ঢাকা ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শক্তিশালী ভূমিকম্প, ইন্দোনেশিয়ায় সুনামি সতর্কতা

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:৩৫:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • / 98

৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলের উত্তর মালুক্কা সাগরে তেরনাতে শহরের উপকূলে। এর পরপরই আশপাশের দ্বীপগুলোতে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) এ তথ্য নিশ্চিত করেছন ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস)। সংস্থাটি জানায়, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৩৫ কিলোমিটার গভীরে।প্রাথমিকভাবে কম্পনের মাত্রা ৭.৮ ধরা হলেও পরে তা সংশোধন করে ৭.৪ নির্ধারণ করা হয়।

ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল টারনাটে শহর থেকে প্রায় ১২০ কিলোমিটার দূরে, উত্তর মালুক্কা প্রদেশের উপকূলীয় এলাকায় তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় প্রশাসন টারনাটে ও টিডোরসহ আশপাশের এলাকায় নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দিয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে কিছু ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ছবিও প্রচার করা হয়েছে।

প্যাসিফিক সুনামি সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, ভূমিকম্পের কেন্দ্র থেকে এক হাজার কিলোমিটার এলাকার মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন ও মালয়েশিয়ার উপকূলে বিপজ্জনক সুনামি ঢেউ আঘাত হানতে পারে।

ইন্দোনেশিয়ার কিছু উপকূলীয় এলাকায় ০.৩ থেকে ১ মিটার উচ্চতার ঢেউ আঘাত হানার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া গুয়াম, জাপান, মালয়েশিয়া, পাপুয়া নিউগিনি, ফিলিপাইন ও তাইওয়ানের উপকূলে ০.৩ মিটারের কম উচ্চতার ঢেউ দেখা যেতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

তবে ভূমিকম্প আঘাত হানার প্রায় দুই ঘণ্টা পর সুনামি সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়েছে। হাওয়াইভিত্তিক প্যাসিফিক সুনামি ওয়ার্নিং সেন্টার জানায়, সব তথ্য বিবেচনায় ভূমিকম্প থেকে সৃষ্ট সুনামির ঝুঁকি এখন আর নেই।

খবর: আল-জাজিরা

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

শক্তিশালী ভূমিকম্প, ইন্দোনেশিয়ায় সুনামি সতর্কতা

সর্বশেষ আপডেট ১১:৩৫:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলের উত্তর মালুক্কা সাগরে তেরনাতে শহরের উপকূলে। এর পরপরই আশপাশের দ্বীপগুলোতে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) এ তথ্য নিশ্চিত করেছন ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস)। সংস্থাটি জানায়, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৩৫ কিলোমিটার গভীরে।প্রাথমিকভাবে কম্পনের মাত্রা ৭.৮ ধরা হলেও পরে তা সংশোধন করে ৭.৪ নির্ধারণ করা হয়।

ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল টারনাটে শহর থেকে প্রায় ১২০ কিলোমিটার দূরে, উত্তর মালুক্কা প্রদেশের উপকূলীয় এলাকায় তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় প্রশাসন টারনাটে ও টিডোরসহ আশপাশের এলাকায় নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দিয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে কিছু ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ছবিও প্রচার করা হয়েছে।

প্যাসিফিক সুনামি সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, ভূমিকম্পের কেন্দ্র থেকে এক হাজার কিলোমিটার এলাকার মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন ও মালয়েশিয়ার উপকূলে বিপজ্জনক সুনামি ঢেউ আঘাত হানতে পারে।

ইন্দোনেশিয়ার কিছু উপকূলীয় এলাকায় ০.৩ থেকে ১ মিটার উচ্চতার ঢেউ আঘাত হানার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া গুয়াম, জাপান, মালয়েশিয়া, পাপুয়া নিউগিনি, ফিলিপাইন ও তাইওয়ানের উপকূলে ০.৩ মিটারের কম উচ্চতার ঢেউ দেখা যেতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

তবে ভূমিকম্প আঘাত হানার প্রায় দুই ঘণ্টা পর সুনামি সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়েছে। হাওয়াইভিত্তিক প্যাসিফিক সুনামি ওয়ার্নিং সেন্টার জানায়, সব তথ্য বিবেচনায় ভূমিকম্প থেকে সৃষ্ট সুনামির ঝুঁকি এখন আর নেই।

খবর: আল-জাজিরা