বেনজীরের বিরুদ্ধে মামলায় ৮ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ
- সর্বশেষ আপডেট ০৪:৪২:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
- / 110
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ১১ কোটি টাকার বেশি সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে চলমান মামলায় আরও চারজন সাক্ষ্য দিয়েছেন। এ নিয়ে মামলাটিতে মোট আটজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।
সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ–এর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় মোট আটজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫–এ বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে চারজন সাক্ষ্য দেন। মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১ জুলাই দিন ধার্য করা হয়েছে।
দুদকের প্রসিকিউটর মীর আহমেদ আলী সালাম জানান, গত ২০ মে চারজন সাক্ষ্য দেওয়ার পর মঙ্গলবার আরও চারজনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। মামলাটিতে মোট ২৮ জন সাক্ষী রয়েছেন। অভিযোগ গঠনের পর থেকে এখন পর্যন্ত আটজনের সাক্ষ্য রেকর্ড করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সাক্ষ্য দেন নরসিংদী কর কমিশনার কার্যালয়ের প্রধান সহকারী মো. সোহেল মিয়া, সোনারগাঁও সাব-রেজিস্ট্রার মো. রিয়াজুল ইসলাম, গণপূর্ত বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আসেফ আয়নান বখস এবং দুদকের উপপরিচালক সিরাজুল হক।
এর আগে গত ৩ মে আদালত অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে মামলার বিচার শুরুর আদেশ দেন। দুদকের উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর মামলাটি দায়ের করেন। পরে তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, বেনজীর আহমেদ তার সম্পদ বিবরণীতে ৬ কোটি ৪৫ লাখ টাকার স্থাবর এবং ৫ কোটি ৭৪ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য দেন। তবে তদন্তে তার নামে ৭ কোটি ৫২ লাখ টাকার স্থাবর ও ৮ কোটি ১৫ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদের প্রমাণ পাওয়া যায়। এতে মোট ১৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য উঠে আসে।
তদন্তে তার বৈধ আয়ের উৎস হিসেবে ৬ কোটি ৫৯ লাখ টাকার তথ্য পাওয়া গেলেও ব্যয় বাদে নিট সঞ্চয় দাঁড়ায় ৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। ফলে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ১১ কোটি ৪ লাখ টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়।
অবৈধ সম্পদ অর্জনের এই মামলার বাইরে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে আরও পাঁচটি মামলা রয়েছে। এসব মামলার মধ্যে অর্থ পাচার, পাসপোর্ট জালিয়াতি এবং পরিবারের সদস্যদের নামে সম্পদ অর্জনের অভিযোগও রয়েছে। এসব মামলার তদন্ত কার্যক্রম এখনও চলমান।
বেনজীর আহমেদ ২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি বাংলাদেশ পুলিশ–এর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
































