জিয়াউলের বিরুদ্ধে সাবেক সেনা কর্মকর্তার সাক্ষ্য
- সর্বশেষ আপডেট ০৩:৩৫:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 9
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ সাবেক র্যাব কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে চলমান গুমের মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সাব্বির। বৃহস্পতিবার মামলার ১১তম সাক্ষী হিসেবে তিনি ২০১০ ও ২০১১ সালের কয়েকটি হত্যাকাণ্ড ও গুমের বিষয়ে আদালতে বর্ণনা দেন।
সাক্ষ্যে মেজর সাব্বির দাবি করেন, ২০১০ সালের মে মাসে বিডিআর হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী নজরুল ইসলামসহ চারজনকে পাথরঘাটার চরদুয়ানি এলাকায় একটি ট্রলারে নিয়ে হত্যা করা হয়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, তাদের চোখ ও শরীর ঢেকে বলেশ্বর নদীতে নিয়ে গুলি করা হয়। পরে মরদেহে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় জিয়াউল আহসানের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও তিনি আদালতে তুলে ধরেন।
মেজর সাব্বির আরও জানান, ২০১১ সালে জিয়াউল আহসানের কথিত ‘গলফ অপারেশনে’ ব্যবহৃত ট্রলারগুলোর এক মাঝি আলকাসকেও গুম করে হত্যা করা হয় বলে তিনি জানতে পারেন। এ মামলায় এর আগে সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া এবং সেনা ও র্যাবের কয়েকজন কর্মকর্তা সাক্ষ্য দিয়েছেন।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের বিচার চলছে। এর আগে জুলাইয়ে সাবেক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মনিরুল হকও ট্রাইব্যুনালে জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সাক্ষ্য দিয়েছিলেন।
মামলায় পরবর্তী সময়ে তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য নেওয়া হবে। এরপর যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের মাধ্যমে বিচারিক কার্যক্রম শেষ পর্যায়ে যাবে। চলমান গুমের মামলাগুলোর মধ্যে এটিই প্রথম মামলা, যেটির বিচার কার্যক্রম ১৬ বছর পর চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।





























