সরকারি টাকায় গাড়ি কেনা ও বিদেশ সফরে নিষেধাজ্ঞা
- সর্বশেষ আপডেট ১০:১৫:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬
- / 162
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, সীমিত সম্পদের কার্যকর ব্যবহার এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সরকারি ব্যয় কমানোর নতুন নির্দেশনা জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।
বুধবার (৮ জুলাই) অর্থ বিভাগের জারি করা পরিপত্রে সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান, পাবলিক সেক্টর করপোরেশন, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
পরিপত্র অনুযায়ী, উন্নয়ন ও পরিচালন বাজেটের আওতায় সব ধরনের মোটরযান, জলযান ও আকাশযান কেনা বন্ধ থাকবে। তবে ১০ বছরের বেশি পুরোনো যানবাহন প্রতিস্থাপন এবং নতুন সরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে যানবাহন কেনা যাবে।
অ্যাম্বুলেন্স ও নিরাপত্তা কাজে ব্যবহৃত যান ছাড়া নতুন বা প্রতিস্থাপিত সব জিপ ও কার অবশ্যই ফুল ইলেকট্রিক ভেহিক্যাল (এফইভি) হতে হবে। একই সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি কেনার সুদমুক্ত বিশেষ ঋণ সুবিধাও স্থগিত করা হয়েছে।
সরকারি অর্থায়নে বিদেশ সফর, প্রশিক্ষণ, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও কর্মশালায় অংশগ্রহণও আপাতত বন্ধ থাকবে। তবে বিদেশি সরকার, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা বা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থায়নে প্রশিক্ষণ, স্কলারশিপ, ফেলোশিপ এবং মাস্টার্স ও পিএইচডি শিক্ষার জন্য বিদেশ ভ্রমণে এ নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। বিশেষ ক্ষেত্রে পিএসআই ও এফএটির মতো কারিগরি কার্যক্রমেও বিদেশ সফরের সুযোগ রাখা হয়েছে।
এ ছাড়া পরিচালন বাজেট থেকে নতুন ভবন নির্মাণ, ভূমি অধিগ্রহণ এবং থোক বরাদ্দের অর্থ ব্যয়েও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। তবে ৭০ শতাংশের বেশি অগ্রগতি হওয়া নির্মাণকাজ ও অনুমোদিত উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থ বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে ব্যয়ের সুযোগ থাকবে।
পরিপত্রে সরকারি অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার বা ‘ভ্যালু ফর মানি’ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।






























