ঢাকা ০১:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইউরোপজুড়ে দাবানলের তাণ্ডব, নিহত ৩ দমকলকর্মী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:৫৪:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • / 8

ইউরোপজুড়ে দাবানলের তাণ্ডব, নিহত ৩ দমকলকর্মী

ইউরোপজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ ও প্রবল বাতাসের মধ্যে ভয়াবহ দাবানল আরও ছড়িয়ে পড়েছে। গ্রিস, স্পেন ও ফ্রান্সের বিভিন্ন এলাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খাচ্ছেন দমকলকর্মীরা। এরই মধ্যে গ্রিসে আগুন নেভানোর অভিযানে তিনজন দমকলকর্মীর মৃত্যু হয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার (৩০ জুলাই) গ্রিসের ক্রিট দ্বীপ ও মূল ভূখণ্ডে দাবানল ভয়াবহ রূপ নেয়। প্রবল বাতাসের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় বহু এলাকা থেকে বাসিন্দা ও পর্যটকদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

গ্রিসের দমকল বিভাগের এক মুখপাত্র জানান, ক্রিট দ্বীপের ক্রিয়া ভ্রিসি গ্রামের কাছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করার সময় দুটি দাবানলের মাঝখানে আটকা পড়ে দুই দমকলকর্মী নিহত হন। একই দিন দেশটির পেলোপনেস অঞ্চলের আরেকটি দাবানলে দায়িত্ব পালনকালে আরও এক দমকলকর্মীর মৃত্যু হয়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, প্রবল বাতাসের কারণে জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্রগুলোর কাছেও আগুন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। স্থানীয় বাসিন্দা ক্রিসা জিউকাকি বলেন, বাতাস এতটাই তীব্র ছিল যে দাঁড়িয়ে থাকাও কঠিন হয়ে পড়েছিল। বিশাল আগুনের শিখা পুরো এলাকাকে আতঙ্কিত করে তোলে।

দাবানল দক্ষিণ-পূর্ব দিকে উপকূলীয় শহর আগিয়া গালিনির দিকে ছড়িয়ে পড়লে সেখানকার হোটেলগুলো থেকে পর্যটকদের বাস ও ব্যক্তিগত গাড়িতে করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের জরুরি সাড়া কেন্দ্র সতর্ক করে জানিয়েছে, আগামী কয়েক সপ্তাহে গ্রিস ও ইতালিতে দাবানলের ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে দীর্ঘস্থায়ী তাপপ্রবাহ ও খরা বাড়ছে, যা দাবানলকে আরও ভয়াবহ করে তুলছে।

স্পেনে গত কয়েক দিন ধরে চলা দাবানলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জামোরা প্রদেশে নতুন করে দাবানল ছড়িয়ে পড়ায় অন্তত ছয়টি শহরের বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আরও প্রায় এক হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে অবস্থান করতে বলা হয়েছে।

স্পেনের আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, বুধবার অন্তত ছয়টি অঞ্চলে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে। এ কারণে এসব এলাকায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

স্পেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফার্নান্দো গ্রান্দে-মারলাস্কা সতর্ক করে বলেছেন, সামনে আরও ‘তিনটি কঠিন দিন’ অপেক্ষা করছে। কারণ উচ্চ তাপমাত্রার পাশাপাশি প্রবল বাতাস আগুন আরও ছড়িয়ে দিতে পারে।

অন্যদিকে ফ্রান্সের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলেও দাবানলের তীব্রতা অব্যাহত রয়েছে। দেশটির আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, কিছু এলাকায় তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে। শুষ্ক আবহাওয়া ও দমকা হাওয়া আগুনের বিস্তার আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

যদিও মঙ্গলবার রাতে বোর্দোর পশ্চিমাঞ্চলের বড় একটি দাবানল আংশিক নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন দমকলকর্মীরা। পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় বোর্দো বিমানবন্দর, ট্রাম চলাচল ও বেশ কয়েকটি হোটেল পুনরায় চালু করা হয়েছে।

তবে ফরাসি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সংকট এখনো কাটেনি। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি এলাকায় নতুন করে আগুন জ্বলে উঠলেও দমকলকর্মীরা তা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছেন। একই সঙ্গে নতুন করে আগুন ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে ট্রাক, পানিবাহী পাইপলাইন ও আকাশপথ থেকে পানি ছিটিয়ে অভিযান চালানো হচ্ছে।

