ঢাকা ০৩:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মানব ইতিহাসে নতুন রেকর্ড, আর্টেমিস-২ মিশন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:২৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
  • / 86

আর্টেমিস-২ মিশনে যাচ্ছে নাসার বিজ্ঞানীরা

মানব ইতিহাসে নতুন মাইলফলক স্থাপন করেছে নাসার আর্টেমিস-২ মিশন। সোমবার (৬ এপ্রিল) গ্রিনিচ মান সময় ১২:৫৬ মিনিটে মিশনের চার নভোচারী পৃথিবী থেকে ২ লাখ ৪৮ হাজার ৬৫৫ মাইল দূরত্ব অতিক্রম করে ১৯৭০ সালের অ্যাপোলো-১৩র গড়া ৫৬ বছরের পুরোনো রেকর্ড ভেঙেছেন।

নাসার তথ্য অনুযায়ী, ওরিয়ন মহাকাশযানটি সর্বোচ্চ ২ লাখ ৫২ হাজার ৭৫৬ মাইল দূরত্ব অতিক্রম করার পর পৃথিবীর পথে ফেরার যাত্রা শুরু করবে। গত ১ এপ্রিল ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে এসএলএস রকেটে চড়ে যাত্রা শুরু করে এই মিশন।

এই অভিযানে অংশ নিয়েছেন নভোচারী রিড ওয়াইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভার, ক্রিস্টিনা কচ ও জেরেমি হ্যানসেন। রেকর্ড গড়ার পর জেরেমি হ্যানসেন জানান, পূর্বসূরিদের সম্মান জানিয়ে তারা মহাকাশের আরও গভীরে অগ্রসর হচ্ছেন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছেন।

মিশন চলাকালে নভোচারীরা চাঁদের অদেখা ‘ফার সাইড’ সরাসরি পর্যবেক্ষণ করবেন, যা পৃথিবী থেকে কখনো দেখা যায় না। এ সময় প্রায় ৪০ মিনিট যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকবে, পরে ডিপ স্পেস নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পুনরায় যোগাযোগ স্থাপন করা হবে।

এছাড়া তারা মহাকাশ থেকে বিরল সূর্যগ্রহণ প্রত্যক্ষ করবেন এবং উচ্চ-রেজোলিউশনের ক্যামেরায় চাঁদের পৃষ্ঠের নতুন ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করবেন। এসব তথ্য ভবিষ্যতে চাঁদে স্থায়ী ঘাঁটি নির্মাণের পরিকল্পনায় সহায়ক হবে।

নভোচারীরা বর্তমানে তাদের যাত্রার অর্ধেকের বেশি পথ অতিক্রম করেছেন। আগামী ১০ এপ্রিল প্রশান্ত মহাসাগরে অবতরণের পর তাদের উদ্ধার করে ‘ইউএসএস জন পি. মুরথা’তে নেওয়া হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

মানব ইতিহাসে নতুন রেকর্ড, আর্টেমিস-২ মিশন

সর্বশেষ আপডেট ১১:২৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

মানব ইতিহাসে নতুন মাইলফলক স্থাপন করেছে নাসার আর্টেমিস-২ মিশন। সোমবার (৬ এপ্রিল) গ্রিনিচ মান সময় ১২:৫৬ মিনিটে মিশনের চার নভোচারী পৃথিবী থেকে ২ লাখ ৪৮ হাজার ৬৫৫ মাইল দূরত্ব অতিক্রম করে ১৯৭০ সালের অ্যাপোলো-১৩র গড়া ৫৬ বছরের পুরোনো রেকর্ড ভেঙেছেন।

নাসার তথ্য অনুযায়ী, ওরিয়ন মহাকাশযানটি সর্বোচ্চ ২ লাখ ৫২ হাজার ৭৫৬ মাইল দূরত্ব অতিক্রম করার পর পৃথিবীর পথে ফেরার যাত্রা শুরু করবে। গত ১ এপ্রিল ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে এসএলএস রকেটে চড়ে যাত্রা শুরু করে এই মিশন।

এই অভিযানে অংশ নিয়েছেন নভোচারী রিড ওয়াইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভার, ক্রিস্টিনা কচ ও জেরেমি হ্যানসেন। রেকর্ড গড়ার পর জেরেমি হ্যানসেন জানান, পূর্বসূরিদের সম্মান জানিয়ে তারা মহাকাশের আরও গভীরে অগ্রসর হচ্ছেন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছেন।

মিশন চলাকালে নভোচারীরা চাঁদের অদেখা ‘ফার সাইড’ সরাসরি পর্যবেক্ষণ করবেন, যা পৃথিবী থেকে কখনো দেখা যায় না। এ সময় প্রায় ৪০ মিনিট যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকবে, পরে ডিপ স্পেস নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পুনরায় যোগাযোগ স্থাপন করা হবে।

এছাড়া তারা মহাকাশ থেকে বিরল সূর্যগ্রহণ প্রত্যক্ষ করবেন এবং উচ্চ-রেজোলিউশনের ক্যামেরায় চাঁদের পৃষ্ঠের নতুন ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করবেন। এসব তথ্য ভবিষ্যতে চাঁদে স্থায়ী ঘাঁটি নির্মাণের পরিকল্পনায় সহায়ক হবে।

নভোচারীরা বর্তমানে তাদের যাত্রার অর্ধেকের বেশি পথ অতিক্রম করেছেন। আগামী ১০ এপ্রিল প্রশান্ত মহাসাগরে অবতরণের পর তাদের উদ্ধার করে ‘ইউএসএস জন পি. মুরথা’তে নেওয়া হবে।