শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় কঠোর বার্তা তারেক রহমানের
- সর্বশেষ আপডেট ০২:০৯:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
- / 24
আজ সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)-এর মহাপরিচালক গিলবার্ট এফ. হোংবো সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। ছবি : পিএমও
শ্রমিকদের অধিকার, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নে সরকার ‘জিরো কম্প্রোমাইজ’ নীতিতে এগোচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)-এর মহাপরিচালক গিলবার্ট এফ. হোংবোর সঙ্গে বৈঠকে তিনি বলেন, শ্রমখাতের উন্নয়নকে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
সোমবার সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাতে আইএলও মহাপরিচালকের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব গাজী শাহরিয়ার পামির বৈঠকের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন।
বৈঠকের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ায় তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান আইএলও মহাপরিচালক গিলবার্ট এফ. হোংবো।
তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বাংলাদেশের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থা আরও শক্তিশালী হয়েছে। আইএলও বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্ব আরও সম্প্রসারণে আগ্রহী বলেও জানান তিনি।
জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শ্রমিকদের অধিকার সংরক্ষণ, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নে সরকার দৃঢ়ভাবে কাজ করছে।
তিনি জানান, শ্রমখাতে চলমান সংস্কার আরও এগিয়ে নিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ ক্ষেত্রে আইএলওর সহযোগিতাকে গুরুত্ব দিচ্ছে।
বৈঠকে তৈরি পোশাক শিল্পের অগ্রগতি, কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা, অনানুষ্ঠানিক শ্রমবাজারের উন্নয়ন, শ্রমিকদের সামাজিক নিরাপত্তা, দক্ষতা উন্নয়ন, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বৈশ্বিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি তৈরির বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
এছাড়া অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার ও কল্যাণ, নিরাপদ অভিবাসন এবং বিদেশগামী কর্মীদের দক্ষতা বাড়াতে সহযোগিতা জোরদারের বিষয়েও মতবিনিময় করেন দুই পক্ষ।
বৈঠকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান আইএলও মহাপরিচালক।
তিনি বলেন, এই অর্জন আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সক্ষমতা ও গ্রহণযোগ্যতার গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি। একই সঙ্গে অল্প সময়ের মধ্যে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সরকারের অন্যান্য কূটনৈতিক সাফল্যেরও প্রশংসা করেন তিনি।
বৈঠক শেষে উভয় পক্ষই শ্রমখাতের উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়ন এবং শ্রমিকবান্ধব কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার ও আইএলওর সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রত্যয় ব্যক্ত করে।































