১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে জাসদের শ্রদ্ধা নিবেদন
- সর্বশেষ আপডেট ০৮:৩৪:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬
- / 37
১৫ আগস্টে উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও আলোচনা সভা করেছে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ।
শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের শহীদ কর্নেল তাহের মিলনায়তনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান, এক মিনিট নীরবতা পালন এবং আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিউদ্দিন মোল্লার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইফুজ্জামান বাদশা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহিল কাইয়ূম, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সরদার হুমায়ূন কবির, জাতীয় যুব জোটের সভাপতি শরিফুল কবির স্বপন, দপ্তর সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক শহীদ আলমগীর এবং সহসম্পাদক আলী হাসান তরুণ।
এ ছাড়া জাসদ মহানগর পূর্বের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওয়াহিদুজ্জামান খান রিপন, ছাত্রলীগের (বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র) কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি গোলাম কিবরিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান আজিজ জনিসহ দল ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের ইতিহাসের পাশাপাশি বিশ্ব রাজনৈতিক ইতিহাসেরও একটি কালো ও কলঙ্কিত অধ্যায়। তারা এই হত্যাকাণ্ডকে দেশের ইতিহাসের অন্যতম বিয়োগান্তক ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেন।
বক্তারা দাবি করেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ‘রেজিম চেইঞ্জ অপারেশন’ একই সূত্রে গাঁথা। তাদের ভাষ্য, বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী শক্তিগুলোই বিভিন্ন সময়ে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।
তারা আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু ভবন ধ্বংস, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ও ম্যুরাল ভাঙচুরের ঘটনাকে ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে একই রাজনৈতিক ধারার অংশ হিসেবে দেখছে জাসদ।
বক্তারা অভিযোগ করেন, মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত শক্তি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ ও প্রতিহিংসার রাজনীতি চালিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে জিয়াউর রহমানের সামরিক আদালতে কারাদণ্ড দেওয়া এবং পরবর্তী সময়ে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তাকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়ার ঘটনাকেও একই রাজনৈতিক ধারার সঙ্গে যুক্ত করেন তারা।
সভায় বক্তারা বলেন, ধর্মান্ধ ও জঙ্গিবাদী শক্তির প্রভাব থেকে দেশকে মুক্ত করা এবং মিথ্যাচার, দুর্নীতি ও প্রতারণার রাজনীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া দেশের বিবেকবান ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক-সামাজিক শক্তিগুলোর অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।
দেশের ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।






























