ঢাকা ০৭:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংগীত গ্র্যাজুয়েটদের জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার সুযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদকপ্রাথমিক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৫৫:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
  • / 29

প্রাথমিক শিক্ষায় সাংস্কৃতিক শিক্ষা বিস্তারের অংশ হিসেবে সংগীত, চারুকলা ও নাট্যকলায় উচ্চশিক্ষা নেওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

ঢাকা: প্রাথমিক শিক্ষায় সাংস্কৃতিক চর্চাকে আরও শক্তিশালী করতে নতুন উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেছেন, সংগীত, সাহিত্য, আবৃত্তি, নাটক, চিত্রকলা কিংবা কেরাত—সব ধরনের সৃজনশীল কর্মকাণ্ড শিশুদের আত্মপ্রকাশ, নৈতিক বিকাশ ও মানবিক মূল্যবোধ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বৃহস্পতিবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগ আয়োজিত রবীন্দ্র-নজরুল উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রাথমিক শিক্ষার নতুন কারিকুলামে সাংস্কৃতিক শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় শিক্ষার্থীরা আবৃত্তি, কেরাত, বক্তৃতা, সংগীত, নৃত্য, নাটকসহ বিভিন্ন সৃজনশীল কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে।

তিনি বলেন, শিশুদের সামগ্রিক বিকাশ নিশ্চিত করতে সাংস্কৃতিক শিক্ষা অপরিহার্য। এ নিয়ে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক না করে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

ববি হাজ্জাজ আরও জানান, সংগীত, চারুকলা ও নাট্যকলাসহ সৃজনশীল বিষয়ে উচ্চশিক্ষা অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের সুযোগ সম্প্রসারণে মন্ত্রণালয় কাজ করছে। এ লক্ষ্যে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে কার্যকর পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, শিল্প-সংস্কৃতির চর্চা বাড়াতে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত শিক্ষক প্রয়োজন। তাই ভবিষ্যতে সংগীত, নাটক ও চারুকলার শিক্ষার্থীরাও শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত হয়ে শিশুদের সৃজনশীল বিকাশে অবদান রাখতে পারবেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান ড. অণিমা রায়। এতে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালকসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সংগীত গ্র্যাজুয়েটদের জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার সুযোগ

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৫৫:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

প্রাথমিক শিক্ষায় সাংস্কৃতিক শিক্ষা বিস্তারের অংশ হিসেবে সংগীত, চারুকলা ও নাট্যকলায় উচ্চশিক্ষা নেওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

ঢাকা: প্রাথমিক শিক্ষায় সাংস্কৃতিক চর্চাকে আরও শক্তিশালী করতে নতুন উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেছেন, সংগীত, সাহিত্য, আবৃত্তি, নাটক, চিত্রকলা কিংবা কেরাত—সব ধরনের সৃজনশীল কর্মকাণ্ড শিশুদের আত্মপ্রকাশ, নৈতিক বিকাশ ও মানবিক মূল্যবোধ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বৃহস্পতিবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগ আয়োজিত রবীন্দ্র-নজরুল উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রাথমিক শিক্ষার নতুন কারিকুলামে সাংস্কৃতিক শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় শিক্ষার্থীরা আবৃত্তি, কেরাত, বক্তৃতা, সংগীত, নৃত্য, নাটকসহ বিভিন্ন সৃজনশীল কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে।

তিনি বলেন, শিশুদের সামগ্রিক বিকাশ নিশ্চিত করতে সাংস্কৃতিক শিক্ষা অপরিহার্য। এ নিয়ে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক না করে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

ববি হাজ্জাজ আরও জানান, সংগীত, চারুকলা ও নাট্যকলাসহ সৃজনশীল বিষয়ে উচ্চশিক্ষা অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের সুযোগ সম্প্রসারণে মন্ত্রণালয় কাজ করছে। এ লক্ষ্যে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে কার্যকর পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, শিল্প-সংস্কৃতির চর্চা বাড়াতে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত শিক্ষক প্রয়োজন। তাই ভবিষ্যতে সংগীত, নাটক ও চারুকলার শিক্ষার্থীরাও শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত হয়ে শিশুদের সৃজনশীল বিকাশে অবদান রাখতে পারবেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান ড. অণিমা রায়। এতে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালকসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।