ঢাকা ১০:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উত্তরাঞ্চলে ক্যানসার চিকিৎসার সক্ষমতা বাড়বে: জাহিদ

সিনিয়র প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:০৫:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
  • / 52

উত্তরাঞ্চলে ক্যানসার চিকিৎসার সক্ষমতা বাড়বে: জাহিদ

উত্তরাঞ্চলের প্রান্তিক মানুষের ক্যানসার চিকিৎসা ও সেবার সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে খুরশীদ জাহান হক ইনস্টিটিউট অব ক্যান্সার রিসার্চ অ্যান্ড হসপিটাল। প্রতিষ্ঠানটি চিকিৎসার পাশাপাশি সচেতনতা ও স্ক্রিনিং কার্যক্রমেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টায় দিনাজপুরের জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালের তৃতীয় তলার সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ স্তন ক্যান্সার সচেতনতা ফোরামের মাসব্যাপী সচেতনতা ও স্ক্রিনিং কর্মসূচির সমাপনী এবং বৈজ্ঞানিক অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বাংলাদেশ স্তন ক্যান্সার সচেতনতা ফোরামের দীর্ঘদিনের কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং সরকারি পর্যায় থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, ফোরামের কার্যক্রমের পাশাপাশি বাস্তবায়নাধীন খুরশীদ জাহান হক ইনস্টিটিউট উত্তরাঞ্চলের প্রান্তিক মানুষের চিকিৎসাসেবায় নতুন সক্ষমতা তৈরি করবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ মো. আখতারুজ্জামান মিয়া এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ স্তন ক্যান্সার সচেতনতা ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান সমন্বয়কারী এবং ইনস্টিটিউটটির অবৈতনিক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন।

জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ধাপে ধাপে গড়ে উঠছে খুরশীদ জাহান হক ইনস্টিটিউট অব ক্যান্সার রিসার্চ অ্যান্ড হসপিটাল। অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ডা. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন ফোরামের মাসব্যাপী কর্মসূচির সচিত্র প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। তিনি জানান, এখন থেকে প্রতি মাসে দেশের একটি জেলায় দিনাজপুরের মতো সব উপজেলায় সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

তিনি আরও জানান, ইনস্টিটিউটটির অস্থায়ী ভবনে ইতোমধ্যে বহির্বিভাগ চালু হয়েছে। সেখানে দুজন মেডিকেল অফিসার ও একজন অনকোলজিস্ট প্রতিদিন ক্যানসার রোগী দেখছেন। বাছাই করা রোগীদের জন্য পরদিন থেকে ডে-কেয়ার সেন্টারে কেমোথেরাপি দেওয়া শুরু হবে। আগামী তিন মাসের মধ্যে ইনডোর সুবিধাসহ হাসপাতালটি ৩০ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

হাসপাতালের নিজস্ব জমিতে রেডিওথেরাপির বাংকারসহ ভবন নির্মাণ এবং প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কেনার অর্থায়ন চেয়ে সরকারের কাছে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, অক্টোবরজুড়ে বাংলাদেশ স্তন ক্যান্সার সচেতনতা ফোরাম ও সহযোগী সংগঠনগুলো ঢাকা এবং দেশের বিভিন্ন এলাকায় আলোচনা সভা, পথসভা, গোলাপি সড়ক শোভাযাত্রা ও সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করেছে। ২৯ ও ৩০ অক্টোবর দিনাজপুরের প্রতিটি উপজেলায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

অনুষ্ঠানে ইনস্টিটিউটটির সহসভাপতি একেএম আজাদও বক্তব্য দেন। পরে অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালের নবনির্মিত কেবিন ব্লকের ফলক উন্মোচন করেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

উত্তরাঞ্চলে ক্যানসার চিকিৎসার সক্ষমতা বাড়বে: জাহিদ

সর্বশেষ আপডেট ০৮:০৫:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

উত্তরাঞ্চলের প্রান্তিক মানুষের ক্যানসার চিকিৎসা ও সেবার সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে খুরশীদ জাহান হক ইনস্টিটিউট অব ক্যান্সার রিসার্চ অ্যান্ড হসপিটাল। প্রতিষ্ঠানটি চিকিৎসার পাশাপাশি সচেতনতা ও স্ক্রিনিং কার্যক্রমেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টায় দিনাজপুরের জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালের তৃতীয় তলার সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ স্তন ক্যান্সার সচেতনতা ফোরামের মাসব্যাপী সচেতনতা ও স্ক্রিনিং কর্মসূচির সমাপনী এবং বৈজ্ঞানিক অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বাংলাদেশ স্তন ক্যান্সার সচেতনতা ফোরামের দীর্ঘদিনের কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং সরকারি পর্যায় থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, ফোরামের কার্যক্রমের পাশাপাশি বাস্তবায়নাধীন খুরশীদ জাহান হক ইনস্টিটিউট উত্তরাঞ্চলের প্রান্তিক মানুষের চিকিৎসাসেবায় নতুন সক্ষমতা তৈরি করবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ মো. আখতারুজ্জামান মিয়া এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ স্তন ক্যান্সার সচেতনতা ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান সমন্বয়কারী এবং ইনস্টিটিউটটির অবৈতনিক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন।

জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ধাপে ধাপে গড়ে উঠছে খুরশীদ জাহান হক ইনস্টিটিউট অব ক্যান্সার রিসার্চ অ্যান্ড হসপিটাল। অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ডা. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন ফোরামের মাসব্যাপী কর্মসূচির সচিত্র প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। তিনি জানান, এখন থেকে প্রতি মাসে দেশের একটি জেলায় দিনাজপুরের মতো সব উপজেলায় সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

তিনি আরও জানান, ইনস্টিটিউটটির অস্থায়ী ভবনে ইতোমধ্যে বহির্বিভাগ চালু হয়েছে। সেখানে দুজন মেডিকেল অফিসার ও একজন অনকোলজিস্ট প্রতিদিন ক্যানসার রোগী দেখছেন। বাছাই করা রোগীদের জন্য পরদিন থেকে ডে-কেয়ার সেন্টারে কেমোথেরাপি দেওয়া শুরু হবে। আগামী তিন মাসের মধ্যে ইনডোর সুবিধাসহ হাসপাতালটি ৩০ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

হাসপাতালের নিজস্ব জমিতে রেডিওথেরাপির বাংকারসহ ভবন নির্মাণ এবং প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কেনার অর্থায়ন চেয়ে সরকারের কাছে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, অক্টোবরজুড়ে বাংলাদেশ স্তন ক্যান্সার সচেতনতা ফোরাম ও সহযোগী সংগঠনগুলো ঢাকা এবং দেশের বিভিন্ন এলাকায় আলোচনা সভা, পথসভা, গোলাপি সড়ক শোভাযাত্রা ও সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করেছে। ২৯ ও ৩০ অক্টোবর দিনাজপুরের প্রতিটি উপজেলায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

অনুষ্ঠানে ইনস্টিটিউটটির সহসভাপতি একেএম আজাদও বক্তব্য দেন। পরে অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালের নবনির্মিত কেবিন ব্লকের ফলক উন্মোচন করেন।