ফ্রান্সের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের লঁদ এলাকায় দাবানলে প্রায় ৪২ হাজার হেক্টর পাইন বন ধ্বংস হয়েছে। আগুন আটলান্টিক উপকূলের ক্যাপ ফেরে উপদ্বীপ পর্যন্ত পৌঁছে গেলে প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। পরে পরিস্থিতির উন্নতি হলে প্রায় ৬০ হাজার মানুষকে বাড়ি ফিরতে দেওয়া হয়েছে।

দাবানলে ক্ষতিগ্রস্ত বিসকারোস শহরের বাসিন্দা ১৮ বছর বয়সী রাফায়েল ফোহানো বলেন, মাত্র এক ঘণ্টা আগে যে বাড়িতে ছিলেন, ফিরে এসে দেখেন সেখানে আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। আগুন ছড়িয়ে পড়ার সময় তার বাবা-মা ও বোনকে হেলিকপ্টারে করে উদ্ধার করা হয়।

ফ্রান্সের আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বজ্রঝড়, তাপমাত্রা হ্রাস এবং বাতাসে আর্দ্রতা বাড়ার ফলে দাবানলের ঝুঁকি কিছুটা কমতে পারে। তবে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ঝুঁকি এখনও অনেক বেশি থাকবে।

এদিকে দাবানলকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে ফরাসি পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে চুরি এবং ভুয়া পরিচয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।

স্পেনের পূর্বাঞ্চলের কাস্তেইয়োন প্রদেশেও দাবানল এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। সেখানে ১০ হাজার হেক্টরের বেশি এলাকা পুড়ে গেছে এবং প্রায় ১০ হাজার মানুষ এখনো বাড়িতে ফিরতে পারেননি।

দাবানলে বনাঞ্চলের পাশাপাশি বন্যপ্রাণীরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। স্পেনের আভিলা অঞ্চলে রয়টার্সের ড্রোনে ধারণ করা ভিডিওতে আগুনে পুড়ে মারা যাওয়া হরিণের দেহ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, এমন ধ্বংসযজ্ঞ তারা আগে কখনো দেখেননি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ইউরোপে তাপপ্রবাহ ও দাবানলের ঘটনা ক্রমেই বাড়ছে। এতে শুধু বনভূমি নয়, মানুষের জীবন, জীবিকা, পরিবহন ব্যবস্থা এবং জীববৈচিত্র্যও মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ইউরোপজুড়ে দাবানলের তাণ্ডব, নিহত ৩ দমকলকর্মী

সর্বশেষ আপডেট ১২:৫৪:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

ইউরোপজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ ও প্রবল বাতাসের মধ্যে ভয়াবহ দাবানল আরও ছড়িয়ে পড়েছে। গ্রিস, স্পেন ও ফ্রান্সের বিভিন্ন এলাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খাচ্ছেন দমকলকর্মীরা। এরই মধ্যে গ্রিসে আগুন নেভানোর অভিযানে তিনজন দমকলকর্মীর মৃত্যু হয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার (৩০ জুলাই) গ্রিসের ক্রিট দ্বীপ ও মূল ভূখণ্ডে দাবানল ভয়াবহ রূপ নেয়। প্রবল বাতাসের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় বহু এলাকা থেকে বাসিন্দা ও পর্যটকদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

গ্রিসের দমকল বিভাগের এক মুখপাত্র জানান, ক্রিট দ্বীপের ক্রিয়া ভ্রিসি গ্রামের কাছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করার সময় দুটি দাবানলের মাঝখানে আটকা পড়ে দুই দমকলকর্মী নিহত হন। একই দিন দেশটির পেলোপনেস অঞ্চলের আরেকটি দাবানলে দায়িত্ব পালনকালে আরও এক দমকলকর্মীর মৃত্যু হয়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, প্রবল বাতাসের কারণে জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্রগুলোর কাছেও আগুন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। স্থানীয় বাসিন্দা ক্রিসা জিউকাকি বলেন, বাতাস এতটাই তীব্র ছিল যে দাঁড়িয়ে থাকাও কঠিন হয়ে পড়েছিল। বিশাল আগুনের শিখা পুরো এলাকাকে আতঙ্কিত করে তোলে।

দাবানল দক্ষিণ-পূর্ব দিকে উপকূলীয় শহর আগিয়া গালিনির দিকে ছড়িয়ে পড়লে সেখানকার হোটেলগুলো থেকে পর্যটকদের বাস ও ব্যক্তিগত গাড়িতে করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের জরুরি সাড়া কেন্দ্র সতর্ক করে জানিয়েছে, আগামী কয়েক সপ্তাহে গ্রিস ও ইতালিতে দাবানলের ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে দীর্ঘস্থায়ী তাপপ্রবাহ ও খরা বাড়ছে, যা দাবানলকে আরও ভয়াবহ করে তুলছে।

