ঢাকা ০৫:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কৃষিমন্ত্রী হিসেবে বকুলকে চান রায়পুরাবাসী

বশির আহম্মদ মোল্লা, নরসিংদী
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:০৫:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
  • / 102

নেতা-কর্মীদের সাথে নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল। (ফাইল ছবি)

নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুলকে কৃষিমন্ত্রী করার দাবিতে সরব হয়েছেন স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ দাবিকে ঘিরে চলছে আলোচনা। কেউ কেউ তার জন্য দোয়া, নামাজ ও মানতের কথাও প্রকাশ করছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের দাবি, বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল দায়িত্ব নেওয়ার পর রায়পুরায় নানা পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছেন। অবৈধ বালু উত্তোলন, চাঁদাবাজি, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কারণে তিনি স্থানীয়দের মধ্যে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছেন বলে দাবি করছেন সমর্থকরা।

স্থানীয়দের ভাষ্য, রায়পুরার চরাঞ্চলে দীর্ঘদিনের বিরোধ ও সংঘাত নিরসনে তার উদ্যোগ এলাকায় শান্তি ফেরাতে ভূমিকা রেখেছে। পাশাপাশি উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, বাজেট বরাদ্দ, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টার কারণে তিনি আলোচনায় এসেছেন।

সমর্থকদের দাবি, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল জাতীয় সংসদে এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় তুলে ধরে আসছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা এবং সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত থাকার কারণেও তিনি প্রশংসা পাচ্ছেন।

দলীয় সূত্র ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় তিনি তৃণমূল নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছেন। বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডেও যুক্ত ছিলেন তিনি।

এদিকে রায়পুরার চরাঞ্চলে দীর্ঘদিনের বিরোধ নিরসন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে তার ভূমিকার প্রশংসা করছেন স্থানীয়রা। সমর্থকদের দাবি, তার উদ্যোগে সংঘাতপূর্ণ এলাকাগুলোতে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরেছে এবং সাধারণ মানুষ নিরাপদ বোধ করছেন।

সম্প্রতি চর-রায়পুরা নতুন থানার কার্যক্রম আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে নতুন থানা কার্যালয়ের স্থান পরিদর্শন করেন ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল। এ সময় তিনি জানান, স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত অস্থায়ী কার্যালয় থেকেই থানার প্রশাসনিক ও আইনশৃঙ্খলা কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

জানা গেছে, চর-রায়পুরা থানার জন্য ১১৩ জন জনবল এবং ছয়টি সরকারি যানবাহন অনুমোদন করা হয়েছে। স্থানীয়দের আশা, নতুন থানা কার্যক্রম চালু হলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে এবং জনগণ দ্রুত পুলিশি সেবা পাবেন।

Tag :

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কৃষিমন্ত্রী হিসেবে বকুলকে চান রায়পুরাবাসী

সর্বশেষ আপডেট ০৬:০৫:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুলকে কৃষিমন্ত্রী করার দাবিতে সরব হয়েছেন স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ দাবিকে ঘিরে চলছে আলোচনা। কেউ কেউ তার জন্য দোয়া, নামাজ ও মানতের কথাও প্রকাশ করছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের দাবি, বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল দায়িত্ব নেওয়ার পর রায়পুরায় নানা পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছেন। অবৈধ বালু উত্তোলন, চাঁদাবাজি, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কারণে তিনি স্থানীয়দের মধ্যে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছেন বলে দাবি করছেন সমর্থকরা।

স্থানীয়দের ভাষ্য, রায়পুরার চরাঞ্চলে দীর্ঘদিনের বিরোধ ও সংঘাত নিরসনে তার উদ্যোগ এলাকায় শান্তি ফেরাতে ভূমিকা রেখেছে। পাশাপাশি উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, বাজেট বরাদ্দ, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টার কারণে তিনি আলোচনায় এসেছেন।

সমর্থকদের দাবি, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল জাতীয় সংসদে এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় তুলে ধরে আসছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা এবং সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত থাকার কারণেও তিনি প্রশংসা পাচ্ছেন।

দলীয় সূত্র ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় তিনি তৃণমূল নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছেন। বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডেও যুক্ত ছিলেন তিনি।

এদিকে রায়পুরার চরাঞ্চলে দীর্ঘদিনের বিরোধ নিরসন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে তার ভূমিকার প্রশংসা করছেন স্থানীয়রা। সমর্থকদের দাবি, তার উদ্যোগে সংঘাতপূর্ণ এলাকাগুলোতে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরেছে এবং সাধারণ মানুষ নিরাপদ বোধ করছেন।

সম্প্রতি চর-রায়পুরা নতুন থানার কার্যক্রম আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে নতুন থানা কার্যালয়ের স্থান পরিদর্শন করেন ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল। এ সময় তিনি জানান, স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত অস্থায়ী কার্যালয় থেকেই থানার প্রশাসনিক ও আইনশৃঙ্খলা কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

জানা গেছে, চর-রায়পুরা থানার জন্য ১১৩ জন জনবল এবং ছয়টি সরকারি যানবাহন অনুমোদন করা হয়েছে। স্থানীয়দের আশা, নতুন থানা কার্যক্রম চালু হলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে এবং জনগণ দ্রুত পুলিশি সেবা পাবেন।