ঢাকা ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সৈয়দপুরে রেলওয়ের জলাশয় দখলমুক্ত, ৯ স্থাপনা উচ্ছেদ

আরিফুল ইসলাম আরিফ নীলফামারী প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:১২:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
  • / 111

নীলফামারীর সৈয়দপুরে রেলওয়ের জলাশয় ভরাট করে নির্মিত অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ৯টি পাকা ও আধাপাকা ঘরসহ বিভিন্ন স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

নীলফামারীর সৈয়দপুরে রেলওয়ের মালিকানাধীন জলাশয় ভরাট করে গড়ে তোলা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। সোমবার সকালে রেলওয়ে স্টেশনের উত্তর পাশের গোলাহাট এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় অভিযানে নেতৃত্ব দেন রেলওয়ের পাকশী বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শফিকুল ইসলাম। অভিযানে জলাশয়ের ওপর নির্মিত প্রায় ৯টি পাকা ও আধাপাকা বসতঘরসহ অন্যান্য অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

মো. শফিকুল ইসলাম জানান, জলাশয়টি রেলওয়ের নিজস্ব সম্পত্তি। এটি ভরাট করে অবৈধভাবে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছিল। বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশের পর তা প্রধানমন্ত্রী ও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। পরবর্তী নির্দেশনার ভিত্তিতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, রেলওয়ের জায়গা দখলমুক্ত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি দখলকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।

অভিযানে রেলওয়ের কর্মকর্তা, রেলওয়ে পুলিশ, রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী এবং স্থানীয় থানা পুলিশের সদস্যরা অংশ নেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সৈয়দপুরে রেলওয়ের জলাশয় দখলমুক্ত, ৯ স্থাপনা উচ্ছেদ

সর্বশেষ আপডেট ০৮:১২:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

নীলফামারীর সৈয়দপুরে রেলওয়ের জলাশয় ভরাট করে নির্মিত অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ৯টি পাকা ও আধাপাকা ঘরসহ বিভিন্ন স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

নীলফামারীর সৈয়দপুরে রেলওয়ের মালিকানাধীন জলাশয় ভরাট করে গড়ে তোলা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। সোমবার সকালে রেলওয়ে স্টেশনের উত্তর পাশের গোলাহাট এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় অভিযানে নেতৃত্ব দেন রেলওয়ের পাকশী বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শফিকুল ইসলাম। অভিযানে জলাশয়ের ওপর নির্মিত প্রায় ৯টি পাকা ও আধাপাকা বসতঘরসহ অন্যান্য অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

মো. শফিকুল ইসলাম জানান, জলাশয়টি রেলওয়ের নিজস্ব সম্পত্তি। এটি ভরাট করে অবৈধভাবে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছিল। বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশের পর তা প্রধানমন্ত্রী ও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। পরবর্তী নির্দেশনার ভিত্তিতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, রেলওয়ের জায়গা দখলমুক্ত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি দখলকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।

অভিযানে রেলওয়ের কর্মকর্তা, রেলওয়ে পুলিশ, রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী এবং স্থানীয় থানা পুলিশের সদস্যরা অংশ নেন।