স্পেনে গত কয়েক দিন ধরে চলা দাবানলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জামোরা প্রদেশে নতুন করে দাবানল ছড়িয়ে পড়ায় অন্তত ছয়টি শহরের বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আরও প্রায় এক হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে অবস্থান করতে বলা হয়েছে।

স্পেনের আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, বুধবার অন্তত ছয়টি অঞ্চলে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে। এ কারণে এসব এলাকায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

স্পেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফার্নান্দো গ্রান্দে-মারলাস্কা সতর্ক করে বলেছেন, সামনে আরও ‘তিনটি কঠিন দিন’ অপেক্ষা করছে। কারণ উচ্চ তাপমাত্রার পাশাপাশি প্রবল বাতাস আগুন আরও ছড়িয়ে দিতে পারে।

অন্যদিকে ফ্রান্সের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলেও দাবানলের তীব্রতা অব্যাহত রয়েছে। দেশটির আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, কিছু এলাকায় তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে। শুষ্ক আবহাওয়া ও দমকা হাওয়া আগুনের বিস্তার আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

যদিও মঙ্গলবার রাতে বোর্দোর পশ্চিমাঞ্চলের বড় একটি দাবানল আংশিক নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন দমকলকর্মীরা। পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় বোর্দো বিমানবন্দর, ট্রাম চলাচল ও বেশ কয়েকটি হোটেল পুনরায় চালু করা হয়েছে।

তবে ফরাসি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সংকট এখনো কাটেনি। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি এলাকায় নতুন করে আগুন জ্বলে উঠলেও দমকলকর্মীরা তা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছেন। একই সঙ্গে নতুন করে আগুন ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে ট্রাক, পানিবাহী পাইপলাইন ও আকাশপথ থেকে পানি ছিটিয়ে অভিযান চালানো হচ্ছে।

ফ্রান্সের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের লঁদ এলাকায় দাবানলে প্রায় ৪২ হাজার হেক্টর পাইন বন ধ্বংস হয়েছে। আগুন আটলান্টিক উপকূলের ক্যাপ ফেরে উপদ্বীপ পর্যন্ত পৌঁছে গেলে প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। পরে পরিস্থিতির উন্নতি হলে প্রায় ৬০ হাজার মানুষকে বাড়ি ফিরতে দেওয়া হয়েছে।

দাবানলে ক্ষতিগ্রস্ত বিসকারোস শহরের বাসিন্দা ১৮ বছর বয়সী রাফায়েল ফোহানো বলেন, মাত্র এক ঘণ্টা আগে যে বাড়িতে ছিলেন, ফিরে এসে দেখেন সেখানে আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। আগুন ছড়িয়ে পড়ার সময় তার বাবা-মা ও বোনকে হেলিকপ্টারে করে উদ্ধার করা হয়।

ফ্রান্সের আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বজ্রঝড়, তাপমাত্রা হ্রাস এবং বাতাসে আর্দ্রতা বাড়ার ফলে দাবানলের ঝুঁকি কিছুটা কমতে পারে। তবে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ঝুঁকি এখনও অনেক বেশি থাকবে।

এদিকে দাবানলকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে ফরাসি পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে চুরি এবং ভুয়া পরিচয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।

স্পেনের পূর্বাঞ্চলের কাস্তেইয়োন প্রদেশেও দাবানল এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। সেখানে ১০ হাজার হেক্টরের বেশি এলাকা পুড়ে গেছে এবং প্রায় ১০ হাজার মানুষ এখনো বাড়িতে ফিরতে পারেননি।

দাবানলে বনাঞ্চলের পাশাপাশি বন্যপ্রাণীরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। স্পেনের আভিলা অঞ্চলে রয়টার্সের ড্রোনে ধারণ করা ভিডিওতে আগুনে পুড়ে মারা যাওয়া হরিণের দেহ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, এমন ধ্বংসযজ্ঞ তারা আগে কখনো দেখেননি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ইউরোপে তাপপ্রবাহ ও দাবানলের ঘটনা ক্রমেই বাড়ছে। এতে শুধু বনভূমি নয়, মানুষের জীবন, জীবিকা, পরিবহন ব্যবস্থা এবং জীববৈচিত্র্যও মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে।