ঢাকা ০৯:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টুথপেস্ট পরীক্ষা করবে বিএসটিআই

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:৩৪:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • / 16

বিএসটিআই

টুথপেস্টের নমুনায় মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতির অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়ে বাজার ও কারখানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পুনরায় পরীক্ষার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)।

পরীক্ষায় অভিযোগের সত্যতা মিললে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ারও ঘোষণা দিয়েছে সংস্থাটি।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএসটিআই জানায়, সাম্প্রতিক এক বেসরকারি গবেষণায় ৩৪টি টুথপেস্টের মধ্যে ২৬টিতে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতির তথ্য প্রকাশের পর বিষয়টি জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশগত দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

বিএসটিআই জানিয়েছে, দেশি-বিদেশি স্বীকৃত পরীক্ষাগারে নমুনা পরীক্ষা করা হবে। কোনো পণ্যে অনুমোদনহীন উপাদান বা মান লঙ্ঘনের প্রমাণ মিললে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংস্থাটি বলেছে, শুধু প্লাস্টিকজাত কণা শনাক্ত হওয়াই প্রমাণ করে না যে তা ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যবহার করা হয়েছে বা সেটি মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এ বিষয়ে কণার উৎস, ধরন, পরিমাণ ও সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে আরও বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ প্রয়োজন।

এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রতিষ্ঠানের কাছে গবেষণার পূর্ণাঙ্গ তথ্য, পরীক্ষার পদ্ধতি ও উপাত্ত চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি উৎপাদনকারী ও আমদানিকারকদের কাছ থেকেও কাঁচামাল, উপাদান এবং সিনথেটিক পলিমার ব্যবহারের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

বিএসটিআই আরও জানিয়েছে, বিশেষজ্ঞ, দন্ত চিকিৎসক, গবেষক, পরিবেশ অধিদফতর, ঔষধ প্রশাসন, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও ভোক্তা প্রতিনিধিদের নিয়ে টুথপেস্টের বিদ্যমান মানদণ্ড পর্যালোচনার কাজ শুরু হয়েছে। প্রয়োজনীয় বৈজ্ঞানিক প্রমাণ মিললে টুথপেস্টে প্লাস্টিক মাইক্রোবিড ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ, উপাদান প্রকাশ বাধ্যতামূলক করা এবং পরীক্ষার মানদণ্ড হালনাগাদ করা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

টুথপেস্ট পরীক্ষা করবে বিএসটিআই

সর্বশেষ আপডেট ০৭:৩৪:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

টুথপেস্টের নমুনায় মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতির অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়ে বাজার ও কারখানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পুনরায় পরীক্ষার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)।

পরীক্ষায় অভিযোগের সত্যতা মিললে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ারও ঘোষণা দিয়েছে সংস্থাটি।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএসটিআই জানায়, সাম্প্রতিক এক বেসরকারি গবেষণায় ৩৪টি টুথপেস্টের মধ্যে ২৬টিতে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতির তথ্য প্রকাশের পর বিষয়টি জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশগত দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

বিএসটিআই জানিয়েছে, দেশি-বিদেশি স্বীকৃত পরীক্ষাগারে নমুনা পরীক্ষা করা হবে। কোনো পণ্যে অনুমোদনহীন উপাদান বা মান লঙ্ঘনের প্রমাণ মিললে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংস্থাটি বলেছে, শুধু প্লাস্টিকজাত কণা শনাক্ত হওয়াই প্রমাণ করে না যে তা ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যবহার করা হয়েছে বা সেটি মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এ বিষয়ে কণার উৎস, ধরন, পরিমাণ ও সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে আরও বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ প্রয়োজন।

এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রতিষ্ঠানের কাছে গবেষণার পূর্ণাঙ্গ তথ্য, পরীক্ষার পদ্ধতি ও উপাত্ত চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি উৎপাদনকারী ও আমদানিকারকদের কাছ থেকেও কাঁচামাল, উপাদান এবং সিনথেটিক পলিমার ব্যবহারের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

বিএসটিআই আরও জানিয়েছে, বিশেষজ্ঞ, দন্ত চিকিৎসক, গবেষক, পরিবেশ অধিদফতর, ঔষধ প্রশাসন, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও ভোক্তা প্রতিনিধিদের নিয়ে টুথপেস্টের বিদ্যমান মানদণ্ড পর্যালোচনার কাজ শুরু হয়েছে। প্রয়োজনীয় বৈজ্ঞানিক প্রমাণ মিললে টুথপেস্টে প্লাস্টিক মাইক্রোবিড ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ, উপাদান প্রকাশ বাধ্যতামূলক করা এবং পরীক্ষার মানদণ্ড হালনাগাদ করা হবে।