হয়েছে তার নিরসনে অবিলম্বে এই মন্ত্রণালয়ে পার্বত্য অঞ্চলের আস্থাভাজন কোন আদিবাসীকে পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেবার জন্য নাগরিক সমাজের আহবান”

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীর পদত্যাগে পার্বত্য আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মনে যে হতাশা সৃষ্টি হয়েছে তার নিরসনে অবিলম্বে এই মন্ত্রণালয়ে পার্বত্য অঞ্চলের আস্থাভাজন ঐ অঞ্চলের একজন আদিবাসীকে ঐ মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেবার জন্য আহবান জানিয়েছেন ৩২ বিশিষ্ট নাগরিক।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) এক বিবৃতিতে এই আহবান জানিয়েছেন ৩২ বিশিষ্ট নাগরিক।

“প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন নির্বাচিত সরকার গঠন এবং তাদের শপথ গ্রহণের দিনই পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব একজন পূর্ণ মন্ত্রীর উপর দেয়ায় পার্বত্য জনগোষ্ঠীর মনে এই সরকারের প্রতি আস্থা আরো দৃঢ় হয়েছিল। যাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল তিনি ঐ অঞ্চল থেকে বিএনপি-র প্রার্থী হিসেবে সর্বোচ্চ ভোটে জয়ী হয়েছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি তিনি ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। এতে জনমনে বিশেষ করে পার্বত্য অঞ্চলের আদিবাসী গোষ্ঠীসহ সাধারণ মানুষের মনে এমন সন্দেহ দানা বাধে যে তাকে তার দায়িত্ব পালনে কোন বিশেষ মহল অযৌক্তিকভাবে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ বাধা সৃষ্টি করেছেন!

এর ফলে এই সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে পাহাড়ি মানুষদের মনে এই মর্মে যে উচ্চ আশাবাদ গড়ে উঠেছিল যে, তাদের প্রতি ঐতিহাসিকভাবে যে অবহেলা এবং বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয়েছে এবার এই সরকারের উদ্যোগ এবং প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে তার অবসান হবে। সেই আশাবাদ এখন অনেকটাই প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।

আমরা বাংলাদেশের সচেতন নাগরিক সমাজ মনে করি, দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মতো পার্বত্য জেলাগুলির পাহাড়ি আদিবাসীদের প্রতি বহুযুগ ধরে ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতায় নানা ধরনের বৈরী ও বৈষম্যমূলক আচরণ করে তাদের স্বতন্ত্র জীবন ধারা ও সংস্কৃতি চর্চার অধিকারকে হুমকির মুখে ঠেলে দেয়া হয়েছে। তার প্রতিকার হিসেবে বিএনপি, আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির শাসন আমলে তাদের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদের সাথে দীর্ঘ আলাপ আলোচনার পর ১৯৯৭ সালে পার্বত্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এটা কোন একক দলের কৃতিত্ব নয়। বর্তমান প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি প্রধান রাজনৈতিক দল হিসাবে তার নির্বাচনী ইশতেহারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকারের সঙ্গে পাহাড় এবং সমতলের আদিবাসীদের দাবিগুলি বিবেচনায় নিয়ে রেইনবো বা রংধনু রাষ্ট্র নির্মানের পরিকল্পনা ঘোষণা করে। আমরা মনে করি প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমানসহ বিএনপি-র নেতৃত্বের এটি একটি অতীব তাৎপর্যপূর্ণ এবং বিজ্ঞোচিত পদক্ষেপের অঙ্গিকার।

পক্ষান্তরে এখন যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে পার্বত্য মন্ত্রণালয়কে ঘিরে তা জনমনে বিশেষভাবে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর চেতনায় এক ধরণের হতাশা এবং ক্ষোভের সঞ্চার হচ্ছে। এটা মোটেই কাম্য নয়। যে সরকার যাত্রার শুরুতেই রেইনবো নেশন গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় ঘোষণা করেছে তাদের ভাবমূর্তির জন্যও এই বিষয়টি সুখকর নয়।

