ঢাকা ০১:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পানাম নগরীর হারানো সেতু পুনর্নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:৫০:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
  • / 32

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের ঐতিহাসিক পানাম নগরীর প্রবেশ দ্বারে ধ্বংস হয়ে যাওয়া প্রাচীন সেতু পুনরায় নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন ও র‍্যালির আয়োজন করা হয়েছে।

সোনারগাঁয়ের ‘ইতিহাস-ঐতিহ্য ও প্রত্নসম্পদ সংরক্ষণ কমিটি’ শুক্রবার সকালে পানাম নগরীতে এ মানববন্ধন ও র‍্যালি করে।

মানববন্ধনে প্রত্নসম্পদ সংরক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক কবি ও প্রাবন্ধিক শাহেদ কায়েসের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহবায়ক সাংবাদিক ও লেখক মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সাপ্তাহিক সোনারগাঁও পরিক্রমার প্রধান সম্পাদক আরিফুর রহমান, সোনারগাঁয়ের ইতিহাস-ঐতিহ্য ও প্রত্নসম্পদ সংরক্ষণ কমিটির সদস্য সচিব লেখক ও সাংবাদিক রবিউল হুসাইন, যুগ্ম আহ্বায়ক কবি ও সংগঠক রহমান মুজিব, সোনারগাঁও সাহিত্য নিকেতনের সভাপতি আসমা আখতারী, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক কবি মোয়াজ্জেনুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক লেখক মোফাখখার সাগর, উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী সোনারগাঁ শাখার সভাপতি লেখক শংকর প্রকাশ, সাংবাদিক বিল্লাল হোসেন, সুমন আল হাসান ও প্রকৌশলী বাবুল মোল্লা প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, পানাম নগরীর প্রধান প্রবেশদ্বারে একসময় একটি ছোট কিন্তু অত্যন্ত নান্দনিক ও ঐতিহাসিক প্রাচীন সেতু ছিল। এই সেতুটি শুধু যাতায়াতের অবকাঠামোই ছিল না, বরং পানাম নগরীর স্থাপত্যিক সৌন্দর্য ও ঐতিহাসিক পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচিত হতো। ২০০১ সালের পর স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল সেতুটি ভেঙে ফেলায় পানাম নগরী তার গুরুত্বপূর্ণ একটি ঐতিহ্য হারায়।

বক্তারা আরও বলেন, সেতুটির ওপর দাঁড়ালে পানাম নগরীর সারিবদ্ধ প্রাচীন ভবন, চারপাশের প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং ঐতিহাসিক স্থাপত্যের এক অনন্য দৃশ্য একসঙ্গে উপভোগ করা যেত। দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে এটি ছিল অন্যতম আকর্ষণ। সেতুটি ধ্বংস হওয়ার ফলে পানাম নগরীর নান্দনিক সৌন্দর্য ও ঐতিহাসিক পরিবেশেরও অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।

তাঁরা বলেন, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল পানাম নগরীর হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের স্বার্থে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের উদ্যোগে সেতুটি পুরোনো নকশা, নির্মাণশৈলী ও ঐতিহাসিক বৈশিষ্ট্য অক্ষুণ্ন রেখে দ্রুত পুনর্নির্মাণ করা জরুরি। এতে পানাম নগরীর ঐতিহাসিক স্বকীয়তা যেমন পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে, তেমনি পর্যটন আকর্ষণও আরও বৃদ্ধি পাবে। বক্তারা হারিয়ে যাওয়া এই ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সেতুটি আগের নকশা ও আদলে দ্রুত পুনর্নির্মাণের জোর দাবি জানান।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

পানাম নগরীর হারানো সেতু পুনর্নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন

সর্বশেষ আপডেট ০৭:৫০:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের ঐতিহাসিক পানাম নগরীর প্রবেশ দ্বারে ধ্বংস হয়ে যাওয়া প্রাচীন সেতু পুনরায় নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন ও র‍্যালির আয়োজন করা হয়েছে।

সোনারগাঁয়ের ‘ইতিহাস-ঐতিহ্য ও প্রত্নসম্পদ সংরক্ষণ কমিটি’ শুক্রবার সকালে পানাম নগরীতে এ মানববন্ধন ও র‍্যালি করে।

মানববন্ধনে প্রত্নসম্পদ সংরক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক কবি ও প্রাবন্ধিক শাহেদ কায়েসের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহবায়ক সাংবাদিক ও লেখক মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সাপ্তাহিক সোনারগাঁও পরিক্রমার প্রধান সম্পাদক আরিফুর রহমান, সোনারগাঁয়ের ইতিহাস-ঐতিহ্য ও প্রত্নসম্পদ সংরক্ষণ কমিটির সদস্য সচিব লেখক ও সাংবাদিক রবিউল হুসাইন, যুগ্ম আহ্বায়ক কবি ও সংগঠক রহমান মুজিব, সোনারগাঁও সাহিত্য নিকেতনের সভাপতি আসমা আখতারী, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক কবি মোয়াজ্জেনুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক লেখক মোফাখখার সাগর, উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী সোনারগাঁ শাখার সভাপতি লেখক শংকর প্রকাশ, সাংবাদিক বিল্লাল হোসেন, সুমন আল হাসান ও প্রকৌশলী বাবুল মোল্লা প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, পানাম নগরীর প্রধান প্রবেশদ্বারে একসময় একটি ছোট কিন্তু অত্যন্ত নান্দনিক ও ঐতিহাসিক প্রাচীন সেতু ছিল। এই সেতুটি শুধু যাতায়াতের অবকাঠামোই ছিল না, বরং পানাম নগরীর স্থাপত্যিক সৌন্দর্য ও ঐতিহাসিক পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচিত হতো। ২০০১ সালের পর স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল সেতুটি ভেঙে ফেলায় পানাম নগরী তার গুরুত্বপূর্ণ একটি ঐতিহ্য হারায়।

বক্তারা আরও বলেন, সেতুটির ওপর দাঁড়ালে পানাম নগরীর সারিবদ্ধ প্রাচীন ভবন, চারপাশের প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং ঐতিহাসিক স্থাপত্যের এক অনন্য দৃশ্য একসঙ্গে উপভোগ করা যেত। দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে এটি ছিল অন্যতম আকর্ষণ। সেতুটি ধ্বংস হওয়ার ফলে পানাম নগরীর নান্দনিক সৌন্দর্য ও ঐতিহাসিক পরিবেশেরও অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।

তাঁরা বলেন, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল পানাম নগরীর হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের স্বার্থে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের উদ্যোগে সেতুটি পুরোনো নকশা, নির্মাণশৈলী ও ঐতিহাসিক বৈশিষ্ট্য অক্ষুণ্ন রেখে দ্রুত পুনর্নির্মাণ করা জরুরি। এতে পানাম নগরীর ঐতিহাসিক স্বকীয়তা যেমন পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে, তেমনি পর্যটন আকর্ষণও আরও বৃদ্ধি পাবে। বক্তারা হারিয়ে যাওয়া এই ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সেতুটি আগের নকশা ও আদলে দ্রুত পুনর্নির্মাণের জোর দাবি জানান।