ঢাকা ১০:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে নীলফামারীতে জামায়াতের গণসমাবেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, নীলফামারী
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:৩৭:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬
  • / 14

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে নীলফামারীতে জামায়াতের গণসমাবেশ

ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে নীলফামারীতে গণসমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, নীলফামারী জেলা শাখা।

শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে শহরের ডিসির মোড়ে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে জেলা ও উপজেলার নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ দেখা যায়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নীলফামারী জেলা শাখার আমির ও সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তার। তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে যে প্রত্যাশার জন্ম হয়েছে, তা পূরণে দ্রুত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে। অন্যথায় দাবি আদায়ে রাজপথে কর্মসূচি দেওয়া হতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আন্তাজুল ইসলাম বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রামের নতুন প্রেরণা সৃষ্টি করেছে। শহীদদের আত্মত্যাগের যথাযথ মর্যাদা দিতে দ্রুত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবি জানান তিনি।

জেলা সহকারী সেক্রেটারি ও সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আলফারুক আব্দুল লতীফ বলেন, জুলাই আন্দোলন ছিল জনগণের সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। তিনি জুলাই সনদকে রাষ্ট্রীয় ও আইনি কাঠামোর অংশ করার আহ্বান জানান এবং এ বিষয়ে বিলম্ব হলে কঠোর কর্মসূচির ইঙ্গিত দেন।

নীলফামারী-৩ (জলঢাকা) আসনের সংসদ সদস্য ওবায়দুল্লাহ সালাফি বলেন, তরুণদের আত্মত্যাগে যে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে জুলাই সনদের দাবিগুলো দ্রুত কার্যকর করা প্রয়োজন।

নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ আব্দুল মুনতাকিম বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়নের জন্য জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন জরুরি। একই সঙ্গে তিনি সম্ভাব্য সব ধরনের ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় দলীয় নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান।

গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে ডিসির মোড় ও আশপাশের এলাকায় ব্যানার, ফেস্টুন ও স্লোগানে মুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। পরে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়ার মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে নীলফামারীতে জামায়াতের গণসমাবেশ

সর্বশেষ আপডেট ০৮:৩৭:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে নীলফামারীতে গণসমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, নীলফামারী জেলা শাখা।

শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে শহরের ডিসির মোড়ে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে জেলা ও উপজেলার নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ দেখা যায়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নীলফামারী জেলা শাখার আমির ও সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তার। তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে যে প্রত্যাশার জন্ম হয়েছে, তা পূরণে দ্রুত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে। অন্যথায় দাবি আদায়ে রাজপথে কর্মসূচি দেওয়া হতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আন্তাজুল ইসলাম বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রামের নতুন প্রেরণা সৃষ্টি করেছে। শহীদদের আত্মত্যাগের যথাযথ মর্যাদা দিতে দ্রুত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবি জানান তিনি।

জেলা সহকারী সেক্রেটারি ও সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আলফারুক আব্দুল লতীফ বলেন, জুলাই আন্দোলন ছিল জনগণের সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। তিনি জুলাই সনদকে রাষ্ট্রীয় ও আইনি কাঠামোর অংশ করার আহ্বান জানান এবং এ বিষয়ে বিলম্ব হলে কঠোর কর্মসূচির ইঙ্গিত দেন।

নীলফামারী-৩ (জলঢাকা) আসনের সংসদ সদস্য ওবায়দুল্লাহ সালাফি বলেন, তরুণদের আত্মত্যাগে যে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে জুলাই সনদের দাবিগুলো দ্রুত কার্যকর করা প্রয়োজন।

নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ আব্দুল মুনতাকিম বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়নের জন্য জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন জরুরি। একই সঙ্গে তিনি সম্ভাব্য সব ধরনের ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় দলীয় নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান।

গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে ডিসির মোড় ও আশপাশের এলাকায় ব্যানার, ফেস্টুন ও স্লোগানে মুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। পরে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়ার মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি হয়।