তাই আমরা আশা করি প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমান এবং তার বিজ্ঞ মন্ত্রীসভা বিষয়টি দ্রুত পুনর্বিবেচনায় নেবেন এবং এর সুরাহা করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

আমাদের এক্ষেত্রে একটিই দাবি তা হচ্ছে অবিলম্বে পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়ে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মধ্য থেকে তাদের কোন আস্থাভাজন ব্যক্তিকে পার্বত্য চুক্তির বিধানের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে একজন পূর্ণ মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া হোক। তাকে পুরো মন্ত্রণালয়ের পরিচালনার ভারও দিতে হবে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, পার্বত্য চুক্তির ‘ঘ’ খন্ডের ১৯ ধারায় বলা হয়েছে, ‘উপজাতীয়দের মধ্যে থেকে একজন মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া হবে’। বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গঠিত বিএনপি সরকারও অতীতে তাই কোন পূর্ণ মন্ত্রী না দিলেও উপমন্ত্রী হিসেবে যাকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন, তিনি পাহাড়ি জনগোষ্ঠীরই সদস্য এবং পুরো মন্ত্রণালয়ের ভারও তার উপর অর্পিত ছিল। রেওয়াজ হিসেবে চিন্তা করলে, বিএনপি এই রেওয়াজ আগে থেকেই অনুসরণ করে আসছে। আমরা সরকারকে শুধু তা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি। ”

বিবৃতিতে স্বাক্ষরকার করেছেন :
১. অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল, মানবাধিকার কর্মী ও প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন
২. খুশী কবির, সমন্বয়কারী, নিজেরা করি
৩. আবু সাঈদ খান, লেখক ও সাংবাদিক
৪. ড. ইফতেখারুজ্জামান, নির্বাহী পরিচালক, টিআই-বি
৫. অ্যাডভোকেট জেড আই খান পান্না, সিনিয়র আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ও সভাপতি, আইন ও সালিস কেন্দ্র
৬. ব্যারিস্টার সারা হোসেন, সিনিয়র আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ও অনারারি নির্বাহী পরিচালক, ব্লাস্ট
৭. ড. শহিদুল আলম, আলোকচিত্রী
৮. শামসুল হুদা, নির্বাহী পরিচালক, এএলআরডি
৯. অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, সিনিয়র আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
১০. রেহেনুমা আহমেদ, লেখক
১১. ড.গীতি আরা নাসরিন, অধ্যাপক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১২. ড. জোবাইদা নাসরীন, অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১৩. ড. খায়রুল চৌধুরী, অধ্যাপক, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১৪. ড. মির্জা তাসলিমা সুলতানা, অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
১৫. পাভেল পার্থ, লেখক ও গবেষক
১৬. ড. ঈশিতা দস্তিদার, নৃবিজ্ঞানী ও গবেষক
১৭. ড. নাসরিন খন্দকার, নৃবিজ্ঞানী
১৮. রোজিনা বেগম, গবেষক ও অধিকার কর্মী
১৯. অ্যাডভোকেট সালমা আলী, নির্বাহী পরিচালক, বি এন ডব্লিউ এল এ
২০. কাজল দেবনাথ, সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ পুজা উদযাপন পরিষদ
২১. মনিন্দ্র কুমার নাথ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ
২২. সালেহ আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন
২৩. পারভেজ হাসেম, আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী
২৪. জাকির হোসেন, প্রধান নির্বাহী, নাগরিক উদ্যোগ
২৫. অ্যাডভোকেট সাইদুর রহমান, প্রধান নির্বাহী, মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন
২৬. রেজাউল করিম চৌধুরী, নির্বাহী পরিচালক, কোস্ট ট্রাস্ট
২৭. সাঈদ আহমেদ, মানবাধিকার কর্মী
২৮. শাহেদ কায়েস, কবি ও প্রাবন্ধিক
২৯. দীপায়ন খীসা, মানবাধিকার কর্মী
৩০. মুক্তাশ্রী চাকমা, অধিকার কর্মী
৩১. মেইনথিন প্রমীলা, আদিবাসী অধিকার কর্মী
৩২. ড. হানা শামস আহমেদ, অধিকার কর্মী